সংবাদদাতা, বহরমপুর: এক অন্য ঘরানার ফ্যাশন শো উপহার দিল ‘ফ্যাশন ফিভার’। রবিবার সেই সান্ধ্য অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন বহরমপুর তথা মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দারা। সেখানে শিশুদের হাত ধরে র্যাম্পে হাঁটলেন বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকরাও। ওয়েস্টার্ন ফ্যাশনের সঙ্গে বাঙালি ঘরানার মিশ্রণ ঘটিয়ে দর্শকদের আবেগ ছুঁয়ে ফেলেন উদ্যোক্তারা। তিন শিক্ষক-শিক্ষিকার এই প্রয়াস অভিনবত্বে মোড়া ছিল।
Advertisement
রবিবার সন্ধ্যায় বহরমপুরের পঞ্চাননতলায় জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে এই ফ্যাশন শো দেখে দর্শকদের করতালির প্রতিধ্বনি উচ্ছসিত করল উদ্যোক্তাদের। ‘ফ্যাশন ফিভার’-এর তরফে স্কুলশিক্ষক তথা রাজ্যের বিভিন্ন ফ্যাশন শোয়ে অংশগ্রহণকারী বিশ্বদীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ফ্যাশন শো বলতে মানুষের মনে একটা অন্যরকম ধারণা থাকে। মানুষের সেই ধারণার বদল আনতেই আমাদের এই প্রয়াস। আশা করব, ফ্যাশন শোয়ের এই নতুন ঘরানা আগামী দিনে বাংলায় আলোড়ন ফেলবে।
বিশ্বদীপবাবুর পাশাপাশি এই ফ্যাশন শোয়ের সহ-উদ্যোক্তা তাঁর স্ত্রী পৌলমী মণ্ডল চট্টোপাধ্যায় এবং সিম্পা নাগ মজুমদার। তাঁরা পৃথক তিনটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। মাস দেড়েক আগে তিনজন মিলে এই অভিনব ফ্যাশন শো আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। সিম্পাদেবী বলেন, বিশ্বদীপকে সামনে রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ফ্যাশন শোয়ে ওয়েস্টার্ন কালচারের সঙ্গে বাঙালি ঘরানার মেলবন্ধন ঘটাব। ফ্যাশন শোকে আমরা অন্য আঙ্গিকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। রবিবার সন্ধ্যায় বৃদ্ধাশ্রমের ১৩জন আবাসিক শিশুশিল্পীদের সঙ্গে র্যাম্পে হাঁটলেন। এছাড়া, একটি সেগমেন্টে হলুদ শাড়ি ও ধুতি-পাঞ্জাবি পরে র্যাম্পে হাঁটলেন এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। এই সেগমেন্টের নাম ‘১৬ আনা বাঙালি’। সবমিলিয়ে, ৭০জন প্রতিযোগী চারটি বিভাগে অংশ নিয়েছিল। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত কিডস রাউন্ডে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় সহ সমস্ত প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হয়। ফ্যাশন শোয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন কলাকুশলীর নৃত্যানুষ্ঠান দর্শপকদের মনোরঞ্জন করে।
বিশ্বদীপবাবুর পাশাপাশি এই ফ্যাশন শোয়ের সহ-উদ্যোক্তা তাঁর স্ত্রী পৌলমী মণ্ডল চট্টোপাধ্যায় এবং সিম্পা নাগ মজুমদার। তাঁরা পৃথক তিনটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। মাস দেড়েক আগে তিনজন মিলে এই অভিনব ফ্যাশন শো আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। সিম্পাদেবী বলেন, বিশ্বদীপকে সামনে রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ফ্যাশন শোয়ে ওয়েস্টার্ন কালচারের সঙ্গে বাঙালি ঘরানার মেলবন্ধন ঘটাব। ফ্যাশন শোকে আমরা অন্য আঙ্গিকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। রবিবার সন্ধ্যায় বৃদ্ধাশ্রমের ১৩জন আবাসিক শিশুশিল্পীদের সঙ্গে র্যাম্পে হাঁটলেন। এছাড়া, একটি সেগমেন্টে হলুদ শাড়ি ও ধুতি-পাঞ্জাবি পরে র্যাম্পে হাঁটলেন এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। এই সেগমেন্টের নাম ‘১৬ আনা বাঙালি’। সবমিলিয়ে, ৭০জন প্রতিযোগী চারটি বিভাগে অংশ নিয়েছিল। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত কিডস রাউন্ডে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় সহ সমস্ত প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হয়। ফ্যাশন শোয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন কলাকুশলীর নৃত্যানুষ্ঠান দর্শপকদের মনোরঞ্জন করে।



