সংবাদদাতা, তেহট্ট: চার কোটি সত্তর লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে তেহট্ট ও থানার পাড়া থেকে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করল বেঙ্গালুরু পুলিস। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করে তাদের বেঙ্গালুরু নিয়ে যাওয়া হয়। ধৃতদের নাম পিঙ্কু মণ্ডল ও কামালুদ্দিন হাসান। পিঙ্কুর বাড়ি থানারপাড়া থনার পরানপুর এলাকায়। ধৃতদের একজন তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য। অন্য জনের বাড়ি তেহট্ট থানার রাজাপুর এলাকায়। তার নাজিরপুর এলাকায় কাপড়ের দোকান রয়েছে। তেহট্টের এসডিপিও শুভতোষ সরকার বলেন, কর্ণাটক পুলিস একটি সাইবার প্রতারণার মামলার তদন্তে এসে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের কর্ণাটক নিয়ে গিয়েছে তারা।
Advertisement
পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের ৮ তারিখ বেঙ্গালুরু সাইবার ক্রাইমে ৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ হয়। সেই অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে বেঙ্গালুরু পুলিস মুর্শিদাবাদ জেলার এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই দুজনের নাম পায় পুলিস। বৃহস্পতিবার রাতে তেহট্ট থানার সহায়তায় ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে চলত এই প্রতারণার কারবার। দেশ-বিদেশে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হতো। বাংলা থেকে অনলাইন প্রতারণাচক্র চালাত ধৃত দুই যুবক। তেহট্ট থানা এবং নাজিরপুর ফাঁড়ির পুলিসের সাহায্য নিয়েই তাঁদের বেঙ্গালুরু পুলিস গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে পাসবুক, এটিএম কার্ড এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।
পুলিস সুত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্ত শুরু করে পুলিস জানতে পারে, এই প্রতারণা চক্র নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চালানো হচ্ছে। তেহট্ট থানার নাজিরপুর এলাকায় একটি কাপড়ের দোকানে এই প্রতারণা চক্রের প্রতারকরা ঘাঁটি গেড়ে এই চক্র চালাচ্ছে। সেখান থেকে হোয়াটস অ্যাপে শেয়ার বাজারের গ্রুপ তৈরি করে সেই গ্রুপ থেকে সাধারণ মানুষকে মোটা অঙ্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন মানুষের অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে এই প্রতারণা চক্র চালাতো প্রতারকরা।
প্রতারণার মামলায় তৃণমূল নেতার নাম জড়ানোয় দলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমান বলেন, ‘কেউ ব্যক্তিগত ভাবে এই ধরনের কাজ করে থাকলে, তার দায় দলের নয়। অভিযুক্তের দোষ প্রমাণ হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে।’
পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে চলত এই প্রতারণার কারবার। দেশ-বিদেশে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হতো। বাংলা থেকে অনলাইন প্রতারণাচক্র চালাত ধৃত দুই যুবক। তেহট্ট থানা এবং নাজিরপুর ফাঁড়ির পুলিসের সাহায্য নিয়েই তাঁদের বেঙ্গালুরু পুলিস গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে পাসবুক, এটিএম কার্ড এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।
পুলিস সুত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্ত শুরু করে পুলিস জানতে পারে, এই প্রতারণা চক্র নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চালানো হচ্ছে। তেহট্ট থানার নাজিরপুর এলাকায় একটি কাপড়ের দোকানে এই প্রতারণা চক্রের প্রতারকরা ঘাঁটি গেড়ে এই চক্র চালাচ্ছে। সেখান থেকে হোয়াটস অ্যাপে শেয়ার বাজারের গ্রুপ তৈরি করে সেই গ্রুপ থেকে সাধারণ মানুষকে মোটা অঙ্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন মানুষের অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে এই প্রতারণা চক্র চালাতো প্রতারকরা।
প্রতারণার মামলায় তৃণমূল নেতার নাম জড়ানোয় দলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমান বলেন, ‘কেউ ব্যক্তিগত ভাবে এই ধরনের কাজ করে থাকলে, তার দায় দলের নয়। অভিযুক্তের দোষ প্রমাণ হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে।’



