সংবাদদাতা, আলিপুরদয়ার: শিশুদের কলরবে মুখরিত বিশ্ব ডুয়ার্স উত্সব। পাশাপাশি বসে ছবি আঁকল দু’হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী। আলিপুরদুয়ারে এরকম দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। রবিবার সেটাই হল শহরের প্যারেডগ্রাউন্ডে। শিশু শিল্পীদের ছবি আঁকার কাজে তদারকি করলেন উৎসব কমিটির সভাপতি জেলাশাসক থেকে অন্য আধিকারিকরা। বিকেল গড়াতেই জনতার ঢল নামল মাঠে। বছরের প্রথম রবিবার আক্ষরিক অর্থেই উত্সবে গা ভাসালেন উত্তরবঙ্গবাসী।
Advertisement
বিশ্বডুয়ার্স উত্সব শুধু জেলারই নয়, সারা উত্তরের আবেগ। নতুন বছরে রোজই মেলায় কিছু না কিছু আয়োজন থাকছে। সেইমতো রবিবার প্যারেডগ্রাউন্ডে ১৯-তম বিশ্বডুয়ার্স উৎসবের প্রাঙ্গণে তিনটি বিভাগে বসে আঁকো প্রতিযোগিতা হয়। পাঁচ বছর পর্যন্ত ‘ক’ বিভাগের শিশু শিল্পীদের বিষয় ছিল ‘ইচ্ছেমতো।’ এই বিভাগে প্রথম হয় সুখময় কুণ্ডু, দ্বিতীয় রাহী রায় ও তৃতীয় আয়ুষ্মান দে। ছয় থেকে দশ বছর পর্যন্ত ‘খ’ বিভাগের শিশুদের বিষয় ছিল ‘ডুয়ার্সের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।’ এই বিভাগে প্রথম লগ্নজিতা পাল, দ্বিতীয় রৌণক রাভা এবং তৃতীয় হয়েছে কুসুমিতা চন্দ। ১৫ বছর পর্যন্ত ‘গ’ বিভাগের বিষয় ছিল ‘জীববৈচিত্র্যে পাখির গুরুত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থে বিদ্যুৎ ব্যবহার।’ এই বিভাগে প্রথম মনামী পণ্ডিত, দ্বিতীয় আবৃতি রায় ও তৃতীয় হয়েছে মিতালী দাস। ডুয়ার্স উৎসবের ব্যাপ্তি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এই দাবি যে অতিরঞ্জিত নয় সেই প্রমাণ শিশুদের এই জমায়েতে। উত্তরবঙ্গ তো বটেই, অংশ নিতে দেখা গিয়েছে ছিল মুর্শিদাবাদের কয়েকজন শিশুকেও বলে জানান উৎসবের শিশুকিশোর উপসমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক উৎসেন্দু তালুকদার এবং জয়িতা শীল।
নানা স্টলে ভিড় করছেন সাত থেকে সাত্তান্ন। মাঠজুড়ে আলোকসজ্জা। সেখানে সেলফি জোনে দেখা যাচ্ছে তরুণ-তরুণীদের। খাওয়া দাওয়া তো আছেই। তার উপর বাড়তি পাওয়া হয়েছে মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রূপোলি পর্দার প্রতিনিধিদের অনুষ্ঠান দেখতে দর্শকাসনে জায়গা মেলাই দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে। সবমিলিয়ে বিশ্ব ডুয়ার্স উত্সবের মধ্যে দিয়ে নতুন বছর উপভোগ করছেন উত্তরের বাসিন্দারা।
নানা স্টলে ভিড় করছেন সাত থেকে সাত্তান্ন। মাঠজুড়ে আলোকসজ্জা। সেখানে সেলফি জোনে দেখা যাচ্ছে তরুণ-তরুণীদের। খাওয়া দাওয়া তো আছেই। তার উপর বাড়তি পাওয়া হয়েছে মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রূপোলি পর্দার প্রতিনিধিদের অনুষ্ঠান দেখতে দর্শকাসনে জায়গা মেলাই দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে। সবমিলিয়ে বিশ্ব ডুয়ার্স উত্সবের মধ্যে দিয়ে নতুন বছর উপভোগ করছেন উত্তরের বাসিন্দারা।



