সংবাদদাতা, বহরমপুর: শীতকালীন সব্জির দাম কমায় মধ্যবিত্ত পরিবারে স্বস্তি ফিরেছে। তাঁদের হেঁশেলে প্রচুর পরিমাণে সব্জি ঢুকতে শুরু করেছে। কিছুদিন আগে সেঞ্চুরি পার করা বেগুনের দাম ৬০টাকা কেজিতে নেমে এসেছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, লঙ্কা, উচ্ছে, মটরশুটি, চালকুমড়ো, ঢ্যাঁড়শ, পালংশাকের দামও অনেক নেমে এসেছে। হুহু করে বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দামও এখন কমছে। শুধুমাত্র, কাঁচা পেঁপের দাম কয়েকদিন ধরে ওঠানামা করছে।
Advertisement
সব্জি বিক্রেতারা জানালেন, বাজারে প্রচুর পরিমাণে শীতকালীন সব্জি আমদানি হচ্ছে। সব্জির আমদানি বেশি হওয়ায় দাম কমছে।
কাঁচা লঙ্কার দামের ঝাঁঝে এতদিন মধ্যবিত্ত সমস্যায় পড়েছিলেন। দু’দিন আগেও কাঁচা লঙ্কা ১০০টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বুধবার বহরমপুরে সেই লঙ্কা ৬০টাকা কেজি দামে বিক্রি হল। পাইকারি বাজারে দাম ছিল ৪০ টাকা কেজি। বেগুনের দাম কিছুদিন আগে সেঞ্চুরি ছাড়িয়েছিল। বুধবার খুচরো বাজারে বেগুন ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। পাইকারি বাজারে বেগুন ৪০ টাকা কেজি দামে বিকিয়েছে। ফুলকপির খুচরো দাম ৩৫-৪০ টাকা পিস থেকে ১৫ টাকা পিসে নেমে এসেছে। এতদিন মটরশুটির দাম ছিল ৪০০-৪৫০টাকা কেজি। বুধবারের বাজারে তার দাম একধাক্কায় ১৫০ টাকা কেজিতে নেমে এসেছে।
উচ্ছে ৬০, পালংশাক ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চালকুমড়ো ৩৫-৪০টাকায় বিক্রি হয়েছে। ঢ্যাঁড়শ, পটল, পেঁয়াজের দামও বেশ কমেছে। তবে পেঁপের দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮-৩০টাকা হয়েছে।
স্বর্ণময়ী সব্জি বাজারের বিক্রেতা দীনেশ মণ্ডল বলেন, সব্জির আমদানির উপর দাম ওঠানামা করে। শীত পড়তেই সব্জির উৎপাদন বেড়েছে। আমদানিও বেশি হচ্ছে। সব্জি বিক্রেতা গোপাল হালদার বলেন, শীতকালে রকমারি সব্জি আমদানি হয়। বহু পরিবার শীতের সব্জির দিকেই তাকিয়ে থাকে। অনেকেই এখন ব্যাগভর্তি সব্জি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
এবার ঘূর্ণিঝড় ডানা সহ তিনবার নিম্নচাপে সব্জি চাষ ব্যাহত হয়েছিল। চাষিদের দু’বার করে বেগুন চাষ করতে হয়েছে। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সব্জির আমদানি তলানিতে এসে ঠেকেছিল। সব্জি চাষি আওরংজেব মোল্লা বলেন, একবার বেগুন লাগিয়ে গাছের গোড়ায় জল জমে সব নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয়বার বেগুন চাষ করে খরচের টাকা তুলতে পেরেছি। আর কিছুদিন দাম থাকলে লাভের মুখ দেখতে শুরু করব।
কাঁচা লঙ্কার দামের ঝাঁঝে এতদিন মধ্যবিত্ত সমস্যায় পড়েছিলেন। দু’দিন আগেও কাঁচা লঙ্কা ১০০টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বুধবার বহরমপুরে সেই লঙ্কা ৬০টাকা কেজি দামে বিক্রি হল। পাইকারি বাজারে দাম ছিল ৪০ টাকা কেজি। বেগুনের দাম কিছুদিন আগে সেঞ্চুরি ছাড়িয়েছিল। বুধবার খুচরো বাজারে বেগুন ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। পাইকারি বাজারে বেগুন ৪০ টাকা কেজি দামে বিকিয়েছে। ফুলকপির খুচরো দাম ৩৫-৪০ টাকা পিস থেকে ১৫ টাকা পিসে নেমে এসেছে। এতদিন মটরশুটির দাম ছিল ৪০০-৪৫০টাকা কেজি। বুধবারের বাজারে তার দাম একধাক্কায় ১৫০ টাকা কেজিতে নেমে এসেছে।
উচ্ছে ৬০, পালংশাক ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চালকুমড়ো ৩৫-৪০টাকায় বিক্রি হয়েছে। ঢ্যাঁড়শ, পটল, পেঁয়াজের দামও বেশ কমেছে। তবে পেঁপের দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮-৩০টাকা হয়েছে।
স্বর্ণময়ী সব্জি বাজারের বিক্রেতা দীনেশ মণ্ডল বলেন, সব্জির আমদানির উপর দাম ওঠানামা করে। শীত পড়তেই সব্জির উৎপাদন বেড়েছে। আমদানিও বেশি হচ্ছে। সব্জি বিক্রেতা গোপাল হালদার বলেন, শীতকালে রকমারি সব্জি আমদানি হয়। বহু পরিবার শীতের সব্জির দিকেই তাকিয়ে থাকে। অনেকেই এখন ব্যাগভর্তি সব্জি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
এবার ঘূর্ণিঝড় ডানা সহ তিনবার নিম্নচাপে সব্জি চাষ ব্যাহত হয়েছিল। চাষিদের দু’বার করে বেগুন চাষ করতে হয়েছে। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সব্জির আমদানি তলানিতে এসে ঠেকেছিল। সব্জি চাষি আওরংজেব মোল্লা বলেন, একবার বেগুন লাগিয়ে গাছের গোড়ায় জল জমে সব নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয়বার বেগুন চাষ করে খরচের টাকা তুলতে পেরেছি। আর কিছুদিন দাম থাকলে লাভের মুখ দেখতে শুরু করব।



