সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ভোজনরসিকদের কাছে শীত মানেই পিঠের স্বাদ। আর তার সঙ্গে যদি পাতে খেজুরগুড় পাওয়া যায়! শুনলেই যেন জিভে জল আনে। তাই শীত পড়তেই বাংলার ঘরে ঘরে এই সুস্বাদু খাদ্য পৌঁছে দিতে গুড় তৈরির জন্য ঝাড়গ্রামে এলেন ভিনজেলার কারিগররা। ঝাড়গ্রাম শহরের অদূরে ধরমপুর ও দুবরাজপুর এলাকার খেজুর গাছগুলিকে পরিষ্কার করার কাজ শুরু করেছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই গাছগুলিতে টাঙানো হবে রস সংগ্রহের হাঁড়ি। খুব শীঘ্রই তা পোঁছে যাবে জেলার বাজারগুলিতে।
Advertisement
প্রতি বছরের মতো এবারেও ঝাড়গ্রাম শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঢিলছোঁড়া দূরত্বে ধরমপুর গ্রামে খেজুরগুড় তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন কারিগররা। এই কারিগররা নদীয়ার দেবগ্রাম থেকে এসেছেন। সেই সঙ্গে বিনপুর-২ ব্লকের মালাবতী ও ঝাড়গ্রাম ব্লকের শালপাতড়া মুড়াবনী এলাকায় খেজুরগুড় তৈরির জন্য মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪ পরগনা ও নদীয়ার কারিগররা হাজির হন। শীতে ঝাড়গ্রামে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছেও এই খেজুর গুড়ের ব্যাপক চাহিদা। ঝাড়গ্রাম-জামবনী রাস্তার পাশেই এই গুড় তৈরি হওয়ায় সহজেই পর্যটকরা গুড় ও খেজুর রস সংগ্রহ করার সুযোগ পান।
এলাকার যে সমস্ত জায়গায় খেজুর গাছের পরিমাণ বেশি সেই জায়গায় তাঁরা অস্থায়ী তাঁবু খাটিয়ে গুড় তৈরি করেন। প্রায় তিন মাস ধরে খেজুররস ও গুড় বিক্রি করে তাঁরা মাঘ মাসের মাঝামাঝি যে-যাঁর জেলায় ফিরে যান। এলাকার লোকজনও পৌষ পরবের জন্য এই টাটকা খেজুরগুড় সংগ্রহ করে রাখেন। ধরমপুর একেবারে ঝাড়গ্রাম শহরের সামনে হওয়ায় প্রাতঃ ভ্রমণকারীরা ও ঝাড়গ্রাম শহরে থাকা পর্যটকদের দল সাতসকালে গিয়ে সেখানে খেজুরের রস সংগ্রহ করেন। এক কারিগর বলেন, শীতের সময় রোজ এখানে ২০-২৫ কেজি গুড় তৈরি করা হয়।
এই নিয়ে ধরমপুর গ্রামের বাসিন্দা মনোজ মাহাত বলেন, এই কারিগররা কয়েক বছর ধরে আমাদের এখানে এসে খেজুররস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করেন। বহু পরিশ্রম ও কষ্ট করে তাঁরা এই কাজ করেন। আমাদের এলাকার লোকজন খেজুরগাছ পরিষ্কার করে রস সংগ্রহের পদ্ধতি জানেন না। বেশ কয়েক বছর ধরে এই কারিগররা আমাদের গ্রামে আসছেন। তাই অনেকের মুখচেনা হয়ে গিয়েছে। এলাকায় হাতির আতঙ্ক থাকে। তাই গ্রামবাসী রাতে রসের হাঁড়ি পাহারা সহ সব ধরনের সহযোগিতা করেন।
এলাকার যে সমস্ত জায়গায় খেজুর গাছের পরিমাণ বেশি সেই জায়গায় তাঁরা অস্থায়ী তাঁবু খাটিয়ে গুড় তৈরি করেন। প্রায় তিন মাস ধরে খেজুররস ও গুড় বিক্রি করে তাঁরা মাঘ মাসের মাঝামাঝি যে-যাঁর জেলায় ফিরে যান। এলাকার লোকজনও পৌষ পরবের জন্য এই টাটকা খেজুরগুড় সংগ্রহ করে রাখেন। ধরমপুর একেবারে ঝাড়গ্রাম শহরের সামনে হওয়ায় প্রাতঃ ভ্রমণকারীরা ও ঝাড়গ্রাম শহরে থাকা পর্যটকদের দল সাতসকালে গিয়ে সেখানে খেজুরের রস সংগ্রহ করেন। এক কারিগর বলেন, শীতের সময় রোজ এখানে ২০-২৫ কেজি গুড় তৈরি করা হয়।
এই নিয়ে ধরমপুর গ্রামের বাসিন্দা মনোজ মাহাত বলেন, এই কারিগররা কয়েক বছর ধরে আমাদের এখানে এসে খেজুররস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করেন। বহু পরিশ্রম ও কষ্ট করে তাঁরা এই কাজ করেন। আমাদের এলাকার লোকজন খেজুরগাছ পরিষ্কার করে রস সংগ্রহের পদ্ধতি জানেন না। বেশ কয়েক বছর ধরে এই কারিগররা আমাদের গ্রামে আসছেন। তাই অনেকের মুখচেনা হয়ে গিয়েছে। এলাকায় হাতির আতঙ্ক থাকে। তাই গ্রামবাসী রাতে রসের হাঁড়ি পাহারা সহ সব ধরনের সহযোগিতা করেন।



