সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বর্ষার মরশুম গেলেও গঙ্গা ভাঙন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না সামশেরগঞ্জবাসীর। ভরা শীতেও ভাঙনের আতঙ্ক তাড়া করছে এলাকাবাসীকে। শনিবার রাতে শিকদারপুরে আচমকাই ভাঙন শুরু হয়। আতঙ্কিত লোকজন শীতের কামড় উপেক্ষা করেই ভয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে চলে আসেন। চোখের সামনেই নদীর পাড় ভাঙতে দেখেন। সেই দৃশ্য দেখে আর দু’চোখের পাতা আর এক করতে সাহস করেননি এলাকাবাসী। নদী পাহারা দিতে রাত জাগলেন তাঁরা। ঘণ্টাখানেক ধরে ভাঙন চলে বলে এলাকাবাসীর দাবি। ভাঙনে কয়েক মিটার জমি তলিয়ে গিয়েছে বলে এলাকাবাসীর দাবি। ভাঙন এলাকা থেকে কিছুটা দূরে রয়েছে জনবসতি। তাঁরা জানিয়েছেন, নদীতে জল কম রয়েছে, এই সময়ে ভাঙন রোধের কাজ করলে ভালো হয়। ভাঙন রোধের কাজ শুরু না হলে, আগামী বর্ষায় ফের ভাঙনের কবলে পড়তে হবে এলাকাবাসীকে। সেচদপ্তরের আধিকারিকদের অনুমান, গঙ্গায় জল কমতে শুরু করায় আশপাশের এলাকায় টান ধরেছে। সেজন্যই ভাঙন দেখা দিয়েছে।
Advertisement
সামশেরগঞ্জের বিডিও সুজিতচন্দ্র লোধ বলেন, প্রায় মাস ছ’য়েক ধরেই কমবেশি ভাঙন চলছে। শীতের মরশুমে সাধারণত ভাঙন হয় না। জলস্তর কমে আসার কারণে টানে কিছু এলাকায় ভাঙন হয়েছে। এবিষয়ে এলাকাবাসীদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল।
বর্ষার মরশুমে প্রায় তিন মাস ধরে লাগাতার ভাঙনের কবলে বিধ্বস্ত সামশেরগঞ্জের শিকদারপুর, নতুন শিবপুর, প্রতাপগঞ্জ ও মহেশটোলা। আবার শীতের মরশুমে শুরু হতেই নদীতে জল স্তর কমতে শুরু করে। তারপর থেকে ওই এলাকায় তেমনভাবে আর ভাঙন হয়নি। ফলে কিছুটা স্বস্তিতে ছিলেন এলাকাবাসী। কিন্তু এলাকাবাসীর অস্বস্তি বাড়িয়ে প্রায় প্রতিমাসে কোনও না কোনও এলাকায় কমবেশি ভাঙন চলছেই। শনিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ভাঙন শুরু হয়। নদীর পাড় থেকে বড়ো বড়ো চাঙড় নদীর জলে পড়তে থাকে। অন্ধকার থাকায় আতঙ্কিত লোকজন টর্চ হাতে বেরিয়ে আসেন। অনেকেই মোবাইলের টর্চের আলো জ্বেলে নদীর পাড়ে যান। তারপর নদীপাড়ে গিয়ে পাহারা দেন। বর্ষার মরশুমে শিকদারপুর ভাঙনের কবলে পড়ায় নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকেই ঘরের জিনিসপত্র আগেই সরিয়ে নিয়েছেন।
মাস দু’য়েক আগে এই এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন শুরু হলে একাধিক কাঁচা ও পাকা বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। আশপাশের প্রায় শতাধিক পরিবার আতঙ্কে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। বেশ কয়েকটি পরিবার স্থানীয় অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ শেখ বলেন, রাতে আচমকাই ভাঙন শুরু হয়। চিৎকারে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। বেশকিছুটা এলাকা নিমেষেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত মানুষ জেগে নদী পাহারা দেয়।
বর্ষার মরশুমে প্রায় তিন মাস ধরে লাগাতার ভাঙনের কবলে বিধ্বস্ত সামশেরগঞ্জের শিকদারপুর, নতুন শিবপুর, প্রতাপগঞ্জ ও মহেশটোলা। আবার শীতের মরশুমে শুরু হতেই নদীতে জল স্তর কমতে শুরু করে। তারপর থেকে ওই এলাকায় তেমনভাবে আর ভাঙন হয়নি। ফলে কিছুটা স্বস্তিতে ছিলেন এলাকাবাসী। কিন্তু এলাকাবাসীর অস্বস্তি বাড়িয়ে প্রায় প্রতিমাসে কোনও না কোনও এলাকায় কমবেশি ভাঙন চলছেই। শনিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ভাঙন শুরু হয়। নদীর পাড় থেকে বড়ো বড়ো চাঙড় নদীর জলে পড়তে থাকে। অন্ধকার থাকায় আতঙ্কিত লোকজন টর্চ হাতে বেরিয়ে আসেন। অনেকেই মোবাইলের টর্চের আলো জ্বেলে নদীর পাড়ে যান। তারপর নদীপাড়ে গিয়ে পাহারা দেন। বর্ষার মরশুমে শিকদারপুর ভাঙনের কবলে পড়ায় নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকেই ঘরের জিনিসপত্র আগেই সরিয়ে নিয়েছেন।
মাস দু’য়েক আগে এই এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন শুরু হলে একাধিক কাঁচা ও পাকা বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। আশপাশের প্রায় শতাধিক পরিবার আতঙ্কে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। বেশ কয়েকটি পরিবার স্থানীয় অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ শেখ বলেন, রাতে আচমকাই ভাঙন শুরু হয়। চিৎকারে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। বেশকিছুটা এলাকা নিমেষেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত মানুষ জেগে নদী পাহারা দেয়।



