সংবাদদাতা, কান্দি: শীত পড়তেই বাজারে নলেন গুড়ের ছড়াছড়ি। বিভিন্ন দরের নলেন গুড়ের পাটালিও দোকানগুলিতে সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, সেই নলেন গুড়ের স্বাদ আর নেই। অনেকে আবার ভেজাল গুড়ে বাজার ছেয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করছেন। তবে সব মিলিয়ে শীতের আমেজের সঙ্গে নলেন গুড়ের ঘ্রাণে মেতে উঠেছেন কান্দি মহকুমা এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
এলাকার মিষ্টির দোকানগুলিতে প্রায় দুই সপ্তাহ হল নলেন গুড়ের রসগোল্লা পাওয়া যাচ্ছে। বাজারগুলিতেও নলেন গুড়ের পাটালি কাঠের আলমারিতে সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। গুণমান অনুযায়ী ২৩০ টাকা থেকে প্রায় সাড়ে ৪০০ টাকা পর্যন্ত দর রয়েছে পাটালি গুড়ের। মহকুমা এলাকার সমস্ত বাজারেই আমদানি করা হয়েছে নলেন গুড়। তবে আগের মতো নলেন গুড়ের স্বাদ ও ঘ্রাণ হারিয়ে গিয়েছে বলে ক্রেতারা দাবি করছেন। রসগোল্লাতেও আগে মতো নলেন গুড়ের স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি তাঁদের।
ভরতপুর ২ ব্লকের সালারের ফল বাজারে প্রায় ৩০ জন গুড় বিক্রেতা রয়েছেন। গুড় বিক্রিও ব্যাপক হচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। গুড় বিক্রেতা হুমায়ুন শেখ বলেন, একেবারে গাছ থেকে পেড়ে আনা রস দিয়ে তৈরি গুড়। তবে স্বাদ কম হওয়ার কারণ হল শীত এখনও জোরালো নয়। শীত যত বেশি পড়বে, গুড়ের স্বাদ তত বেড়ে যাবে।
প্রায় একই বক্তব্য অন্যান্য বিক্রেতাদের। তবে ক্রেতারা অন্য কথা বলছেন। সালারের এক ক্রেতা সানোয়ার আলি বলেন, গুড়ের স্বাদ কমে যাওয়ার মূল কারণই হল ভেজাল দেওয়া। তিনি দাবি করেন, নলেন গুড়ে পাটনায় ভেলি গুড় মেশানো হচ্ছে। যার ফলে নলেন গুড়ের স্বাদ কমে গিয়েছে। পাটনায় গুড় ৬০ টাকায় প্রতি কিলোগ্রাম পাওয়া যায়। অপর বাসিন্দা সমরেশ চন্দ্র বলেন, এখন যে গুড় পাওয়া যাচ্ছে এটা নির্ভেজাল বলা যাবে না। নলেন গুড়ে যে ভেজাল দেওয়া রয়েছে, সেটা পরিষ্কার বোঝা যায়। তাই খাদ্যদপ্তরের এনিয়ে তদন্ত করা উচিত।
এদিকে শীত পড়তেই মহকুমার বিভিন্ন গ্রামে শিউলিরা খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধার কাজ শুরু করেছেন। কান্দি ব্লক কৃষিদপ্তরের কাছেই একদল শিউলি নদীয়া জেলা থেকে এখানে এসে নলেন গুড় তৈরির ব্যবসা করছেন। গুড় উৎপাদক আরমান আলি বলেন, নলেন গুড়ের স্বাদ কমে যাওয়ার প্রধান কারণ শীত ভালোভাবে না পড়া। প্রচণ্ড শীতে গুড় ভালো তৈরি হয়। অপর এক শিউলি বলেন, গুড়ে যে ভেজালটুকু আছে, সেটা এখানে নয়, মেশানো হচ্ছে পাটনায়। সেখানে ব্যবসায়ীদের কারখানায় ভেলি গুড় মেশানো হচ্ছে।
ভরতপুর ২ ব্লকের সালারের ফল বাজারে প্রায় ৩০ জন গুড় বিক্রেতা রয়েছেন। গুড় বিক্রিও ব্যাপক হচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। গুড় বিক্রেতা হুমায়ুন শেখ বলেন, একেবারে গাছ থেকে পেড়ে আনা রস দিয়ে তৈরি গুড়। তবে স্বাদ কম হওয়ার কারণ হল শীত এখনও জোরালো নয়। শীত যত বেশি পড়বে, গুড়ের স্বাদ তত বেড়ে যাবে।
প্রায় একই বক্তব্য অন্যান্য বিক্রেতাদের। তবে ক্রেতারা অন্য কথা বলছেন। সালারের এক ক্রেতা সানোয়ার আলি বলেন, গুড়ের স্বাদ কমে যাওয়ার মূল কারণই হল ভেজাল দেওয়া। তিনি দাবি করেন, নলেন গুড়ে পাটনায় ভেলি গুড় মেশানো হচ্ছে। যার ফলে নলেন গুড়ের স্বাদ কমে গিয়েছে। পাটনায় গুড় ৬০ টাকায় প্রতি কিলোগ্রাম পাওয়া যায়। অপর বাসিন্দা সমরেশ চন্দ্র বলেন, এখন যে গুড় পাওয়া যাচ্ছে এটা নির্ভেজাল বলা যাবে না। নলেন গুড়ে যে ভেজাল দেওয়া রয়েছে, সেটা পরিষ্কার বোঝা যায়। তাই খাদ্যদপ্তরের এনিয়ে তদন্ত করা উচিত।
এদিকে শীত পড়তেই মহকুমার বিভিন্ন গ্রামে শিউলিরা খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধার কাজ শুরু করেছেন। কান্দি ব্লক কৃষিদপ্তরের কাছেই একদল শিউলি নদীয়া জেলা থেকে এখানে এসে নলেন গুড় তৈরির ব্যবসা করছেন। গুড় উৎপাদক আরমান আলি বলেন, নলেন গুড়ের স্বাদ কমে যাওয়ার প্রধান কারণ শীত ভালোভাবে না পড়া। প্রচণ্ড শীতে গুড় ভালো তৈরি হয়। অপর এক শিউলি বলেন, গুড়ে যে ভেজালটুকু আছে, সেটা এখানে নয়, মেশানো হচ্ছে পাটনায়। সেখানে ব্যবসায়ীদের কারখানায় ভেলি গুড় মেশানো হচ্ছে।



