Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হুল দিবসেই গড়বেতায় সিধো-কানহোর মূর্তি উদ্বোধন, প্রতিশ্রুতি রক্ষা সাংসদের

ভোটের সময় দেওয়া কথা রাখলেন ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কালীপদ সোরেন। সোমবার গড়বেতা-২ ব্লকের জিরাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট নাকদনা এলাকায় হুল দিবসে সিধো-কানহোর মূর্তি উদ্বোধন করলেন তিনি।

হুল দিবসেই গড়বেতায় সিধো-কানহোর মূর্তি উদ্বোধন, প্রতিশ্রুতি রক্ষা সাংসদের
  • ১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: ভোটের সময় দেওয়া কথা রাখলেন ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কালীপদ সোরেন। সোমবার গড়বেতা-২ ব্লকের জিরাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট নাকদনা এলাকায় হুল দিবসে সিধো-কানহোর মূর্তি উদ্বোধন করলেন তিনি। একইসঙ্গে একটি শিশু উদ্যানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কালীপদবাবু। সাংসদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গড়বেতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীনবন্ধু দে সহ জনপ্রতিনিধিরা। এদিনের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ঘিরে উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। সাংসদ কথা রাখায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কালীপদ সোরেন বলেন, কথা দিয়ে কথা রাখতে জানি। এই এলাকার মানুষের পাশে সর্বদা থাকব। বর্তমানে এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ চলছে। আগামী দিনে কাজের গতি আরও বাড়াতে হবে।গড়বেতা-২ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীনবন্ধু দে বলেন, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়বেতা-২ ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির মধ্যে অন্যতম জিরাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত। এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মানুষ একসময় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতেন না। তবে ২০১৩ সালের পর থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। বর্তমানে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করা হয়েছে। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে রয়েছে বিশেষ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব। বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রীর গুণগতমান পরীক্ষা করা হয় এখানে। আশেপাশের গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষার জন্য এই ল্যাবরেটরিতে আসে। গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশেই রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। যেখানে প্রতিদিনই চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসেন গ্রামবাসীরা। তাই শিশুর খাবারের কথা ভেবে গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যেই একটি ঘরে ‘বেবি ফিডিং কর্ণার’  করা হয়েছে। যেখানে মায়েরা নিশ্চিন্তে শিশুদের স্তন্যপান করাতে পারবেন। একইসঙ্গে, এই গ্রাম পঞ্চায়েত একাধিক রাস্তা, পানীয় জলের প্রকল্পের কাজ করেছে। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুকুমণি হাঁসদা নিজে হাতে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখেন। একইসঙ্গে সাইকেলে এলাকায় ঘুরে তিনি মানুষের সমস্যার সমাধান করেন। এদিন সুকুমণিদেবী বলেন, এই এলাকায় আদিবাসী-মূলবাসী মানুষের বসবাস। তাঁদের পাশে থাকাই আমাদের মূল কর্তব্য। সাংসদ পাশে দাঁড়ানোয় অনেকটা উপকার হয়েছে। আমাদের আরও কাজ করতে হবে।স্থানীয় তৃণমূল নেতা পিনাকীরঞ্জন ঘোষ বলেন, বাম আমলে গ্রামের মানুষ খুবই সমস্যায় থাকতেন। রাজনৈতিক হানাহানি লেগেই থাকত। বর্তমানে শান্তি ফিরে এসেছে। হুল দিবসে অনুষ্ঠান ঘিরে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ