সংবাদদাতা কালিয়াচক: একের পর এক শ্যুটআউটের ঘটনা কালিয়াচকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কালিয়াচকের আকন্দবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রামনগর পাক্কাকোট শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটে। তাতে একজনকে দুটি গুলি লাগে এবং অপরজনকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। শুক্রবারও এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও চাপা আতঙ্ক।
Advertisement
ওই এলাকায় একটি মদের দোকান রয়েছে। সেখান থেকে মদ কিনে আশপাশের আমবাগানে গিয়ে মদ খায় অনেকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মদের দোকানের সামনেই গন্ডগোল বাঁধে অসীম মণ্ডলের সঙ্গে কালু মণ্ডলের দলবলের। অভিযোগ, তখনই অসীমকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অপরাজিত সরকার ওরফে কালু। অসীমের ডান হাত এবং বুকের ডান দিকে গুলি লাগে। অসীমের এক বন্ধুকে লক্ষ্য করে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারে কালুরা। এলাকায় সমাজবিরোধী হিসেবেই পরিচিত কালু ও তার দলবল। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মামলা হয়েছে। পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র মামলাও রয়েছে কালুদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবারের ঘটনার পরেই ওই এলাকাটি লাল ফিতে দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিস। তবে ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই রয়েছে রামনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিদ্যালয়। যার কারণে এলাকার বাসিন্দারা যথেষ্ট আতঙ্কে। গুলিবিদ্ধ অসীমের মা সুন্দরী মণ্ডল জানান, আমার ছেলের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে তারা বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত।
এদিকে ভোলাইচকের বাসিন্দা অসিত মণ্ডল এবং জিতেন মণ্ডলদের বক্তব্য, মদের দোকানের জন্য এলাকায় মদ্যপদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে। এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
ইতিমধ্যে কালিয়াচক থানার পুলিস কালু সহ তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের শুক্রবার মালদহ জেলা আদালতে তুলে সাতদিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস।
বৃহস্পতিবারের ঘটনার পরেই ওই এলাকাটি লাল ফিতে দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিস। তবে ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই রয়েছে রামনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিদ্যালয়। যার কারণে এলাকার বাসিন্দারা যথেষ্ট আতঙ্কে। গুলিবিদ্ধ অসীমের মা সুন্দরী মণ্ডল জানান, আমার ছেলের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে তারা বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত।
এদিকে ভোলাইচকের বাসিন্দা অসিত মণ্ডল এবং জিতেন মণ্ডলদের বক্তব্য, মদের দোকানের জন্য এলাকায় মদ্যপদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে। এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
ইতিমধ্যে কালিয়াচক থানার পুলিস কালু সহ তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের শুক্রবার মালদহ জেলা আদালতে তুলে সাতদিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস।



