সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: শীতের মরশুমে ১০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে কচি ডাব। গ্রীষ্মে তপ্তদিনে ডাবের চাহিদা থাকে। ফলে দামও বেশি হয়। কিন্তু শীতের মরশুমে ডাবের এত দাম শুনে কপালে চোখ ওঠার জোগাড় সবার। নারকেল গাছের সংখ্যা দিনদিন কমে আসছে। ফলের বাজারে ডাবের জোগান অনেক কমেছে। স্বাভাবিকভাবেই দাম বাড়ছে ডাবের। তাছাড়া হরেক রকমের কৃত্রিম ঠান্ডা পানীয়তে ছেয়ে গিয়েছে বাজার। দাম বেড়ে যাওয়া ডাব ছেড়ে ঠান্ডা পানীয়ের প্রতি ঝুঁকছে মানুষ। তবে দাম বাড়লেও ডাবের জলের বিকল্প হয় না বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
Advertisement
জঙ্গিপুর মহকুমা সহ উদ্যান পালন আধিকারিক সুপর্ণা চক্রবর্তী বলেন, জেলায় নারকেল গাছের চাষ হয় না। তার উপর সামান্য যে ক’টি গাছ রয়েছে সেগুলোর পরিচর্যা হয় না। আম, লিচু, কাঁঠালের মতোই নারকেল গাছের খাবারের প্রয়োজন হয়। সঠিকভাবে পরিচর্যার অভাবে গাছে ফলন কম হয়। এবার আমাদের দপ্তর থেকে প্রচুর নারকেল চারা বিতরণ করা হয়েছে, সামনের বছর আরও দ্বিগুণ সংখ্যায় বিতরণ করা হবে।
জঙ্গিপুরে তথা রঘুনাথগঞ্জের ফলের বাজার ও দোকানগুলিতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডাব। ছোটো সাইজের ডাবের দামই ৭০ টাকা পিস। মাঝারি সাইজের ডাবের দাম ৯০ টাকা। বড় ডাব ১০০ টাকা। বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, গ্রীষ্মকালে ডাব বিক্রি হলেও শীতকালে ডাবের খদ্দের খুবই কম। শ’খানেক ডাব বিক্রি করতেই দু’সপ্তাহ লেগে যায়। তাছাড়া আগের মতো ডাব আর পাওয়া যাচ্ছে না। নারকেল গাছের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। গাছে ফলনও কম হচ্ছে। স্বভাবতই বাজারে যে সামান্য ক’টি ডাব আসছে তা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
রঘুনাথগঞ্জের ধনপতনগরের দুর্যোধন মণ্ডল কয়েকবছর ধরে ডাবের ব্যবসা করেন। তিনি বলেন, আশপাশের এলাকায় তেমন ডাব মিলছে না। অল্প পরিমাণে যে কয়েকটি গাছ রয়েছে তাতেও ফল কম আসছে। ফলে বেশি দাম দিয়ে গাছ কিনতে হচ্ছে। ৩৫-৪০ টাকা দাম পড়ছে। তার সঙ্গে লেবার ও ক্যারিং কস্ট রয়েছে। পাইকারি ৭০ টাকা করে না হলে আমাদের লাভ থাকে না। রঘুনাথগঞ্জের ফলের দোকানের মালিক মিলু শেখ, লালবাবু শেখ ও স্বপন দাস বলেন, ডাবের আমদানি কম, গাছপালা ও তেমন কেউ লাগাচ্ছে না। শীতকাল হলেও ডাবের একটা আলাদা চাহিদা বরাবরই রয়েছেই। সুস্বাস্থ্যের প্রয়োজনে, এমনকী রোগীর পথ্য হিসেবে ও পুজো পার্বণে ডাব অপরিহার্য। উদ্যানপালন আধিকারিক আরও বলেন, বছরে অন্তত দু’বার নারকেল গাছের খাবার দিতে হয়। খাবার না দিলে ফলন কম হয়, সাইজও ছোট হয়ে যায়। অন্য ফলের গাছের মতোই নারকেল গাছের পরিচর্যা অপরিহার্য।
জঙ্গিপুরে তথা রঘুনাথগঞ্জের ফলের বাজার ও দোকানগুলিতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডাব। ছোটো সাইজের ডাবের দামই ৭০ টাকা পিস। মাঝারি সাইজের ডাবের দাম ৯০ টাকা। বড় ডাব ১০০ টাকা। বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, গ্রীষ্মকালে ডাব বিক্রি হলেও শীতকালে ডাবের খদ্দের খুবই কম। শ’খানেক ডাব বিক্রি করতেই দু’সপ্তাহ লেগে যায়। তাছাড়া আগের মতো ডাব আর পাওয়া যাচ্ছে না। নারকেল গাছের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। গাছে ফলনও কম হচ্ছে। স্বভাবতই বাজারে যে সামান্য ক’টি ডাব আসছে তা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
রঘুনাথগঞ্জের ধনপতনগরের দুর্যোধন মণ্ডল কয়েকবছর ধরে ডাবের ব্যবসা করেন। তিনি বলেন, আশপাশের এলাকায় তেমন ডাব মিলছে না। অল্প পরিমাণে যে কয়েকটি গাছ রয়েছে তাতেও ফল কম আসছে। ফলে বেশি দাম দিয়ে গাছ কিনতে হচ্ছে। ৩৫-৪০ টাকা দাম পড়ছে। তার সঙ্গে লেবার ও ক্যারিং কস্ট রয়েছে। পাইকারি ৭০ টাকা করে না হলে আমাদের লাভ থাকে না। রঘুনাথগঞ্জের ফলের দোকানের মালিক মিলু শেখ, লালবাবু শেখ ও স্বপন দাস বলেন, ডাবের আমদানি কম, গাছপালা ও তেমন কেউ লাগাচ্ছে না। শীতকাল হলেও ডাবের একটা আলাদা চাহিদা বরাবরই রয়েছেই। সুস্বাস্থ্যের প্রয়োজনে, এমনকী রোগীর পথ্য হিসেবে ও পুজো পার্বণে ডাব অপরিহার্য। উদ্যানপালন আধিকারিক আরও বলেন, বছরে অন্তত দু’বার নারকেল গাছের খাবার দিতে হয়। খাবার না দিলে ফলন কম হয়, সাইজও ছোট হয়ে যায়। অন্য ফলের গাছের মতোই নারকেল গাছের পরিচর্যা অপরিহার্য।



