Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসআইআর: দিদি লড়ছেন, বন্ধ হবে হয়রানি, আশ্বস্ত ডাক পাওয়া ভোটাররা

‘দিদি লড়েছেন, আশা করছি নাম কাটা যাবে না অকারণে।’ বলছিলেন মুচিবাজারের বাসিন্দা সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআরে শুনানিতে ডাক এসেছে তাঁর।

এসআইআর: দিদি লড়ছেন, বন্ধ হবে হয়রানি,  আশ্বস্ত ডাক পাওয়া ভোটাররা
  • ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও বারাকপুর: ‘দিদি লড়েছেন, আশা করছি নাম কাটা যাবে না অকারণে।’ বলছিলেন মুচিবাজারের বাসিন্দা সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআরে শুনানিতে ডাক এসেছে তাঁর। নথিও জমা করেছেন। শুনানি হয়েছে মুরারীপুকুর গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে। কিন্তু অকারণ হয়রানিতে সংশয়ে ছিলেন, ‘ফাইনাল লিস্টে নাম থাকবে তো!’ বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে যেভাবে সওয়াল করেছেন, তাতে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনের করা এই হয়রানিকে মান্যতা দিয়েছে। এখন স্বস্তি বোধ করছেন সোমনাথবাবু।

Advertisement

শুধু সোমনাথবাবু নন, অকারণে বা তুচ্ছ ভুলের জন্য এসআইআরের শুনানিতে হয়রানির শিকার হওয়া সকলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপে ভরসা রাখছেন। বলছেন, ‘দিদি পাশে ছিল, আমরাও তাই দিদির পাশেই আছি।’ উল্টোডাঙা অঞ্চলের মুচিবাজারের বাসিন্দা সোমনাথবাবু মানিকতলা বিধানসভার অন্তর্গত। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে শুনানিতে ডাক এসেছে তাঁর। কিন্তু কেন? সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ২০০২ সালের তালিকায় আমার নাম রয়েছে। কিন্তু সেখানে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জায়গায় ‘ব্যানার্জি’ হয়ে আছে। আমার ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, জন্ম শংসাপত্র থেকে সমস্ত নথিতে ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’ লেখা। কেন দু’জায়গায় টাইটেল আলাদা, সেই কারণে আমাকে ডেকেছিল। আমার বাবা ৮৪ বছর বয়স। একই কারণে বয়স্ক লোককে লাইনে দাঁড়িয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু দিদি কালকে যেভাবে লড়েছেন, এবার আশা করছি এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে সাধারণ মানুষকে অহেতুক দুর্ভোগের শিকার হতে হবে না। তিনি আরও বলেন, নথিপত্র জমা করেছিলাম। তারপরও যেভাবে নির্বাচন কমিশন একের পর এক ভুলভাল পদক্ষেপ করছে, তাতে ভয় ছিল ফাইনাল তালিকায় আদৌ নাম থাকবে তো! কিন্তু কালকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকায় আশ্বস্ত হয়েছি। তিনি আমাদের সত্যিকারের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশনের মুখ পুড়েছে।

শুনানির ডাক এসেছে কালীতলা পূর্বাচল এলাকার বাসিন্দা সাধনা দাসের। শুনানি হয় পূর্বাচলের অক্সফোর্ড হাইস্কুলে। বছর ৩৮ এর সাধনাদেবীর জন্ম শংসাপত্র সংক্রান্ত কিছু সমস্যা ছিল। স্বাভাবিকভাবেই হাজিরা দিতে হয়েছে তাঁকে। সাধনাদেবীর কথার, দিদি আমাদের জন্য যা করছেন চিরজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। ছোটো ছোটো ভুলের জন্য নির্বাচন কমিশন শুনানিতে ডাকছে। এত বছর ধরে ভোট দিচ্ছি। নথিপত্র আছে। তারপরও অকারণে হয়রান করছে। মুখ্যমন্ত্রী যা পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে এবার নির্বাচন কমিশনের এই অসভ্যতা বন্ধ হবে। আশা করি, নাম কাটা যাবে না।

শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন বারাকপুরের ওসি ইলেকশন পূজা দেবনাথ। যিনি বারাকপুর মহকুমা নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁকেই শুনানির মুখোমুখি হতে হল। বাবার নামে সামান্য ভুল থাকায়, তাঁকে শুনানির মুখোমুখি হতে হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ