সংবাদদাতা, কাঁথি: মন্দারমণি সহ আশপাশের এলাকায় হোটেল-লজ ও মৎস্যখটিগুলিতে শিশুশ্রমিক খুঁজতে শুরু করেছে জেলা শিশু সুরক্ষা বিভাগ। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অধীন ডিস্ট্রিক্ট টাস্ক ফোর্স এই অভিযান শুরু করেছে। শনিবার মন্দারমণি, তাজপুরে হোটেল, রেস্তরাঁ ও দোকানপাটগুলিতে নজরদারি চালানো হয়। একইসঙ্গে জলধা, নিউ জলধা, দাদনপাত্রবাড় মৎস্যখটিতেও অভিযান চলে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন মন্দারমণি কোস্টাল থানার অফিসার প্রসূন পয়ড়্যা, শিশু কল্যাণ সমিতির সদস্য স্বপন নন্দ, রামনগরের লেবার ইন্সপেক্টর অমর রুইদাস সহ অন্যান্যরা।
Advertisement
প্রতিনিধি দল জানতে পারেন, জলধা এলাকায় মৎস্যখটিতে একাধিক শিশু শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে। তাঁরা সেখানকার মৎস্যখটিতে গিয়ে সন্ধান পান, একজন বালক তার বাবা-মায়ের সঙ্গে কাজ করতে এসেছে। বয়স মাত্র ১২ বছর। বাড়ি ভূপতিনগর থানার কায়েমগেড়িয়া এলাকায়। সে স্কুলে যায় না। তার মা জানান, তাঁরা এখানে চার মাসের জন্য এসেছেন। আর দু’মাস কাজ করে বাড়ি চলে যাবেন। প্রতিনিধিদল তাঁদের শিশু সুরক্ষা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন করেন।
ওই এলাকায় আরও শিশুশ্রমিক যারা রয়েছে, তাদের খোঁজে নজরদারি চলবে বলে জেলা শিশু সুরক্ষা বিভাগের কাঁথি ইউনিটের রিসোর্স পার্সন তথা কাঁথির বোধোদয় হোমের সুপার তাপস জানা জানান। তিনি বলেন, আমরা ওই বালকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। ওই বালককে হোমে রেখে ১৮ বছর পর্যন্ত তার পড়াশোনার দায়িত্ব নেবে সরকার। বালকের মা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের জানাবে বলেছে। এই ধরনের কর্মসূচি লাগাতার চলবে।
ওই এলাকায় আরও শিশুশ্রমিক যারা রয়েছে, তাদের খোঁজে নজরদারি চলবে বলে জেলা শিশু সুরক্ষা বিভাগের কাঁথি ইউনিটের রিসোর্স পার্সন তথা কাঁথির বোধোদয় হোমের সুপার তাপস জানা জানান। তিনি বলেন, আমরা ওই বালকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। ওই বালককে হোমে রেখে ১৮ বছর পর্যন্ত তার পড়াশোনার দায়িত্ব নেবে সরকার। বালকের মা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের জানাবে বলেছে। এই ধরনের কর্মসূচি লাগাতার চলবে।



