Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শাসকদলের বুথ সভাপতিকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত বিজেপি  

শাসকদলের বুথ সভাপতিকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত বিজেপি
 
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথে মহম্মদবাজারের বাটেরবাঁধে তৃণমূলের বুথ সভাপতিকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। মারধরের জেরে শেখ লালন নামে ওই বুথ সভাপতির বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছে। এছাড়াও মাথা, পা সহ শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাত লাগে। সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যালে রেফার করা হয়েছে। ফের শাসকদলের নিশানায় গেরুয়া শিবির। অভিযোগ, স্থানীয় কিছু বিজেপি কর্মী এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনায় ছ’জনের নাম উল্লেখ করে মহম্মদবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জখম বুথ সভাপতির দাবি, তাঁকে প্রাণে মারার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। যদিও অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে। জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। 
Advertisement
দিনকয়েক আগেই কাঁকরতলা থানা এলাকায় তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে ও থেঁতলে খুন করা হয়। তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বুথ সভাপতিকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম শেখ লালন রামপুর অঞ্চলের বিষ্ণপুর সংসদের বুথ সভাপতি। তিনি বাটেরবাঁধের বাসিন্দা। ঘটনার দিন দুপুরে বাইকে চেপে শ্রীকান্তপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, সেসময় স্থানীয় কিছু বিজেপি কর্মী তাঁর পথ আটকে মারধর শুরু করে। তিনি গুরুতর জখম হন। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মহম্মদবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরে সেদিনই তাঁকে সিউড়িতে রেফার করা হয়। পরে বর্ধমানে রেফার করা হয়েছে। 
জখম বুথ সভাপতি শেখ সাবের আলি, শেখ নজরুল সহ ছ’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শেখ সাবের আলি সহ জনা দশেক ব্যক্তি পঞ্চায়েত ভোটের সময় বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। ওরা লোকসভা ভোটের সময় বিজেপির হয়েও কাজ করেছিল। তবে এলাকায় তৃণমূলের প্রভাব তারা মেনে নিতে পারছে না। সেকারণে আমার উপর হামলা করা হয়েছে। এব্যাপারে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, রামপুরে বেশ কিছুদিন ধরেই ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। যে কোনওভাবে ঝামেলা লাগিয়ে দেউচা পাচামির কাজে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। প্রশাসন সচেতন রয়েছে। আমরা দলীয়ভাবে তদন্ত করছি। পুলিসকে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছি। যদিও বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, পারিবারিক বিবাদের জেরে এই ঘটনা। এর সঙ্গে আমাদের দলের কোনও যোগ নেই।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ