নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: শিশুদের ‘ব্যাড টাচ’! স্কুলে নাকি প্রাথমিকের নাবালকের গোপনাঙ্গ দেখাতে বলা হয়! বহরমপুর পুরসভাচালিত দু’টি প্রাথমিক স্কুলের দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা। দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। গোরাবাজার ও সৈদাবাদ এলাকার দু’টি অবৈতনিক প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের গোপনাঙ্গ দেখানো এবং তাতে হাত দেওয়ার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিভাবকরা সোমবার রাতে বহরমপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে এরকম আচরণের অভিযোগে রীতিমতো অবাক পুলিস অফিসাররা। গোরাবাজারের ওই স্কুল-পড়ুয়ার অভিভাবকরা এই ঘটনা জানতে পেরে প্রতিবাদও জানিয়েছিলেন। বহরমপুর থানার এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, দু’টি স্কুলের বিরুদ্ধে একই দিনে অভিযোগ হয়েছে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে ওই দুই স্কুলে নাকি এরকম ঘটনা ঘটছিল। আমরা অভিভাবকদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই পকসো ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছি। এক অভিভাবক পুলিসকে জানিয়েছেন, শুধু একজন নয়, একাধিক শিশুকে বারবার প্যান্ট খোলার কথা বলা হয়েছে।
Advertisement
তবে এই অভিযোগ পুরোটাই সাজানো বলেই মনে করছেন স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সৈদাবাদের ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, কোনও অভিভাবক আমার কাছে এমন অভিযোগ জানাননি। এই ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। এবিষয়ে মামলা রুজু হয়ে থাকলে আমি কিছুই মন্তব্য করব না।
গোরাবাজারের ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা বলেন, এমন কোনও ঘটনার কথা শুনিনি, জানিও না। কবে কী হয়েছে, বলতে পারব না। তবে যাঁর নামে অভিযোগ করা হচ্ছে, তিনি আমাদের স্কুলে পড়ান।
কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে কয়েক মাস ধরে এই দুই শিক্ষিকার বেতন বন্ধ রেখেছিল বহরমপুর পুরসভা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানান বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী। তারপরেও বেতন না মেলায়, ওই দুই শিক্ষিকা কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্টের বিচারপতি দু’জনেরই বেতন মিটিয়ে দেওয়ার জন্য পুরসভাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পুরসভা কর্তৃপক্ষ তারপরে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়। সেখানেও বেঞ্চ বলেছে, দুই মহিলা কর্মীর বেতন আটকে রাখার কোনও আইনি ভিত্তি নেই। তখন পুরসভা বাধ্য হয়ে বেতন মেটায়। এখন নির্দিষ্ট ওই দু’জনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অনেকেই আবার এই জঘন্য অভিযোগের পিছনে রাজনীতি দেখছেন।
গোরাবাজারের ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা বলেন, এমন কোনও ঘটনার কথা শুনিনি, জানিও না। কবে কী হয়েছে, বলতে পারব না। তবে যাঁর নামে অভিযোগ করা হচ্ছে, তিনি আমাদের স্কুলে পড়ান।
কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে কয়েক মাস ধরে এই দুই শিক্ষিকার বেতন বন্ধ রেখেছিল বহরমপুর পুরসভা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানান বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী। তারপরেও বেতন না মেলায়, ওই দুই শিক্ষিকা কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্টের বিচারপতি দু’জনেরই বেতন মিটিয়ে দেওয়ার জন্য পুরসভাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পুরসভা কর্তৃপক্ষ তারপরে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়। সেখানেও বেঞ্চ বলেছে, দুই মহিলা কর্মীর বেতন আটকে রাখার কোনও আইনি ভিত্তি নেই। তখন পুরসভা বাধ্য হয়ে বেতন মেটায়। এখন নির্দিষ্ট ওই দু’জনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অনেকেই আবার এই জঘন্য অভিযোগের পিছনে রাজনীতি দেখছেন।



