Bartaman Logo
৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

কালীঘাটে পুজো দিয়ে সেদিন মাঠে যান শ্যাম

‘৫০ বছর’। বিশ্বাস হচ্ছে না। মনে হয় এই তো সেদিনের কথা। ম্যাচ শেষে সমর্থকদের কাঁধে চেপে ক্লাবে ফেরা। কাস্টমসের সামনে কাদা মাঠে দু’বার আছাড়ও খেয়েছিলাম...’ কথা বলতে বলতে স্মৃতিমেদুর শ্যাম থাপা। ১৯৭৫ আইএফএ শিল্ড ফাইনালের অন্যতম নায়ক। দু-দুটো গোল তাঁর নামের পাশে।

কালীঘাটে পুজো দিয়ে সেদিন মাঠে যান শ্যাম
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘৫০ বছর’। বিশ্বাস হচ্ছে না। মনে হয় এই তো সেদিনের কথা। ম্যাচ শেষে সমর্থকদের কাঁধে চেপে ক্লাবে ফেরা। কাস্টমসের সামনে কাদা মাঠে দু’বার আছাড়ও খেয়েছিলাম...’ কথা বলতে বলতে স্মৃতিমেদুর শ্যাম থাপা। ১৯৭৫ আইএফএ শিল্ড ফাইনালের অন্যতম নায়ক। দু-দুটো গোল তাঁর নামের পাশে। পেনাল্টি নষ্ট না করলে হ্যাটট্রিকের স্বাদও পেতেন। তবে এই নিয়ে বিন্দুমাত্র আক্ষেপ নেই শ্যাম থাপার। বলছিলেন, ‘এত বছর পরেও ওই মিস নিয়ে কথা হয়। অনেকেই আপশোস করেন, পেনাল্টিটা কাজে লাগাতে পারলে ইস্ট বেঙ্গল হাফ ডজন গোলে জিতত। আরে পাঁচই বা কম কী? সেদিন আমরা দুরন্ত খেলেছিলাম। আক্ষেপ হয়, সেই ম্যাচের কোনও ভিডিও বা ভালো ছবি নেই। তবে মনের মণিকোঠায় সবকিছু উজ্জ্বল। প্রথম গোল সুরজিতের। সুভাষের সেই ডেকে ডেকে বল বাড়ানো। আসলে ও এরকমই। বরাবরের ডাকাবুকো।’

Advertisement

লাল-হলুদ জার্সিতে কলকাতা ময়দানে হাতেখড়ি শ্যাম থাপার। ১৯৬৬ সালে ইস্ট বেঙ্গলে খেলার পরই তিনি চলে যান নেপালে। সেখানে গোরখা ব্রিগেডের হয়ে খেলার পর যোগ দেন মফতলাল মিলসে। প্রিয় লাল-হলুদে ফেরেন ১৯৭৫’এ। সেসময় ক্লাবের মেসই ছিল ঠিকানা। কখনও বাসে, আবার কখনও স্কুটারে চেপেই অনুশীলনে যাতায়াত। আর যে কোনও বড় ম্যাচের আগে পুজো দিতেন কালীঘাটে। শিল্ড ফাইনালের আগেও মায়ের মন্দিরে মাথা ঠেকিয়ে মাঠে পা রাখেন। বলছিলেন, ‘ম্যাচের ঘণ্টা খানেক আগেই মাঠে পৌঁছেছিলাম আমরা। আর জয়ের পর সমর্থকদের কাঁধে চেপেই ক্লাবে পা রেখেছিলাম। ওরাই তো ৫-০’র কারিগর। কলকাতার ফুটবল প্রেমীদের জন্যই এই শহর ছাড়তে পারিনি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ