সংবাদদাতা, কাঁথি: এগরা-২ ব্লকের বালিঘাই এলাকায় সরকারি শুঁটকি মাছের বাজারের জরাজীর্ণ শেড থেকে চাঙড় খসে পড়ছে। ইতিমধ্যে একাধিক ব্যবসায়ী চাঙড় ভেঙে পড়ে চোট পেয়েছেন। প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই সেখানে বেচাকেনা চলছে। ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন।
Advertisement
জেলা সহ মৎস্য-অধিকর্তা(সাধারণ) সৌরেন্দ্রনাথ জানা বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। ব্যবসায়ী সমিতির তরফে দপ্তরে আবেদন জানানো হলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বালিঘাইতে কাঁথি-বেলদা সড়কের ঠিক পাশেই শুঁটকি মাছের বড় বাজারটি রয়েছে। প্রায় দু’দশক আগে মৎস্য দপ্তরের বরাদ্দে এখানে ওপেন শেড তৈরি হয়েছিল। প্রতি সপ্তাহে এই বাজারে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয়। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি অসম, ত্রিপুরা সহ নানা জায়গা থেকে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা এখানে আসেন। প্রতি সপ্তাহে বাজারে হাজারেরও বেশি মানুষ আসেন। মূলত শুক্রবার থেকে রবিবার অবধি বাজার চত্বর জমজমাট থাকে। অনেককেই এই শেডের নীচে রাত কাটাতে হয়। কিন্তু শেডটি জরাজীর্ণ হওয়ায় যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।হাতে প্লাস্টার নিয়ে কথা বলছিলেন ব্যবসায়ী ভবানন্দ বর। তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন আগে এই শেডের নীচে কাজ করার সময় চাঙড় খসে পড়ে হাতটাই ভেঙে গেল। ভাঙা হাতেই ব্যবসা করছি। অপর ব্যবসায়ী ব্যোমকেশ জানা বলেন, গত শুক্রবার শেডের নীচে দাঁড়িয়েছিলাম। কোনওভাবে হাঁটুর উপর একটি চাঙড় পড়ে। ভালোই চোট পেয়েছি। দিনের পর দিন শেডটার দশা আরও খারাপ হচ্ছে। অথচ মেরামতের কোনও উদ্যোগ নেই। বালিঘাই শুকনো মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক প্রভাত মণ্ডল বলেন, এই বাজার জেলা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির অধীনে রয়েছে। প্রচুর মানুষের আনাগোনা হয়। কিন্তু এখানে পরিকাঠামো বেহাল থাকায় মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। অবিলম্বে কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শেডের পাশাপাশি আরও যে ৫২টি স্টল রয়েছে, সেগুলির অবস্থাও ভালো নয়। শুকনো মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জানে আলম মল্লিক বলেন, এই শেডটি ভেঙে নতুন করে তৈরি করা দরকার। মৎস্যদপ্তর ও নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির কাছে দফায় দফায় আবেদন করা হয়েছে। এর আগে তাদের প্রতিনিধিরা পরিদর্শনও করেছেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এভাবেই বছরের পর বছর কেটে যাচ্ছে। জেলা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির সেক্রেটারি দেবনাথ মণ্ডল বলেন, ওই শেডের সত্যিই খুব খারাপ অবস্থা। সেটি সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বালিঘাইতে কাঁথি-বেলদা সড়কের ঠিক পাশেই শুঁটকি মাছের বড় বাজারটি রয়েছে। প্রায় দু’দশক আগে মৎস্য দপ্তরের বরাদ্দে এখানে ওপেন শেড তৈরি হয়েছিল। প্রতি সপ্তাহে এই বাজারে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয়। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি অসম, ত্রিপুরা সহ নানা জায়গা থেকে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা এখানে আসেন। প্রতি সপ্তাহে বাজারে হাজারেরও বেশি মানুষ আসেন। মূলত শুক্রবার থেকে রবিবার অবধি বাজার চত্বর জমজমাট থাকে। অনেককেই এই শেডের নীচে রাত কাটাতে হয়। কিন্তু শেডটি জরাজীর্ণ হওয়ায় যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।হাতে প্লাস্টার নিয়ে কথা বলছিলেন ব্যবসায়ী ভবানন্দ বর। তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন আগে এই শেডের নীচে কাজ করার সময় চাঙড় খসে পড়ে হাতটাই ভেঙে গেল। ভাঙা হাতেই ব্যবসা করছি। অপর ব্যবসায়ী ব্যোমকেশ জানা বলেন, গত শুক্রবার শেডের নীচে দাঁড়িয়েছিলাম। কোনওভাবে হাঁটুর উপর একটি চাঙড় পড়ে। ভালোই চোট পেয়েছি। দিনের পর দিন শেডটার দশা আরও খারাপ হচ্ছে। অথচ মেরামতের কোনও উদ্যোগ নেই। বালিঘাই শুকনো মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক প্রভাত মণ্ডল বলেন, এই বাজার জেলা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির অধীনে রয়েছে। প্রচুর মানুষের আনাগোনা হয়। কিন্তু এখানে পরিকাঠামো বেহাল থাকায় মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। অবিলম্বে কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শেডের পাশাপাশি আরও যে ৫২টি স্টল রয়েছে, সেগুলির অবস্থাও ভালো নয়। শুকনো মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জানে আলম মল্লিক বলেন, এই শেডটি ভেঙে নতুন করে তৈরি করা দরকার। মৎস্যদপ্তর ও নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির কাছে দফায় দফায় আবেদন করা হয়েছে। এর আগে তাদের প্রতিনিধিরা পরিদর্শনও করেছেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এভাবেই বছরের পর বছর কেটে যাচ্ছে। জেলা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির সেক্রেটারি দেবনাথ মণ্ডল বলেন, ওই শেডের সত্যিই খুব খারাপ অবস্থা। সেটি সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।



