সংবাদদাতা, সিউড়ি: বীরভূমের দুবরাজপুরে শতাধিক বছরের প্রাচীন শ্মশানকালী মন্দির সংস্কারের উদ্যোগ নিল দুবরাজপুর পুরসভা। এর জন্য প্রাথমিকভাবে ১৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, আগামী দিনে আরও কিছু টাকা বরাদ্দ করা হবে।
Advertisement
শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে বহু প্রাচীন একটি শ্মশান আছে। সেই শ্মশানের কাছে একটি কালীমন্দির রয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, জনৈক ভাস্কর পণ্ডিত এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মন্দির প্রতিষ্ঠার সময় এই এলাকায় জনবসতি প্রায় ছিল না বললেই চলে। কিন্তু বর্তমানে শ্মশান ও মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বিপুল জনবসতি গড়ে উঠেছে। তাই এই শ্মশানে এখন আর সৎকার হয় না। কিন্তু কালীপুজোর রাতে এই শ্মশানকালী মন্দিরে প্রাচীন প্রথা মেনেই পুজোর আয়োজন করা হয়। কালীপুজোর রাতে অন্ধকার মন্দিরে কাঁটার আসনে বসে মায়ের পুজো করার রীতি। পুজোর দিন হাজার হাজার মানুষ সেখানে ভিড় জমান। সারা বছরই এই মন্দিরে ভক্ত সমাগম হয়। কালীপুজোর পর থেকে এক বছর মায়ের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় না। পরের বছর দুর্গাপুজোর একাদশীর দিন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। তারপর ফের প্রতিমা গড়ে কালীপুজোর রাতে মায়ের পুজো অনুষ্ঠিত হয়।
দুবরাজপুর পুরসভার দাবি, শতাধিক বছরের প্রাচীন এই মন্দিরের বাইরের অংশ রং করে কিছুটা সংস্কারের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরটি ধীরে ধীরে নষ্ট হওয়ার পথে। তাই পুরসভার পক্ষ থেকে মন্দিরের পরিকাঠামো আমূল সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মন্দিরের বর্তমানে কোনও চূড়া নেই। সংস্কারের পর মন্দিরটিকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে। পাশাপাশি মন্দির প্রাঙ্গণেও বেশকিছু উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে।
পুরসভার এই উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দারাও খুশি। তাঁদের দাবি, মন্দিরটির উন্নয়ন হলে এটি দুবরাজপুরের পাহাড়েশ্বর পর্যটন কেন্দ্রের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান পীযূষ পাণ্ডে বলেন, এই শ্মশানকালী মন্দিরটি শতাধিক বছরের পুরনো। এক সাধক পণ্ডিত মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কালীপুজোর সময় হাজার হাজার মানুষ এই পুজোয় অংশ নেন। মানুষের ভিড়ে মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। কিন্তু মন্দিরটি ধীরে ধীরে ভগ্ন দশায় পরিণত হচ্ছে। তাই পুরসভার উদ্যোগে এই মন্দির সংস্কার করা হবে। ইতিমধ্যেই এর জন্য টেন্ডার হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে।
দুবরাজপুর পুরসভার দাবি, শতাধিক বছরের প্রাচীন এই মন্দিরের বাইরের অংশ রং করে কিছুটা সংস্কারের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরটি ধীরে ধীরে নষ্ট হওয়ার পথে। তাই পুরসভার পক্ষ থেকে মন্দিরের পরিকাঠামো আমূল সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মন্দিরের বর্তমানে কোনও চূড়া নেই। সংস্কারের পর মন্দিরটিকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে। পাশাপাশি মন্দির প্রাঙ্গণেও বেশকিছু উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে।
পুরসভার এই উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দারাও খুশি। তাঁদের দাবি, মন্দিরটির উন্নয়ন হলে এটি দুবরাজপুরের পাহাড়েশ্বর পর্যটন কেন্দ্রের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান পীযূষ পাণ্ডে বলেন, এই শ্মশানকালী মন্দিরটি শতাধিক বছরের পুরনো। এক সাধক পণ্ডিত মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কালীপুজোর সময় হাজার হাজার মানুষ এই পুজোয় অংশ নেন। মানুষের ভিড়ে মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। কিন্তু মন্দিরটি ধীরে ধীরে ভগ্ন দশায় পরিণত হচ্ছে। তাই পুরসভার উদ্যোগে এই মন্দির সংস্কার করা হবে। ইতিমধ্যেই এর জন্য টেন্ডার হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে।



