নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কয়েকবছর ধরে মুর্শিদাবাদ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে গোরু পাচার বন্ধ ছিল। সম্প্রতি ফের পাচারকারীরা মাথাচাড়া দিয়েছে। শীতের রাতে জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গোরু ও মোষ পাচার শুরু করেছে তারা। মঙ্গলবার রাতে জলঙ্গির চরভদ্রা বর্ডার আউটপোস্ট এলাকায় ফের পাচার রুখে দেন বিএসএফ জওয়ানরা। ঘটনায় দু’টি মোষ উদ্ধার হয়েছে।
Advertisement
বিএসএফ জানিয়েছে, এদিন রাতে চরভদ্রা আউটপোস্টে জওয়ানরা টহল দিচ্ছিলেন। সন্ধ্যা নামার পর অন্ধকার ও কুয়াশার সুযোগ নিয়ে কয়েকজন পাচারকারী বাংলাদেশের দিকে দু’টি মোষ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। জওয়ানরা ধাওয়া করলে পাচারকারীরা মোষ রেখে গ্রামের ভিতরে পালিয়ে যায়। বিএসএফ মোষ দু’টিকে উদ্ধার করেছে। জলঙ্গি সীমান্ত এলাকায় প্রায় প্রতি রাতেই পাচারকারীরা গোরু ও মোষ পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিএসএফের এক আধিকারিক বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালান রুখতে আমরা কঠোর পদক্ষেপ করছি। এতে অপরাধীরা বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে। কোনও অবস্থাতেই আমাদের এলাকা দিয়ে আর চোরাচালান হতে দেব না। মঙ্গলবারও আমরা দু’টি মোষ উদ্ধার করেছি। সীমান্তে কড়া নজরদারি চলছে।
রাতের অন্ধকারে মাদকের পাশপাশি নতুন করে গোরু মোষ পাচারেও চোরাকারবারিরা সক্রিয় হয়েছে। পুলিসি নজর এড়িয়ে পাচারের জন্য মাঠে নামানো হচ্ছে রাখালদের। টাকার লোভে সাতপাঁচ না ভেবেই পাচারে যুক্ত হচ্ছে তারা। সোমবার রাতেও রাখাল এনে মোষ পাচারের চেষ্টা করেছিল একদল পাচারকারী। কিন্তু সাঁতার না জানায় মোষ নিয়ে শিয়ালমারি নদী পেরোনোর সময় ওয়াজেদ আলি হালসানা নামে ওই যুবকের জলে ডুবে মৃত্যু হয়। তার বাড়ি ডোমকলের কুপিলা দাসপাড়ায়। সোমবার রাতে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই ঘাটের ধারে তার দেহ দেখতে পাওয়া যায়।
এক-একটি গবাদি পশু ৫০০-১০০০ টাকার বিনিময়ে নদী পার করিয়ে দিত ওয়াজেদ। এরাজ্যের পাচারকারীদের হয়ে কাজ করত সে। সোমবার গভীর রাতে একটি মোষ পার করিয়ে দেওয়ার জন্য দুই ব্যক্তি তাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মোষকে নদী পার করাতে গিয়ে ওই যুবক নিজে আর উঠে আসতে পারেনি।
কাঁটাতারহীন খোলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে নানা কায়দায় পাচার চলছে। পাচারে ঝক্কি এড়াতে পুলিসি নজরদারি এড়িয়ে প্রথমে সীমান্তের গ্রামে গবাদি পশু আনা হচ্ছে। পরে সুযোগ বুঝে তা বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে। রাতে বিভিন্ন রাস্তা, সেতুর উপর পুলিস নাকা চেকিং করে থাকে। তাই পুলিসকে এড়াতে অনেক পাচারকারী রাস্তা কিংবা সেতুর বদলে নদী ঘাট দিয়ে গোরু মোষ নিয়ে যায়। কিছু কিছু গ্রামবাসী টাকার লোভে সেই গবাদি পশু কয়েকদিনের জন্য রেখে দিচ্ছে। তারপর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে।
বিএসএফের এক আধিকারিক বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালান রুখতে আমরা কঠোর পদক্ষেপ করছি। এতে অপরাধীরা বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে। কোনও অবস্থাতেই আমাদের এলাকা দিয়ে আর চোরাচালান হতে দেব না। মঙ্গলবারও আমরা দু’টি মোষ উদ্ধার করেছি। সীমান্তে কড়া নজরদারি চলছে।
রাতের অন্ধকারে মাদকের পাশপাশি নতুন করে গোরু মোষ পাচারেও চোরাকারবারিরা সক্রিয় হয়েছে। পুলিসি নজর এড়িয়ে পাচারের জন্য মাঠে নামানো হচ্ছে রাখালদের। টাকার লোভে সাতপাঁচ না ভেবেই পাচারে যুক্ত হচ্ছে তারা। সোমবার রাতেও রাখাল এনে মোষ পাচারের চেষ্টা করেছিল একদল পাচারকারী। কিন্তু সাঁতার না জানায় মোষ নিয়ে শিয়ালমারি নদী পেরোনোর সময় ওয়াজেদ আলি হালসানা নামে ওই যুবকের জলে ডুবে মৃত্যু হয়। তার বাড়ি ডোমকলের কুপিলা দাসপাড়ায়। সোমবার রাতে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই ঘাটের ধারে তার দেহ দেখতে পাওয়া যায়।
এক-একটি গবাদি পশু ৫০০-১০০০ টাকার বিনিময়ে নদী পার করিয়ে দিত ওয়াজেদ। এরাজ্যের পাচারকারীদের হয়ে কাজ করত সে। সোমবার গভীর রাতে একটি মোষ পার করিয়ে দেওয়ার জন্য দুই ব্যক্তি তাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মোষকে নদী পার করাতে গিয়ে ওই যুবক নিজে আর উঠে আসতে পারেনি।
কাঁটাতারহীন খোলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে নানা কায়দায় পাচার চলছে। পাচারে ঝক্কি এড়াতে পুলিসি নজরদারি এড়িয়ে প্রথমে সীমান্তের গ্রামে গবাদি পশু আনা হচ্ছে। পরে সুযোগ বুঝে তা বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে। রাতে বিভিন্ন রাস্তা, সেতুর উপর পুলিস নাকা চেকিং করে থাকে। তাই পুলিসকে এড়াতে অনেক পাচারকারী রাস্তা কিংবা সেতুর বদলে নদী ঘাট দিয়ে গোরু মোষ নিয়ে যায়। কিছু কিছু গ্রামবাসী টাকার লোভে সেই গবাদি পশু কয়েকদিনের জন্য রেখে দিচ্ছে। তারপর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে।



