সংবাদদাতা, মানকর: শীত পড়তেই আউশগ্রামের যমুনাদিঘি মৎস্য বীজ খামারে পর্যটকদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। খামারের ভিতরে জলাশয় ও বাগান ঘেরা মনোরম পরিবেশে ভ্রমণ ও পিকনিক জমে উঠছে। রয়েছে থাকার ব্যবস্থাও। অনলাইনেই বুকিং করে ছুটি কাটাতে আসছেন জেলা ও ভিন জেলার মানুষ।
Advertisement
পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য উন্নয়ন দপ্তরের অধীনে যমুনাদিঘিতে মাছের বীজ খামারের পাশাপাশি রয়েছে অতিথিশালা। সারা বছর সেভাবে ভিড় না থাকলেও শীতের সময় পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে। স্থানীয়রা ছাড়াও বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল ও অন্য জেলা থেকে বহু মানুষ আসেন পিকনিক করতে। এখানে বিরাট জলাশয়কে ঘিরে রয়েছে গোলাকৃতি বাগান। অতিথি নিবাসের পাশেই এই জলাশয়ে ডিম ফুটিয়ে চারা মাছ উৎপাদন করা হয়। অতিথি নিবাস সরাসরি এসেও বুকিং করা যায় আবার পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য দপ্তরের ওয়েবসাইট থেকেও বুকিং করা যায়। তবে পিকনিকের জন্য সরাসরি এসেই বুকিং করতে হবে। ৫০ জনের দল পিকনিক করতে এলে ৫৯০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ৫০ এর বেশি হলে হাজার টাকার মধ্যে ফি নেওয়া হচ্ছে। অতিথি নিবাসের জন্য ৮০০ টাকা থেকে রুম পাওয়া যাচ্ছে। বড় জলাশয়ে ইতিমধ্যেই বোটিং চালু হয়েছে। বোটিং করার জন্য নেওয়া হচ্ছে মাথাপিছু ২৫ টাকা। বোটিং চালু হওয়ায় পর্যটকদের ভিড় বাড়বে বলে মনে করছেন যমুনাদিঘির কর্মীরা। আপাতত একটি বোট রাখা হয়েছে। দুর্গাপুরের বাসিন্দা মিহির সেনগুপ্ত বলেন, শীত পড়লেই ভাল্কি, যমুনাদিঘিতে যাই। বড় জলাশয় দেখে অনেকেই বোটিং করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু গতবারে বোটিং চালু ছিল না।
কর্মীরা জানান, পর্যটকরা মাছ চাষ, জাল করা, জাল দিয়ে মাছ ধরা সমস্ত কিছুই দেখতে পান। এক সময় পর্যটকরা চাইলে মাছও ধরতে পারতেন। বর্তমানে সেটি বন্ধ রয়েছে। তবে মাছ সংগ্রহ করতে পারবেন পর্যটকরা। জালে যে মাছ উঠবে সরকার নির্ধারিত দাম দিয়ে পর্যটকরা তা কিনতে পারেন। স্থানীয়রা জানান, অনেকেই কোলাহল মুক্ত পরিবেশে থেকে সময় কাটাতে চান। তাছাড়া যমুনাদিঘি থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলির দূরত্বও কম। পর্যটকরা সহজেই ডোকরা গ্রাম দ্বারিয়াপুর, ভাল্কি মাচান সহ বিভিন্ন জায়গায় যান। অনেকে কিছুটা দূরে লবণধার, কাঁকসায় গড় জঙ্গল, শ্যামরূপা মন্দির, দেউল দেখতে যান। যমুনাদিঘির দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক অঙ্কুর মজুমদার বলেন, এখানের প্রাকৃতিক পরিবেশ সকলকে মুগ্ধ করে। গতবারের থেকে এবারে ভিড় বাড়বে বলেই আশা করছি।
কর্মীরা জানান, পর্যটকরা মাছ চাষ, জাল করা, জাল দিয়ে মাছ ধরা সমস্ত কিছুই দেখতে পান। এক সময় পর্যটকরা চাইলে মাছও ধরতে পারতেন। বর্তমানে সেটি বন্ধ রয়েছে। তবে মাছ সংগ্রহ করতে পারবেন পর্যটকরা। জালে যে মাছ উঠবে সরকার নির্ধারিত দাম দিয়ে পর্যটকরা তা কিনতে পারেন। স্থানীয়রা জানান, অনেকেই কোলাহল মুক্ত পরিবেশে থেকে সময় কাটাতে চান। তাছাড়া যমুনাদিঘি থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলির দূরত্বও কম। পর্যটকরা সহজেই ডোকরা গ্রাম দ্বারিয়াপুর, ভাল্কি মাচান সহ বিভিন্ন জায়গায় যান। অনেকে কিছুটা দূরে লবণধার, কাঁকসায় গড় জঙ্গল, শ্যামরূপা মন্দির, দেউল দেখতে যান। যমুনাদিঘির দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক অঙ্কুর মজুমদার বলেন, এখানের প্রাকৃতিক পরিবেশ সকলকে মুগ্ধ করে। গতবারের থেকে এবারে ভিড় বাড়বে বলেই আশা করছি।



