সংবাদদাতা, করিমপুর: শীতের শুরুতেই অজানা রোগে করিমপুরের পান চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর জেরে পানের রঙ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সেই পানের বাজারদর কম হওয়ায় চাষিরা আর্থিক সমস্যায় পড়ছেন। দিনে ও রাতের আবহাওয়ার তারতম্যের জেরেই এই রোগ দেখা দিচ্ছে বলে চাষিরা মনে করছেন। চাষিরা বলেন, ১৩-১৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা নামলেও পানের কোনও ক্ষতি হয় না। এখন সেই তাপমাত্রা ১৮-২০ ডিগ্রির কাছাকাছি। ফলে ঠান্ডার কারণে কিছু হচ্ছে না। কিন্তু দিনে রোদের তাপ ও রাতে ঠান্ডার কারণে এমনটা হতে পারে। করিমপুরের পান চাষি আনন্দ মণ্ডল বলেন, শীতের মরশুমে বেশি কুয়াশার কারণে পানের রঙ হলুদ হয়ে যায়। এখন কুয়াশা না হতেই পানের পাতায় দাগ দেখা যাচ্ছে। শীতের শেষে কুয়াশা কেটে যখন রোদ দেখা দেবে, তখন সব পান বোঁটা থেকে খসে পড়বে। পানের লতা হলুদ হয়ে পচে যাবে। কয়েকবছর আগেও এই ক্ষতি হয়েছে।
Advertisement
শিকারপুরের পানচাষি নুর বক্স বলেন, এমনিতেই পান চাষের অবস্থা খুব খারাপ। আগে প্রচুর পান উৎপন্ন হতো। সেই পান মূলত বিহার, উত্তরপ্রদেশের বাজারে বিক্রি হতো। এখন এলাকায় পান চাষ অনেক কমে গিয়েছে। শীতের শেষে বরজের পান একসঙ্গে বিক্রি করে চাষিরা বিক্রির টাকা ঘরে তোলেন। কিন্তু এখন পানচাষের ক্ষতি হয়ে গেলে চাষিদের বিপদ হয়ে যাবে।
একসময় পান চাষই করিমপুর সীমান্ত এলাকায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থকরী ফসল ছিল। ১০বছর আগে এলাকায় পানচাষির সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি ছিল। করিমপুর ১ ও ২ ব্লকে পান চাষের জমির পরিমাণও প্রায় ১২০০ হেক্টর ছিল। এখন পানচাষির সংখ্যা কমেছে। এলাকায় প্রায় পাঁচশো কৃষক পুরোপুরি পানচাষের উপর নির্ভরশীল।
করিমপুর উদ্যান ও কৃষিকল্যাণ সমিতির সম্পাদক তথা পানচাষি বিশ্বনাথ বিশ্বাস বলেন, এখন পান কিনতে হাটে বাইরের পাইকাররা আসেন না। মুর্শিদাবাদের কয়েকজন ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী অল্প কিছু পান কিনছেন। পানের মান খারাপ হয়ে যাওয়ায় একসময় যে পান ১৫০টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা মাত্র ৫০টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। তার উপর প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় চাষিরা আরও সমস্যায় পড়েছেন।
একসময় পান চাষই করিমপুর সীমান্ত এলাকায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থকরী ফসল ছিল। ১০বছর আগে এলাকায় পানচাষির সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি ছিল। করিমপুর ১ ও ২ ব্লকে পান চাষের জমির পরিমাণও প্রায় ১২০০ হেক্টর ছিল। এখন পানচাষির সংখ্যা কমেছে। এলাকায় প্রায় পাঁচশো কৃষক পুরোপুরি পানচাষের উপর নির্ভরশীল।
করিমপুর উদ্যান ও কৃষিকল্যাণ সমিতির সম্পাদক তথা পানচাষি বিশ্বনাথ বিশ্বাস বলেন, এখন পান কিনতে হাটে বাইরের পাইকাররা আসেন না। মুর্শিদাবাদের কয়েকজন ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী অল্প কিছু পান কিনছেন। পানের মান খারাপ হয়ে যাওয়ায় একসময় যে পান ১৫০টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা মাত্র ৫০টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। তার উপর প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় চাষিরা আরও সমস্যায় পড়েছেন।



