সংবাদদাতা, কাটোয়া: জঙ্গলের মধ্যে লাল মাটি। দু’দিকে শাল পিয়ালের জঙ্গল। অরণ্যের নির্জনতা ও পাখির কলরবের আকর্ষণে বাড়ছে ভিড়। আউশগ্রামের ভাল্কির জঙ্গলে এরকম মনোরম পরিবেশে ফটোশ্যুট করতে কলকাতা থেকে আসছেন বহু ইউটিউবার থেকে অল্পবয়সিরা। শীত পড়তেই পর্যটকদের মন কাড়ছে ভাল্কির অরণ্য সুন্দরি। ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সরকারি রিসর্টের কর্মীরা। ক্যাম্প ফায়ার থেকে বোটিং সবেতেই অনাবিল আনন্দে ভরে উঠছে সবার মন।
Advertisement
গভীর জঙ্গলে তাঁরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ছবি তুলছেন। প্রতি বছর শীতের মরশুম শুরু হতেই ভাল্কি রিসর্টে ফটোশ্যুট বা পর্যটকদের ভিড় জমে। শহরে ব্যস্ত জীবন থেকে একটু দূরে গ্রাম্য পরিবেশে সময় কাটাতে চান সবাই। তাই সবার এখন ডেস্টিনেশন ভাল্কির রিসর্ট। ভাল্কি মাচানে আউশগ্রাম-২ পঞ্চায়েত সমিতির রিসর্ট রয়েছে। এবারও কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার মানুষ একরাত ভাল্কির জঙ্গলে সময় কাটাতে ভিড় জমাচ্ছেন। রিসর্টের ম্যানেজার ওঙ্কার ঘোষ বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রচুর পর্যটক আসছেন। তাঁরা জঙ্গল ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আবার কালিকাপুরের জমিদার বাড়িও দেখতে যাচ্ছেন। শান্ত পরিবেশে পরিবার নিয়ে কয়েকদিনের জন্য বেড়াতে সবাই আসছেন। আমাদেরও ঘর যতক্ষণ ফাঁকা আছে, সেই মতো বুকিং নিচ্ছি। এখন জানুয়ারি মাসের বুকিংয়ের জন্য ফোন আসছে।
বাড়ির মতো রান্না খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে ভাল্কিতে। দেশি মুরগির ঝোল থেকে কাতলা মাছ সবই পাওয়া যায় এখানে। অনেকে ইউটিউবার এখানে আসছেন। অরণ্যের সৌন্দর্যকে ক্যামেরাবন্দি করছেন।
জানা গিয়েছে, আউশগ্রাম জঙ্গলমহলে ভাল্কি মাচান দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকদের চাহিদা মেটায়। অনেকেই জঙ্গলে অ্যাডভেঞ্চারের জন্যই আসেন। দ্বারিয়াপুরে ডোকরার কাজ দেখে মুগ্ধ হন তাঁরা। সব থেকে বড় বিষয় উঁচু নিচু লাল মাটির রাস্তা ধরে গভীর জঙ্গলে পৌঁছলে যথেষ্ট অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ পাওয়া যায়। তাছাড়া ওই জঙ্গলে আলো পৌঁছয় না। অনেকেই এখানে এসে আউশগ্রাম ২ ব্লকের অমরপুর অঞ্চলের কালিকাপুর সাতমহলা জমিদার বাড়ি ঘুরে দেখেন। ওই জমিদার বাড়ি লাগোয়া সাতটি বড় বড় ভবন রয়েছে। চকমিলান দুর্গাদালান, জমিদার বাড়ির বড় বড় সাবেকি থাম দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাবে।
কলকাতা থেকে আসা পর্যটক মিতালি তরফদার, সোমা মিত্র বলেন, ইন্টারনেটে জঙ্গলের পরিবেশ দেখে আমাদের পছন্দ হয়েছে। তাই ব্যস্ত জীবন থেকে একটু দূরে নির্জন পরিবেশের জন্যই ভাল্কি আসা। খুবই ভালো লাগছে। তাছাড়া এখান থেকে টাটকা খেজুর গুড় নিয়ে ফিরছি। এর স্বাদই আলাদা।
বাড়ির মতো রান্না খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে ভাল্কিতে। দেশি মুরগির ঝোল থেকে কাতলা মাছ সবই পাওয়া যায় এখানে। অনেকে ইউটিউবার এখানে আসছেন। অরণ্যের সৌন্দর্যকে ক্যামেরাবন্দি করছেন।
জানা গিয়েছে, আউশগ্রাম জঙ্গলমহলে ভাল্কি মাচান দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকদের চাহিদা মেটায়। অনেকেই জঙ্গলে অ্যাডভেঞ্চারের জন্যই আসেন। দ্বারিয়াপুরে ডোকরার কাজ দেখে মুগ্ধ হন তাঁরা। সব থেকে বড় বিষয় উঁচু নিচু লাল মাটির রাস্তা ধরে গভীর জঙ্গলে পৌঁছলে যথেষ্ট অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ পাওয়া যায়। তাছাড়া ওই জঙ্গলে আলো পৌঁছয় না। অনেকেই এখানে এসে আউশগ্রাম ২ ব্লকের অমরপুর অঞ্চলের কালিকাপুর সাতমহলা জমিদার বাড়ি ঘুরে দেখেন। ওই জমিদার বাড়ি লাগোয়া সাতটি বড় বড় ভবন রয়েছে। চকমিলান দুর্গাদালান, জমিদার বাড়ির বড় বড় সাবেকি থাম দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাবে।
কলকাতা থেকে আসা পর্যটক মিতালি তরফদার, সোমা মিত্র বলেন, ইন্টারনেটে জঙ্গলের পরিবেশ দেখে আমাদের পছন্দ হয়েছে। তাই ব্যস্ত জীবন থেকে একটু দূরে নির্জন পরিবেশের জন্যই ভাল্কি আসা। খুবই ভালো লাগছে। তাছাড়া এখান থেকে টাটকা খেজুর গুড় নিয়ে ফিরছি। এর স্বাদই আলাদা।



