সংবাদদাতা, হবিবপুর: শীত পড়তেই বনভোজনপ্রেমীরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন মালদহ জেলার হবিবপুরের ঐতিহ্যবাহী হিজল বনে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হিজল বনে বিভিন্ন জাতের পাখি, হিজল গাছ ও ঘন জঙ্গল উপভোগ করেন পর্যটকরা। হবিবপুর ব্লকের ধুমপুর ও শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অবস্থিত এই হিজল বন বিশেষ গর্বের বার্তা বহন করে বাসিন্দাদের কাছে। তাই এটিকে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
বর্ষাকালে সীমান্তের পুনর্ভবা নদীর জল বেড়ে হিজল বনের অনেকটা অংশ ডুবে যায়। সেই জল বহুদিন ধরে জমে থাকে। এটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ার কারণে বেশকিছু জায়গায় বিএসএফ পর্যটকদের যেতে দেয় না। তবে শ্রীরামপুরের বসতি এলাকার পাশে বেশকিছুটা অংশে প্রত্যেক বছর বনভোজনে মেতে উঠেন জেলা ও জেলার বাইরের পর্যটকরা।
বাসিন্দারা বলেন, প্রতি বছর ছাত্র-ছাত্রী, ছোটবড় সংস্থা সহ সাধারণ পরিবারের লোকজন বনভোজন করতে আসে। জঙ্গলে প্রবেশের মুখে রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। প্রশাসনের তরফে এই বিষয়গুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তপন সিংহ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, হিজল বন সংস্কার করে পর্যটনে যুক্ত করতে পারলে এলাকায় সার্বিক দিক থেকে উন্নয়ন হবে। কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।
বনদপ্তরের গজোল রেঞ্জের রেঞ্জার লতিফ শেখ বলেন, হিজল বনের ভিতরে বনভোজনের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেবিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হবিবপুরের বিডিও মনোজ কাঞ্জিলাল বলেন, ইকো ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে ইতিমধ্যেই ব্লকের অন্যান্য এলাকা সহ হিজল বন পরিদর্শন করা হয়েছে। হিলি বনকে পর্যটনে যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।
বাসিন্দারা বলেন, প্রতি বছর ছাত্র-ছাত্রী, ছোটবড় সংস্থা সহ সাধারণ পরিবারের লোকজন বনভোজন করতে আসে। জঙ্গলে প্রবেশের মুখে রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। প্রশাসনের তরফে এই বিষয়গুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তপন সিংহ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, হিজল বন সংস্কার করে পর্যটনে যুক্ত করতে পারলে এলাকায় সার্বিক দিক থেকে উন্নয়ন হবে। কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।
বনদপ্তরের গজোল রেঞ্জের রেঞ্জার লতিফ শেখ বলেন, হিজল বনের ভিতরে বনভোজনের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেবিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হবিবপুরের বিডিও মনোজ কাঞ্জিলাল বলেন, ইকো ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে ইতিমধ্যেই ব্লকের অন্যান্য এলাকা সহ হিজল বন পরিদর্শন করা হয়েছে। হিলি বনকে পর্যটনে যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।



