Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ওয়ার্কলোড ইস্যুতে বুমরাহর পাশে সিরাজ

সদ্য এশিয়া কাপ জয়ী ভারতীয় দলে ছিলেন। খেলেছেন আমেদাবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেও।

ওয়ার্কলোড ইস্যুতে বুমরাহর পাশে সিরাজ
  • ৭ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সদ্য এশিয়া কাপ জয়ী ভারতীয় দলে ছিলেন। খেলেছেন আমেদাবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেও। শুক্রবার রাজধানীতে শুরু হতে চলা সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও সম্ভবত খেলবেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজের স্কোয়াডে রাখা হয়নি যশপ্রীত বুমরাহকে। পিঠের সমস্যার কথা মাথায় রেখে তাঁর ওয়ার্কলোড কমানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে দল। সেজন্যই টেমসের পাড়ে পাঁচ টেস্টের সিরিজের দুটোতে খেলানো হয়নি। বেছে বেছে খেলার পরিকল্পনার জন্য অবশ্য কম সমালোচনার মুখে পড়তে হয়নি তাঁকে। আর এই ইস্যুতেই ‘বুমবুম’-এর পাশে দাঁড়ালেন মহম্মদ সিরাজ। 

Advertisement

নতুন বলে বুমরাহর সঙ্গী বলেছেন, ‘বাইরের কথাবার্তায় একেবারেই প্রভাবিত হয় না বুমরাহ ভাই। ওর পিঠের চোট রীতিমতো সিরিয়াস। অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছিল। ইংল্যান্ডে শেষ টেস্টে খেললে পরিস্থিতি কী দাঁড়াত, তা বলা মুশকিল। এতাই আশঙ্কাজনক অবস্থা ছিল যে, বাড়তি চাপ দিলে আর কখনওই হয়তো বল করতে পারত না। মাথায় রাখতে হবে, ওর বোলিং অ্যাকশনও অন্যরকম। আর দলের পরিপ্রেক্ষিতে ও খুব গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে পরের বছরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রতিটা আসরেই বুমরাহর খেলা জরুরি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বুমরাহ হল দলের মেরুদণ্ড। এটা ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা নিশ্চিতভাবেই বোঝেন। যখনই সম্ভব হবে, বুমরাহ খেলবে। এটা নিয়ে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।’ 
ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ ২-২ করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল সিরাজের। পাঁচ ম্যাচে মোট ২৩টি উইকেট নেন তিনি। দু’দল মিলিয়ে সেই সিরিজে সর্বাধিক উইকেটশিকারী সিরাজই। বুমরাহর অনুপস্থিতিতে জ্বলে উঠেছিলেন তিনি। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সিরাজ বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের মাটিতে পা রাখার পরই ঠিক করেছিলাম, সিরিজে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেতে হবে। সিরিজ জুড়ে মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছি। ১০০ শতাংশ ফিট থাকতে চেয়েছিলাম। সব সময় বোলিং করার জন্য তৈরি থাকাই ছিল লক্ষ্য। পাঁচটা টেস্টেই এই মানসিকতা সঙ্গী ছিল। প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলার সময় থেকেই ছিলাম ছন্দে। যখন জানলাম যে, জাসসি ভাই (যশপ্রীত) সব টেস্টে খেলবে না, তখন আরও সজাগ হয়ে উঠি। জোরে বোলারদের মধ্যে আমি ছিলাম সিনিয়রদের মধ্যে দ্বিতীয়। তাই সেরাটা দেওয়াই ছিল লক্ষ্য।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ