নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শৈশবের বান্ধবীকে খুন করতে ব্যবহার করা হয় বন্ধুকে। ভানুনগরে বিউটিপার্লারের যুবতী খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে এমন তথ্য পেয়েছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিস। অন্যদিকে, ওই যুবতী খুনের ঘটনায় ধৃতের ফাঁসির দাবি উঠেছে। সোমবার এই দাবিতে ভক্তিনগর থানায় বিক্ষোভ দেখান মৃত যুবতীয় আত্মীয় ও প্রতিবেশীরা।
Advertisement
দু’সপ্তাহ আগে ভানুনগরে খুন হন পুষ্পা ছেত্রী নামে ওই যুবতী। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস এক মহিলা সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম প্রীতিকা প্যাটেল, রুস্তম বিশ্বকর্মা ও অভিষেক দর্জি। ঘটনার প্রথমিক তদন্তের পর পুলিস জানিয়েছে, মালবাজারের বাগরাকোটে পুষ্পার বাড়ি। সেখানেই প্রীতিকা ও বাকি দুই অভিযুক্তের বাড়ি। প্রীতিকার শৈশবের বান্ধবী ছিল পুষ্পা। তার সঙ্গে প্রীতিকার স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। যা প্রীতিকা মেনে নিতে পারছিল না। এজন্য সেই শৈশবের বান্ধবীকে খুনের সুপারি দুই বন্ধু রুস্তম ও অভিষেককে দিয়েছিল। যারা পুষ্পারও বন্ধু ছিলেন। যার ফলে সহজে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে পুষ্পাকে নিকেষ করেছিল অভিযুক্তরা। এই ষড়যন্তের সঙ্গে প্রীতিকার স্বামীও জড়িত বলে পুলিসের সন্দেহ।
এদিকে, প্রীতিকা ও রুস্তমকে ধরার পর চেন্নাই থেকে অভিষেককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। রবিবার ধৃতকে ভক্তিনগরে আনা হয়। এ খবর চাউর হতেই এদিন ভক্তিনগর থানায় আসেন মৃতের আত্মীয়, প্রতিবেশীরা। তাঁরা ধৃত অভিষেকের ফাঁসির দাবিতে দফায় দফায় থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। কোনওরকমে বিক্ষোভকারীদের সামাল দিয়ে ধৃতকে জলপাইগুড়ি সিজেএম কোর্টে নিয়ে যায় পুলিস। ধৃতকে আদালত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস জানিয়েছে, যুবতীকে খুনের জন্য অভিষেক ও রুস্তমকে একলক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রীতিকা। অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৭ নভেম্বর দুপুরে ভানুনগরে একটি আবাসনের দোতলার ঘর থেকে ওই যুবতীর গলার নলিকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিস। তারা এই ঘটনার তদন্তে নেমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেও খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র এবং মৃত যুবতীর ফোন এখনও উদ্ধার করতে পারেনি। পুলিস সূত্রের খবর, মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই করেই অভিযুক্তদের নাগাল মিলেছে। খুনের তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র ও মোবাইল ফোনটি গায়েব করেছে।এদিকে, প্রীতিকা ও রুস্তমকে ধরার পর চেন্নাই থেকে অভিষেককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। রবিবার ধৃতকে ভক্তিনগরে আনা হয়। এ খবর চাউর হতেই এদিন ভক্তিনগর থানায় আসেন মৃতের আত্মীয়, প্রতিবেশীরা। তাঁরা ধৃত অভিষেকের ফাঁসির দাবিতে দফায় দফায় থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। কোনওরকমে বিক্ষোভকারীদের সামাল দিয়ে ধৃতকে জলপাইগুড়ি সিজেএম কোর্টে নিয়ে যায় পুলিস। ধৃতকে আদালত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস জানিয়েছে, যুবতীকে খুনের জন্য অভিষেক ও রুস্তমকে একলক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রীতিকা। অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।



