অভিষেক পাল, বহরমপুর: অবৈধ সিমের ‘হাব’ হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদ। গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে, দেশজুড়ে প্রতিনিয়ত যে সাইবার প্রতারণা ঘটে চলেছে তাতে ব্যবহৃত ভুয়ো সিমগুলি অধিকাংশই অ্যাক্টিভেট করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ থেকে।
Advertisement
ভুয়ো সিমের রমরমা ঠেকাতে পুলিস প্রতিটি থানায় মামলা রুজু করা শুরু করেছে। রবিবারই ছ’টি থানা এলাকায় ফেক সিম বিক্রির অভিযোগে প্রায় একশো ‘পয়েন্ট অফ সেল’ তথা ‘পস’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগে দায়ের হয়েছে। পুলিস খতিয়ে দেখছে, এই হাজার হাজার ফেক সিম কীভাবে তোলা হয়েছে। কীভাবে সেগুলি হাত বদল হয়ে গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, দৌলতাবাদ থানা এলাকায় পাঁচটি পয়েন্ট অফ সেল রিটেলর তথা পসের বিরুদ্ধে অভিযোগে দায়ের হয়েছে। বড়ঞা থানা এলাকায় ২৭টি রিটেলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি ভরতপুর থানার ছ’টি পস বেআইনি ভাবে ফেক সিম বিক্রি করেছে বলেই অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও, নওদা, মুর্শিদাবাদ, হরিহরপাড়া, ভগবানগোলা থানা এলাকায় বহু রিটেল শপের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা করেছে পুলিস।
মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত পুলিস সুপার (লালবাগ) রাসপ্রীত সিং বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা খবর পেয়ে মামলা দায়ের করেছি। ভুয়ো সিম কীভাবে তোলা হয়েছে এবং অ্যাক্টিভেট করা হয়েছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তবে অধিকাংশ ভুয়ো সিম তোলা হয়েছে দুই-তিন বছর আগে। ইদানিং আমাদের নজরদারি চলছে। সেভাবে কেউ ভুয়ো সিম অ্যাক্টিভেট করতে পারছে না।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আধার কার্ড দিয়ে সিম তোলার সময় আগে সেভাবে বায়োমেট্রিক পরীক্ষা করা হতো না। সে সময়ে এই হাজার হাজার সিম বেনামে তোলা হয়েছে। এক একটি আধার কার্ড জেরক্স করে অতিরিক্ত ছবি বের করে নিয়ে সিম তোলা হয়েছে। এক একটি আধারের বিনিময়ে ন’টি করে সিম তোলা যায়। এক একটি সিম শতাধিক টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তবে ইদানিং এইভাবে সিম তোলা বন্ধ আছে। আধার কার্ডের সঙ্গে বায়োমেট্রিক পরীক্ষা করা হয়। সেই আধার নম্বরের সঙ্গে হাতের আঙুলের ছাপ পরীক্ষার পর সিম অ্যাক্টিভেট হয়। এই পদ্ধতিতে খুব একটা বেশি সিমের জলিয়াতি করতে পারছে না সাইবার প্রতারকরা। তাই পুরনো সিমের উপরেই ভরসা করে সাইবার প্রতারণা করছে জলিয়াতেরা। সিমের জোগানও অনেক কমেছে। একবার ফোন করার পর টাকা হাতিয়ে নিয়ে সেই সিম বন্ধ করে দেয় প্রতারকরা। তাই মুর্শিদাবাদের এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিমের জোগানে রাশ টানতে পারলে জালিয়াতি বন্ধ হবে বলেই মনে করছে পুলিস আধিকারিকরা। সেজন্য প্রায় প্রতিটি থানা এলাকায় ভুয়ো সিমের রিটেল বিক্রেতাদের চিহ্নিত করে শায়েস্তা করতে চাইছে পুলিস।
মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত পুলিস সুপার (লালবাগ) রাসপ্রীত সিং বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা খবর পেয়ে মামলা দায়ের করেছি। ভুয়ো সিম কীভাবে তোলা হয়েছে এবং অ্যাক্টিভেট করা হয়েছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তবে অধিকাংশ ভুয়ো সিম তোলা হয়েছে দুই-তিন বছর আগে। ইদানিং আমাদের নজরদারি চলছে। সেভাবে কেউ ভুয়ো সিম অ্যাক্টিভেট করতে পারছে না।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আধার কার্ড দিয়ে সিম তোলার সময় আগে সেভাবে বায়োমেট্রিক পরীক্ষা করা হতো না। সে সময়ে এই হাজার হাজার সিম বেনামে তোলা হয়েছে। এক একটি আধার কার্ড জেরক্স করে অতিরিক্ত ছবি বের করে নিয়ে সিম তোলা হয়েছে। এক একটি আধারের বিনিময়ে ন’টি করে সিম তোলা যায়। এক একটি সিম শতাধিক টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তবে ইদানিং এইভাবে সিম তোলা বন্ধ আছে। আধার কার্ডের সঙ্গে বায়োমেট্রিক পরীক্ষা করা হয়। সেই আধার নম্বরের সঙ্গে হাতের আঙুলের ছাপ পরীক্ষার পর সিম অ্যাক্টিভেট হয়। এই পদ্ধতিতে খুব একটা বেশি সিমের জলিয়াতি করতে পারছে না সাইবার প্রতারকরা। তাই পুরনো সিমের উপরেই ভরসা করে সাইবার প্রতারণা করছে জলিয়াতেরা। সিমের জোগানও অনেক কমেছে। একবার ফোন করার পর টাকা হাতিয়ে নিয়ে সেই সিম বন্ধ করে দেয় প্রতারকরা। তাই মুর্শিদাবাদের এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিমের জোগানে রাশ টানতে পারলে জালিয়াতি বন্ধ হবে বলেই মনে করছে পুলিস আধিকারিকরা। সেজন্য প্রায় প্রতিটি থানা এলাকায় ভুয়ো সিমের রিটেল বিক্রেতাদের চিহ্নিত করে শায়েস্তা করতে চাইছে পুলিস।



