নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুরে পুলিসের বিরুদ্ধে ডিএসও’র মহিলা কর্মীদের মারধর, শরীরে গরম মোম ফেলা সহ নানা নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে চার সদস্যের সিট মেদিনীপুরে এল। এদিন মেদিনীপুর শহরের কর্নেলগোলায় সিটের সদস্যরা এসইউসির পার্টি অফিসে ওই দলের ছাত্র সংগঠন ডিএসও’র মহিলা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওইদিন ঠিক কী ঘটেছিল, কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল-মূলত এসমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিট। এঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত ওসি সাথী বারিককে বদলি করা হয়েছে। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা গোয়েন্দা বিভাগে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে ঘিরে বিভিন্ন বামপন্থী ছাত্র সংগঠন বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। সেদিন শিক্ষামন্ত্রীর গা়ড়ির নীচে এক ছাত্র চাপা পড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর মার্চের প্রথম সপ্তাহে এসএফআই ও ডিএসও রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল। অভিযোগ, সেইমতো ডিএসও’র সঙ্গে যুক্ত কিছু পড়ুয়া মেদিনীপুরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে পৌঁছলে তাঁদের জোর করে থানায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মেদিনীপুর কোতোয়ালি ও মহিলা থানার পুলিসের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রছাত্রীদের থানায় নিয়ে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। যদিও পুলিসের আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, অভিযোগের সত্যতা নেই। বরং ওই ছাত্র সংগঠনের তরফে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল।



