নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: সাঁইথিয়ার ফুলুরের বিলসে গ্রামে বাড়ির উঠোনে বিস্ফোরণ ও মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ওইদিন রাতেই অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে আসা হয়। মৃতের পরিবারের তরফে অভিযোগ জমা করার পরই গ্রেপ্তার করা হয় দুর্গাপ্রসাদ ভট্টাচার্য নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেআইনিভাবে বেলুনে গ্যাস ভর্তির ব্যবসা করছিলেন বাড়িতে। জনবহুল এলাকায় এমন কাজ গর্হিত অপরাধ। তাই সিভিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। জেলা পুলিসের এক অফিসার বলেন, সিভিকের বাড়ির উঠোনে এই ঘটনা ঘটেছিল। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হবে।
Advertisement
রবিবার দুপুরে বিলসে গ্রামে সিলিন্ডার ফেটে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় স্থানীয় বাসিন্দা বিপদতারণ বাগদি (৩৪)-এর। দুর্গাপ্রসাদ বাড়ির উঠোনে বেলুনে গ্যাস ভরার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। খানিক দূরেই দাঁড়িয়েছিলেন ছিলেন দুর্গাপ্রসাদ। উত্তেজিত জনতা সিভিকের বাড়িতে চড়াও হন। ওই রাতেই অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে আসা হয় থানায়। পুলিসের দাবি, বেলুন ভরার যে গ্যাস দুর্গাপ্রসাদ ব্যবহার করত তা সম্পূর্ণ বেআইনি। আর সিভিক হয়ে এই ব্যবসাও করা যায় না। বেলুনে ভরার জন্য কয়লা, চুন ও রাসয়নিক পদার্থ মেশানো সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করত অভিযুক্ত। যার জন্য দমকলের ছাড়পত্র প্রয়োজন। কিন্তু নিজে সিভিক হওয়ার কারণেই কোনও কিছুর তোয়াক্কা করতেন না দুর্গাপ্রসাদ। এমনটাই অভিযোগ গ্রামবাসীর।
বহুদিন ধরে এই ব্যবসা রমরমিয়ে করে আসছিলেন দুর্গাপ্রসাদ। বেলুন বিক্রির জন্য নিজের গ্রাম ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের বেশ কয়েকজনকে কাজে লাগিয়েছিলেন। তাঁর এই বেআইনি ব্যবসার মাশুল দিতে হল বিপদতারণকে। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, পাড়ার ভিতরে এভাবে গ্যাস ব্যবহার করতে দুর্গাকে অনেকবার বারণ করা হয়েছে। কিন্তু, ও কর্ণপাতই করত না। গ্রামে ওই ছিল যেন শেষ কথা। এমনকী, গ্রামের ঝুট-ঝামেলার বিষয়ে থানার যাওয়ার প্রয়োজন পড়লে তাকে টপকে যাওয়া যাবে না বলেও শাসানি দিত দুর্গাপ্রসাদ।
এদিকে, সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর দুর্গার বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু অভিযোগ সামনে আসছে। যেমন, সাঁইথিয়ার ছিনতাইয়ের একটি গ্যাংয়ের সঙ্গে তাঁর যোগসাজস পেয়েছিল পুলিস। তা নিয়ে তাঁকে সতর্কও করা হয়েছিল। গ্রামের পরিস্থিতি এখন থমথমে। দুর্গাপ্রসাদের পরিবারের কেউই এখনও বাড়িতে ঢুকতে পারেননি।
বহুদিন ধরে এই ব্যবসা রমরমিয়ে করে আসছিলেন দুর্গাপ্রসাদ। বেলুন বিক্রির জন্য নিজের গ্রাম ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের বেশ কয়েকজনকে কাজে লাগিয়েছিলেন। তাঁর এই বেআইনি ব্যবসার মাশুল দিতে হল বিপদতারণকে। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, পাড়ার ভিতরে এভাবে গ্যাস ব্যবহার করতে দুর্গাকে অনেকবার বারণ করা হয়েছে। কিন্তু, ও কর্ণপাতই করত না। গ্রামে ওই ছিল যেন শেষ কথা। এমনকী, গ্রামের ঝুট-ঝামেলার বিষয়ে থানার যাওয়ার প্রয়োজন পড়লে তাকে টপকে যাওয়া যাবে না বলেও শাসানি দিত দুর্গাপ্রসাদ।
এদিকে, সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর দুর্গার বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু অভিযোগ সামনে আসছে। যেমন, সাঁইথিয়ার ছিনতাইয়ের একটি গ্যাংয়ের সঙ্গে তাঁর যোগসাজস পেয়েছিল পুলিস। তা নিয়ে তাঁকে সতর্কও করা হয়েছিল। গ্রামের পরিস্থিতি এখন থমথমে। দুর্গাপ্রসাদের পরিবারের কেউই এখনও বাড়িতে ঢুকতে পারেননি।



