সংবাদদাতা, কালনা: শীত পড়তেই কালনা শহরে হাজির ভিনরাজ্যের কাশ্মীরি শাল বিক্রেতা। ১২বছর ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর থেকে মহম্মদ ইউনুস খান কালনা শহরে শাল বিক্রি করতে আসছেন। পাঁচমাস বেচাকেনা করে তিনি কাশ্মীরে ফিরে যান।
Advertisement
নভেম্বর মাস পড়তেই সুদূর কাশ্মীর থেকে কালনা শহরে হাজির হয়েছেন শীতপোশাক ও শাল বিক্রেতা মহম্মদ ইউনুস খান। শহরের ভাদুড়িপাড়ায় দোকানঘর ভাড়া নিয়ে রকমারি কাশ্মীরি শাল, সোয়েটার বিক্রি শুরু করেছেন তিনি। ১২বছর ধরে এশহরে আসছেন। বিক্রিবাট্টা বেশ ভালোই হয়। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের তাঁতশিল্পের মতো কাশ্মীরে শাল তৈরি একটা বড় কুটিরশিল্প।
বহু মানুষ শাল, সোয়েটার সহ শীতের পোশাক তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। শালশিল্পীরা মাসে ভালোই রোজগার করেন। যেহেতু কাশ্মীরে ১২মাসই ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে, তাই সেখানে শীতবস্ত্রের চাহিদা সবসময় থাকে। শীতের মরশুমে দেশের অন্য রাজ্যে কাশ্মীরি বিক্রেতারা শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হন। তিনি ১২বছর ধরে বাংলায় আসছেন। বাংলা ভাষাও বেশ রপ্ত করে ফেলেছেন।
তিনি বলেন, আগের তুলনায় শালের কদর কমেছে। বিক্রি অনেকটাই কমে গিয়েছে। প্রবীণরাই শালের বড় ক্রেতা।
এদিন ইউনুসের দোকানে এক প্রৌঢ় দম্পতিকে শাল কিনতে দেখা গেল। সামনেই তাঁদের মেয়ের বিয়ে। তাই বেয়াই-বেয়ানের জন্য শাল কিনতে এসেছেন। এর আগে নিজেদের জন্যও এখান থেকে শাল কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাই ফের এই দোকানে এসেছেন।
ইউনুস খান বলেন, আমার মতো অনেকেই আসানসোল, দুর্গাপুর, বর্ধমান শহরে দোকান করেছেন। পাঁচ-ছ’মাস পরিবার থেকে দূরে থাকতে কষ্ট হয়। তবে কালনা আমার পছন্দের শহর।
বহু মানুষ শাল, সোয়েটার সহ শীতের পোশাক তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। শালশিল্পীরা মাসে ভালোই রোজগার করেন। যেহেতু কাশ্মীরে ১২মাসই ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে, তাই সেখানে শীতবস্ত্রের চাহিদা সবসময় থাকে। শীতের মরশুমে দেশের অন্য রাজ্যে কাশ্মীরি বিক্রেতারা শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হন। তিনি ১২বছর ধরে বাংলায় আসছেন। বাংলা ভাষাও বেশ রপ্ত করে ফেলেছেন।
তিনি বলেন, আগের তুলনায় শালের কদর কমেছে। বিক্রি অনেকটাই কমে গিয়েছে। প্রবীণরাই শালের বড় ক্রেতা।
এদিন ইউনুসের দোকানে এক প্রৌঢ় দম্পতিকে শাল কিনতে দেখা গেল। সামনেই তাঁদের মেয়ের বিয়ে। তাই বেয়াই-বেয়ানের জন্য শাল কিনতে এসেছেন। এর আগে নিজেদের জন্যও এখান থেকে শাল কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাই ফের এই দোকানে এসেছেন।
ইউনুস খান বলেন, আমার মতো অনেকেই আসানসোল, দুর্গাপুর, বর্ধমান শহরে দোকান করেছেন। পাঁচ-ছ’মাস পরিবার থেকে দূরে থাকতে কষ্ট হয়। তবে কালনা আমার পছন্দের শহর।



