সংবাদদাতা, বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় ফোন করে ও এসএমএস পাঠিয়ে সাইবার প্রতারণা করে বহু লোকের টাকা হাতানোর ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান সাইবার থানার পুলিস। ধৃতদের নাম সুশোভন মণ্ডল ও সৈকত দাস। কাটোয়া থানার শ্রীখণ্ডে সুশোভনের বাড়ি। বর্ধমান শহরের গোদা দাসপাড়ায় সৈকতের বাড়ি। সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতদের সাতদিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস। ধৃতদের চারদিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন সিজেএম।
Advertisement
সাইবার থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন জনকে ফোন ও এসএমএস করে পূর্ব বর্ধমান জেলায় টাকা হাতানোর বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে বেশ কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়ে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করার জন্য সেখান থেকে জেলা পুলিসকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তার ভিত্তিতে বর্ধমান সাইবার থানা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে। তদন্তে নেমে সাইবার থানা বেশ কয়েকটি ফোন নম্বরের হদিশ পায়। সেই নম্বরগুলি থেকে সন্দেহজনক ফোন ও এসএমএস করা হয়েছিল বলে জানতে পারে সাইবার থানা। মোবাইলের সূত্র ধরে ঘটনায় সুশোভন ও সৈকতের জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে পারে সাইবার থানা। এরপরই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার: কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিস। ধৃতের নাম পুলক দাস। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থানার সোনাকনিয়ায় তার বাড়ি। শনিবার মহারাষ্ট্রের পুনের ভোসারি থানার লোন্ডাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় অপহৃতা কিশোরীকে। সেখানকার আদালতে পেশ করে ধৃতকে এ রাজ্যে আনার জন্য ৬ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিস। আদালত ৪ দিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করে। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম। এদিনই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কিশোরীর গোপন জবানবন্দি নথিভুক্ত করায় পুলিস। জানা গিয়েছে, দেওয়ানদিঘি থানার জগদাবাদে বছর ষোলোর ওই কিশোরীর বাড়ি। ৩১ অক্টোবর দুপুরে সে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তার হদিশ মিলছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, পুলক তাকে অপহরণ করে আটকে রেখেছে। এরপরই কিশোরীর পরিবারের তরফে দেওয়ানদিঘি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে মোবাইলের সূত্র ধরে পুলক মহারাষ্ট্রে রয়েছে বলে জানতে পারে পুলিস। এরপরই দেওয়ানদিঘি থানার পুলিসের একটি দল তাকে ধরতে সেখানে রওনা দেয়।
কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার: কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিস। ধৃতের নাম পুলক দাস। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থানার সোনাকনিয়ায় তার বাড়ি। শনিবার মহারাষ্ট্রের পুনের ভোসারি থানার লোন্ডাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় অপহৃতা কিশোরীকে। সেখানকার আদালতে পেশ করে ধৃতকে এ রাজ্যে আনার জন্য ৬ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিস। আদালত ৪ দিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করে। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম। এদিনই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কিশোরীর গোপন জবানবন্দি নথিভুক্ত করায় পুলিস। জানা গিয়েছে, দেওয়ানদিঘি থানার জগদাবাদে বছর ষোলোর ওই কিশোরীর বাড়ি। ৩১ অক্টোবর দুপুরে সে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তার হদিশ মিলছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, পুলক তাকে অপহরণ করে আটকে রেখেছে। এরপরই কিশোরীর পরিবারের তরফে দেওয়ানদিঘি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে মোবাইলের সূত্র ধরে পুলক মহারাষ্ট্রে রয়েছে বলে জানতে পারে পুলিস। এরপরই দেওয়ানদিঘি থানার পুলিসের একটি দল তাকে ধরতে সেখানে রওনা দেয়।



