Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শিশুদের খাবারে শুকনো ভাত-ডিমসিদ্ধ, রামপুরহাটে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিক্ষোভ

শিশুদের খাবারে শুকনো ভাত-ডিমসিদ্ধ, রামপুরহাটে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিক্ষোভ
  • ১২ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের থালায় দেওয়া হয়েছে শুধু ভাত আর ডিমসিদ্ধ। নেই ডাল বা কোনও সব্জি। শুকনো ভাত কি খাওয়া যায়! শিশুদের গলায় আটকে বিপদ বাড়বে। এমনই অভিযোগ তুলে সোমবার রামপুরহাটের বড়শাল গ্রামের লেটপাড়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাকে আটকে রেখে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানো হয়। কর্মী ও সহায়িকাকে এই খাবার খেয়ে দেখাতে হবে বলেও দাবি তোলেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব ভবন নেই। শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের একটি ঘরে সেন্টারটি চলে। নেই পানীয় জলের ব্যবস্থাও। নিজস্ব বিল্ডিং এবং পানীয় জলের ব্যবস্থার দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। এরই মধ্যে এবার শিশুদের পাতে দেওয়া খাবার দেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। জানা গিয়েছে, এই কেন্দ্রে ৫০জন শিশু, চারজন প্রসূতি ও দু’জন গর্ভবতী মহিলা খাবার পান। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়। জলের মতো খিচুড়ি দেওয়া হয়। ডাল বা সব্জি দেওয়া হয় না বললেই চলে। এদিন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিশুদের শুকনো ভাত আর ডিমসিদ্ধ দেওয়া হয়। যা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খেতে পারছিল না শিশুরা। সব্জি বা ডাল কিছুই দেওয়া হয়নি। বিক্ষোভকারী সোনামুনি লেট, মামনি লেটরা বলেন, শুধু ভাত আর ডিম কি বাচ্চারা খেতে পারে? একটা ঝোলের মতো সব্জিও তো দিতে পারত। মাঝেমধ্যে এমনই খাবার দিচ্ছে। শিশুরা খেতে পারছে না। 
যদিও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী নন্দিতা ভট্টাচার্য বলেন, সরকার থেকে যা বরাদ্দ করা হয় সেইমতো খাবার দেওয়া হয়। সপ্তাহে তিনদিন খিচুড়ি ও তিনদিন ডিমসিদ্ধ ও ভাত দেওয়া হয়। এখানে আমাদের কোনও দোষ নেই। এব্যাপারে রামপুরহাট-১ ব্লক প্রকল্প আধিকারিক সায়ন্তন মান্না বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী, শুকনো ভাত আর ডিমসিদ্ধ দেওয়া হয়। কোভিডের আগে ভাতের সঙ্গে সব্জি দেওয়া হতো। কোভিডের পর থেকে পরিবর্তন হয়েছে। আমরা গ্রামবাসীদের সেটাই বোঝাব।
সম্পর্কিত সংবাদ