সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: আতশবাজি কেবলমাত্র দীপাবলির আলোর উৎসবেই থেমে নেই। তার আগুনেও নতুন কিছু গড়ে তোলা যায়। এই ভাবনা কাজে লাগিয়ে নামখানার হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা একাদশ শ্রেণির ছাত্র অরূপ মণ্ডল তৈরি করেছে আগুনের কালী মূর্তি। তা ইতিমধ্যেই নামখানাজুড়ে সাড়া ফেলেছে। জানা গিয়েছে, একটি সাড়ে তিন ফুট লম্বা ও আড়াই ফুট চওড়া প্লাইউডের উপর রং মশালের আগুন ব্যবহার করে মূর্তি তৈরি করেছে। এটি তৈরি করতে সময় লেগেছে চারদিন। অরূপ রাত জেগে তৈরি করেছে আগুন মূর্তি। কাজ করার সময় মুখে মাস্ক পড়ে নিত। চোখে দিত সানগ্লাস। মূর্তি তৈরি করতে ২০০ পিস রং মশাল জ্বালানো হয়েছে। প্লাইউডকে পুড়িয়ে এটি তৈরি।
একাদশ শ্রেণির ছাত্রটি বলেছে, ‘রাত আটটা থেকে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু করতাম। চারদিন এভাবে কাজ করার পর মূর্তি সম্পূর্ণ হয়েছে। এটি তৈরি করার সময় কেরোসিন তেলের একটি ল্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। ল্যাম্পের আগুনে রং মশালে আগুন ধরানো হত। এরপরই প্লাইউডে ঠেকিয়ে সেটিকে পোড়ানো হত। পোড়া জায়গায় রং মশালের কালি ঘষে মূর্তি তৈরি করা হয়েছে।’ অরূপের প্রতিবেশী বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ‘কালী মূর্তিটি খুবই সুন্দর। গ্রামবাসীরা দেখে খুশি। মূর্তিটি দর্শনার্থীদের দেখানোর জন্য একটি কালীপুজো মণ্ডপে রাখার ব্যবস্থা হয়েছে।’
অন্যদিকে কাকদ্বীপের তেঁতুলতলা বলদেবপুরের মা কালী সংঘের পুজোর সূচনা করল ছাত্র-ছাত্রীরা। সোমবার সকালে তাঁরা অশ্বত্থ পাতার উপর বিভিন্ন রকমের কালী মূর্তির ছবি এঁকে পুজোর সূচনা করে। প্রায় ৩৬ জন ছাত্র-ছাত্রী মণ্ডপের সামনে বসে কাঁচা অশ্বত্থ পাতার উপরে রং তুলি দিয়ে ছবি এঁকেছে। ছবিগুলি মণ্ডপের ভিতর সাজিয়ে রাখা হয়েছে। নিজস্ব চিত্র