নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: শীতেও মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গুর চোখরাঙানি অব্যাহত। রাজ্যের মধ্যে আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে এই জেলা। এখনও দৈনিক কুড়িজনের বেশি ডেঙ্গু আক্রান্তের হদিশ মিলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মুর্শিদাবাদ জেলায় নতুন করে ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে চিন্তা বেড়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তাদের। জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬২৮।
Advertisement
শীতেই ডেঙ্গুর মশা জব্দ হয় এবং আক্রান্তের সংখ্যা কমে বলে আশায় ছিলেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা। কিন্তু ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেও লাগাতার আক্রান্তের হদিশ মিলছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। গত দু’দিনে মেডিক্যালে নতুন করে ছয়জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি মহকুমা হাসপাতালগুলিতেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা চলছে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে আটজন, ডোমকল মহকুমা হাসপাতালে সাতজন, জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে সাতজন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন।
তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর মুর্শিদাবাদ জেলার সার্বিক পরিস্থিতি ভালো বলে দাবি স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তাদের। গতবছর এমন সময় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছিল। এবার সেখানে সার্বিকভাবে আক্রান্ত অনেকটাই কম।
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) সন্দীপ সান্যাল বলেন, এখন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একজন রোগীর অবস্থা একটু আশঙ্কাজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। আগের থেকে পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক হয়েছে। মহকুমা ও ব্লক হাসপাতালগুলিতে যে সমস্ত রোগী আসছেন, আমরা তাঁদের দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছি।
চলতি বছরে দুর্গাপুজোর সময় ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। সে সময় প্রতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৬৩। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ১৫০ থেকে ১৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।
মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর আত্মীয় ইসরাফিল গাজি বলেন, তিন দিন হল আমার বাবা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মেডিক্যালে ভর্তি আছেন। যখন ভর্তি করেছিলাম অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের ট্রিটমেন্টে এখন কিছুটা সুস্থ হয়েছেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর কয়েকদিন স্থায়ী হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। তা না হলে ডেঙ্গুর চিকিৎসা বেশি দেরিতে শুরু করলেই বিপদ বাড়বে। এই সময় মশারি টাঙিয়ে শোয়া বাধ্যতামূলক। ভালো শীত না পড়লে ডেঙ্গুর মশা কমবে বলে মনে হয় না। সুতরাং আরও সপ্তাহখানেক খুব সতর্ক থাকতে হবে সাধারণ মানুষকে। তবে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন। মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি সচেতনতায় জোর দিতে হবে বলে স্বাস্থ্যকর্তাদের দাবি। ব্লকের এক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, বাড়ির সামনে বা আশপাশে যেন ময়লা না জমে, সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। কোনও পাত্রে জল থাকলেও বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। পঞ্চায়েত ও পুরসভার তরফে পৃথক ব্যবস্থা নিয়ে সর্বত্র মশা নিধনের কাজ চলছে।
তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর মুর্শিদাবাদ জেলার সার্বিক পরিস্থিতি ভালো বলে দাবি স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তাদের। গতবছর এমন সময় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছিল। এবার সেখানে সার্বিকভাবে আক্রান্ত অনেকটাই কম।
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) সন্দীপ সান্যাল বলেন, এখন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একজন রোগীর অবস্থা একটু আশঙ্কাজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। আগের থেকে পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক হয়েছে। মহকুমা ও ব্লক হাসপাতালগুলিতে যে সমস্ত রোগী আসছেন, আমরা তাঁদের দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছি।
চলতি বছরে দুর্গাপুজোর সময় ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। সে সময় প্রতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৬৩। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ১৫০ থেকে ১৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।
মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর আত্মীয় ইসরাফিল গাজি বলেন, তিন দিন হল আমার বাবা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মেডিক্যালে ভর্তি আছেন। যখন ভর্তি করেছিলাম অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের ট্রিটমেন্টে এখন কিছুটা সুস্থ হয়েছেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর কয়েকদিন স্থায়ী হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। তা না হলে ডেঙ্গুর চিকিৎসা বেশি দেরিতে শুরু করলেই বিপদ বাড়বে। এই সময় মশারি টাঙিয়ে শোয়া বাধ্যতামূলক। ভালো শীত না পড়লে ডেঙ্গুর মশা কমবে বলে মনে হয় না। সুতরাং আরও সপ্তাহখানেক খুব সতর্ক থাকতে হবে সাধারণ মানুষকে। তবে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন। মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি সচেতনতায় জোর দিতে হবে বলে স্বাস্থ্যকর্তাদের দাবি। ব্লকের এক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, বাড়ির সামনে বা আশপাশে যেন ময়লা না জমে, সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। কোনও পাত্রে জল থাকলেও বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। পঞ্চায়েত ও পুরসভার তরফে পৃথক ব্যবস্থা নিয়ে সর্বত্র মশা নিধনের কাজ চলছে।



