সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: ফটোকপি সেন্টার থেকে সাইবার ক্যাফে। কৃষিকাজ থেকে ইমপোর্ট-এক্সপোর্টের ব্যবসা। উত্তরবঙ্গ সীমান্তে এমন ব্যবসার আড়ালেই ক্রমশ জাল বিস্তার করছে জেহাদি জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা। সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা পর্যালোচনা করে এমনই অনুমান করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এনিয়ে গোয়েন্দাদের মাথাব্যথা বাড়ছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, সীমান্তে বিভিন্ন ব্যবসার আড়ালে এজেন্টের কাজ করছে কিছু মানুষ। তারাই মূলত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও জঙ্গিদের জাল ভারতীয় নাগরিকত্বের নথি তৈরি করে দিচ্ছে। এমনই বেশকিছু এজেন্ট এখন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ ও রাজ্য পুলিসের নজরে। এদের মূল ‘ঘাঁটি’ হলদিবাড়ি, ফুলবাড়ি ও শিলিগুড়িতে।
Advertisement
উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তে জালিয়াতি চক্র বহুদিন ধরেই সক্রিয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ির ফুলবাড়ি, বেরুবাড়ি এবং শিলিগুড়ির নেপাল সীমান্তবর্তী পানিট্যাঙ্কিতে ওই চক্রের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে অভিযান চালিয়ে সাফল্য পেয়েছে দার্জিলিং জেলা পুলিস। জালিয়াতি চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তারও করেছে তারা। নকশালবাড়ির এসডিপিও নেহা জৈন বলেন, তদন্ত চলছে। গোটা চেন ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছি।
সংশ্লিষ্ট ঘটনা পর্যালোচনা করে গোয়েন্দারা চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য পেয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ওই র্যাকেটের ধৃতদের কেউ সাইবার ক্যাফে, কেউ দিনমজুর, আবার কেউ কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। এমন পেশার আড়ালে তারা চোরাপথে বাংলাদেশিদের এপারে আনত। নিজেদের ডেরায় রেখে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশকারীদের জাল আধার কার্ড, জন্ম ও বাসস্থানের সার্টিফিকেট তৈরি করে দিত। ওই এজেন্টদের মাধ্যমেই বাংলাদেশ থেকে এপারে আসছে আল কায়েদা জঙ্গিরা। তারা ওই এজেন্টদের মাধ্যমেই শ্রমিকের বেশে সীমান্তে নেটওয়ার্ক গড়ছে। এখান থেকেই সহজে পাড়ি দিচ্ছে গুজরাত, মুম্বই, পাঞ্জাব, দিল্লি সহ বিভিন্ন রাজ্যে।
এমন প্রেক্ষাপটেই আল কায়েদা জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ও অর্থ জোগানের ঘটনা নিয়ে শিলিগুড়ির উপকণ্ঠে ফুলবাড়িতে এবং হলদিবাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ। তারা এনজেপি থানায় ডেকে এক এক্সপোর্ট ব্যবসায়ীকে দীর্ঘক্ষণ জেরাও করে। ফুলবাড়িতে ভাড়া থাকলেও তার আসল বাড়ি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হলদিবাড়িতে। এছাড়া, এনআইএ হলদিবাড়িতে এক ক্যাটারার কর্মীর বাড়িতেও অভিযান চালায়, যা গোয়েন্দাদের সন্দেহকেই আরও বদ্ধমূল করেছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এ ধরনের আরও এজেন্ট ছড়িয়ে রয়েছে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, হলদিবাড়ি ও উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায়। যারা বিভিন্নভাবে জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদাকে সাহায্য করছে বলে খবর। তারা প্রত্যেকেই এনআইএ’র আতশ কাচের নীচে রয়েছে। প্রসঙ্গত, গোটা উত্তরবঙ্গই বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ঘেরা। এখানে অনুপ্রবেশের সমস্যা দীর্ঘদিনের। গোটা এলাকা বিএসএফের উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ এবং গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের মধ্যে ভাগ করা রয়েছে। যারমধ্যে উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার দৈর্ঘ্য ৯৩৬ কিমি। এর কিছু জায়গায় নদীপথ রয়েছে। সেখানে কাঁটা তারের বেড়া নেই। এর বাইরেও স্থলপথের কিছু এলাকা উন্মুক্ত। এমন ভৌগোলিক অবস্থাকে কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশে থেকে এপারে জঙ্গিরা আসছে। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অফিসাররা অবশ্য বলেন, দেশের নিরাপত্তায় জওয়ানরা সর্বদা সতর্ক।
সংশ্লিষ্ট ঘটনা পর্যালোচনা করে গোয়েন্দারা চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য পেয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ওই র্যাকেটের ধৃতদের কেউ সাইবার ক্যাফে, কেউ দিনমজুর, আবার কেউ কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। এমন পেশার আড়ালে তারা চোরাপথে বাংলাদেশিদের এপারে আনত। নিজেদের ডেরায় রেখে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশকারীদের জাল আধার কার্ড, জন্ম ও বাসস্থানের সার্টিফিকেট তৈরি করে দিত। ওই এজেন্টদের মাধ্যমেই বাংলাদেশ থেকে এপারে আসছে আল কায়েদা জঙ্গিরা। তারা ওই এজেন্টদের মাধ্যমেই শ্রমিকের বেশে সীমান্তে নেটওয়ার্ক গড়ছে। এখান থেকেই সহজে পাড়ি দিচ্ছে গুজরাত, মুম্বই, পাঞ্জাব, দিল্লি সহ বিভিন্ন রাজ্যে।
এমন প্রেক্ষাপটেই আল কায়েদা জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ও অর্থ জোগানের ঘটনা নিয়ে শিলিগুড়ির উপকণ্ঠে ফুলবাড়িতে এবং হলদিবাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ। তারা এনজেপি থানায় ডেকে এক এক্সপোর্ট ব্যবসায়ীকে দীর্ঘক্ষণ জেরাও করে। ফুলবাড়িতে ভাড়া থাকলেও তার আসল বাড়ি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হলদিবাড়িতে। এছাড়া, এনআইএ হলদিবাড়িতে এক ক্যাটারার কর্মীর বাড়িতেও অভিযান চালায়, যা গোয়েন্দাদের সন্দেহকেই আরও বদ্ধমূল করেছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এ ধরনের আরও এজেন্ট ছড়িয়ে রয়েছে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, হলদিবাড়ি ও উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায়। যারা বিভিন্নভাবে জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদাকে সাহায্য করছে বলে খবর। তারা প্রত্যেকেই এনআইএ’র আতশ কাচের নীচে রয়েছে। প্রসঙ্গত, গোটা উত্তরবঙ্গই বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ঘেরা। এখানে অনুপ্রবেশের সমস্যা দীর্ঘদিনের। গোটা এলাকা বিএসএফের উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ এবং গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের মধ্যে ভাগ করা রয়েছে। যারমধ্যে উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার দৈর্ঘ্য ৯৩৬ কিমি। এর কিছু জায়গায় নদীপথ রয়েছে। সেখানে কাঁটা তারের বেড়া নেই। এর বাইরেও স্থলপথের কিছু এলাকা উন্মুক্ত। এমন ভৌগোলিক অবস্থাকে কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশে থেকে এপারে জঙ্গিরা আসছে। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অফিসাররা অবশ্য বলেন, দেশের নিরাপত্তায় জওয়ানরা সর্বদা সতর্ক।



