সংবাদদাতা, কান্দি: শীত পড়তেই কপাল খুলেছে ভরতপুরের আলকাপ দলগুলির। এবারের শীতে গ্রামীণ এই লোক আঙ্গিকের মাধ্যমে রাতভর দর্শকদের আনন্দ দিতে তৈরি হচ্ছেন তাঁরা। নবান্ন উৎসবে বিভিন্ন গ্রামে আলকাপ করার বরাতও পেয়েছেন তাঁরা। নতুন পালার রচনাও করা হচ্ছে।
Advertisement
যদিও আলকাপের কোনও লিখিত রচনা থাকে না। তাৎক্ষনিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে রাতভর চলে এই লোকনাট্য। তবে সম্প্রতি শিল্পীরা মোটামুটি দুই থেকে তিন পাতার সংক্ষিপ্ত পালাগান তৈরি করে তা শুরু করেন। পরে ওই লোকনাট্য কোন দিকে মোড় নেবে তা শিল্পীদের ক্ষেত্রেও বলা শক্ত হয়ে পড়ে। তবুও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির মাধ্যমে শিল্পীরা দুই তিনপাতার রচনা তৈরি করে পালা গান শুরু করেন। ভরতপুরের পলিশা গ্রামের শিল্পী রাসেদ আলি বলেন, নতুন পালা ও গান দুটোই রচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির উপর। যেমন বিশ্বযুদ্ব শুরু হলে গ্রামের মানুষ কিভাবে আত্মরক্ষা করবেন। বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ছেলে মেয়েদের বিয়ে কেমনভাবে হবে। আবার যুদ্ধের সময় চাকরিজীবী চা চাষির ছেলের কদর বাড়বে এসব বিষয় নিয়ে আলকাপের মহড়া চলছে। আবার সম্প্রীতির উপরও গান রচনা করা হচ্ছে।
শিল্পীরা জানিয়েছেন, টানা কয়েকমাস ধরে কোনও বরাত না মেলায় শিল্পীদের কার্যত বাড়িতে বসে থাকতে হয়েছিল। তবে শীত পড়তেই স্থানীয় গ্রামগুলির নবান্নের অনুষ্ঠানে বরাত পেতে শুরু করেছেন তাঁরা। স্থানীয় ভোলতা গ্রামের বাসিন্দা পবন মণ্ডল বলেন, প্রতিবছর নবান্ন উৎসবে আমাদের গ্রামে আলকাপ হয়ে থাকে। এবছরও অধীর মণ্ডলের আলকাপের দল আসছে।
একইভাবে স্থানীয় সালু, দত্তবরুটিয়া, গোপালনগর, মালতিপাড়া, গুন্দোরিয়া ইত্যাদি গ্রামগুলিতে এবছর নবান্নে আলকাপ হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ভরতপুরের করাইল গ্রামের প্রবীন আলকাপ লিডার জলিল শেখ বলেন, গরমের সময় আলকাপ খুব একটা হয় না। তবে শীত পড়তেই আমাদের কদর বেড়ে যায়। এবছর নবান্ন উৎসবে বিভিন্ন গ্রামে বরাত পাওয়া গিয়েছে। এমনকি বর্ধমান জেলাতেও কয়েকটি অনুষ্ঠান করতে যেতে হবে। প্রায় একই বক্তব্য অন্যান্য আলকাপ শিল্পীদের।
প্রসঙ্গত, ভরতপুর ১ ব্লক এলাকায় প্রায় ২০টি আলকাপ দল রয়েছে। যার অধিকাংশ দল এবারের নবান্নে অনুষ্ঠানের বরাত পেয়েছে। ভরতপুরের প্রবীন আলকাপ শিল্পী লালন পুরস্কার প্রাপ্ত আব্দুল হাসিব বলেন, আলকাপ হল শীতের লোকনাট্য ও পালাগান। শীতের সময় মাঠে ঘাটে এই গান করা হত একটা সময়। তবে পালাগানের কথাবার্তায় অশ্লীলতা বর্জন করার পর এখন গ্রামের ভিতরেও করা হয়। স্বাভাবিক ভাবে বছরের অন্যান্য সময় এই গানের তেমন চল না থাকলেও শীতের সময় মানুষ উপভোগ করেন। যার ব্যতিক্রম হচ্ছে না এবছরও।
শিল্পীরা জানিয়েছেন, টানা কয়েকমাস ধরে কোনও বরাত না মেলায় শিল্পীদের কার্যত বাড়িতে বসে থাকতে হয়েছিল। তবে শীত পড়তেই স্থানীয় গ্রামগুলির নবান্নের অনুষ্ঠানে বরাত পেতে শুরু করেছেন তাঁরা। স্থানীয় ভোলতা গ্রামের বাসিন্দা পবন মণ্ডল বলেন, প্রতিবছর নবান্ন উৎসবে আমাদের গ্রামে আলকাপ হয়ে থাকে। এবছরও অধীর মণ্ডলের আলকাপের দল আসছে।
একইভাবে স্থানীয় সালু, দত্তবরুটিয়া, গোপালনগর, মালতিপাড়া, গুন্দোরিয়া ইত্যাদি গ্রামগুলিতে এবছর নবান্নে আলকাপ হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ভরতপুরের করাইল গ্রামের প্রবীন আলকাপ লিডার জলিল শেখ বলেন, গরমের সময় আলকাপ খুব একটা হয় না। তবে শীত পড়তেই আমাদের কদর বেড়ে যায়। এবছর নবান্ন উৎসবে বিভিন্ন গ্রামে বরাত পাওয়া গিয়েছে। এমনকি বর্ধমান জেলাতেও কয়েকটি অনুষ্ঠান করতে যেতে হবে। প্রায় একই বক্তব্য অন্যান্য আলকাপ শিল্পীদের।
প্রসঙ্গত, ভরতপুর ১ ব্লক এলাকায় প্রায় ২০টি আলকাপ দল রয়েছে। যার অধিকাংশ দল এবারের নবান্নে অনুষ্ঠানের বরাত পেয়েছে। ভরতপুরের প্রবীন আলকাপ শিল্পী লালন পুরস্কার প্রাপ্ত আব্দুল হাসিব বলেন, আলকাপ হল শীতের লোকনাট্য ও পালাগান। শীতের সময় মাঠে ঘাটে এই গান করা হত একটা সময়। তবে পালাগানের কথাবার্তায় অশ্লীলতা বর্জন করার পর এখন গ্রামের ভিতরেও করা হয়। স্বাভাবিক ভাবে বছরের অন্যান্য সময় এই গানের তেমন চল না থাকলেও শীতের সময় মানুষ উপভোগ করেন। যার ব্যতিক্রম হচ্ছে না এবছরও।



