নয়াদিল্লি: দিল্লিতে এসআইআর প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে ৩১ আগস্ট প্রকাশ হয়েছিল খসড়া ভোটার তালিকা। রাজধানীর ১.৪৫ কোটি ভোটারের মধ্যে ৪৭ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছিল। অর্থাৎ, দেশের রাজধানীতে প্রতি তিনজন পিছু একজন ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল খসড়া তালিকায়। তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই এবার নয়া বিতর্ক। দিল্লি নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়েছে স্বয়ং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে।
শুধু কেজরিওয়ালই নন, কমিশনের নোটিস পেয়েছেন তাঁর পরিবারের আরও চার সদস্য। তাঁরা হলেন কেজিওয়ালের স্ত্রী সুনীতা, বাবা গোবিন্দ রাম, মা গীতা দেবি ও পুত্র পুলকিত। কেজরিওয়াল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের এই নোটিস দেওয়া হয়েছে ‘আনম্যাপড উইথ লাস্ট এসআইআর’ ক্যাটিগরিতে। কমিশন সূত্রে খবর, পূর্বের এসআইআর প্রক্রিয়ার রেকর্ডের সঙ্গে তথ্যের গরমিলের কারণে এই ক্যাটিগরিতে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে।
৩১ আগস্ট প্রকাশিত খসড়া তালিকায় রাজধানীর এক-তৃতীয়াংশ ভোটারের নাম বাদ পড়ায় কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন কেজরিওয়াল। এক্স হ্যান্ডলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কটাক্ষ করে লিখেছিলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের আর উদ্বেগের প্রয়োজন নেই। কারণ, এসআইআর প্রক্রিয়াতেই দেশের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি থেকে কমে ৫০ কোটি হয়ে যাবে। তারই মধ্যে এবার কেজরিওয়াল ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য কমিশনের নোটিস পেলেন।
৩১ আগস্ট খসড়া তালিকা প্রকাশ করার পর যাঁদের নাম ও জন্ম তারিখে অমিল রয়েছে, কমিশন এবার অনলাইনে সেই সংক্রান্ত তথ্যও প্রকাশ করেছে। সেই সূত্রেই তথ্যে অমিল থাকা ভোটারদের নোটিস পাঠানো হচ্ছে বলে শনিবার জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক (সিইও) অশোক কুমার। তিনি এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, কমিশনের আধিকারিকরা বিভিন্ন জায়গায় শিবির খুলে শুনানি চালাচ্ছেন। প্রয়োজনে শিবিরের সংখ্যা বাড়ানো হবে। বর্তমানে, বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও আপত্তি সংক্রান্ত আবেদন নিয়ে আমাদের শুনানি চলছে। তাই জনসাধারণকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। দু’ধরনের নোটিস রয়েছে, একটি আনম্যাপড ভোটারদের জন্য। এবং অন্যটি ম্যাপড ভোটারদের জন্য, যাঁদের নাম বা জন্ম তারিখ ইত্যাদিতে সামান্য অমিল রয়েছে, সেজন্য জন্য নোটিস পাঠানো হচ্ছে। ফাইল চিত্র