সংবাদদাতা, বালুরঘাট: পুজোর মরশুম শেষ হতেই ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা। ফলে কৃষিপ্রধান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে আমন ধান পাকলেও শ্রমিকের অভাবে কাটতে না পারায় জমিতে ধান পড়ে থাকছে। কিছু ক্ষেত্রে শ্রমিক মিললেও মোটা পারিশ্রমিক চাওয়ায় কৃষকদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
Advertisement
মেশিনের সাহায্যে কৃষকরা সাধারণত আমন ধান কাটতে চান না। কারণ মেশিনের সাহায্যে ধান কাটলে খড় পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে খড় বিক্রি করে আয়ের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া মাঠে ধান পড়ে থাকা অবস্থায় অসময়ে বৃষ্টি শুরু হলে কৃষকদের বড় ক্ষতির সম্ভাবনা। সেজন্য কৃষি দপ্তর দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দিচ্ছে। মুখ্য কৃষি আধিকারিক প্রণব মুখোপাধ্যায় বলেন, ধান ৮০ শতাংশ পেকে গেলে কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রচার চালাচ্ছি। ধান কাটার পর সুরক্ষিত জায়গায় রাখতে হবে, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এলে ক্ষতি না হয়। শ্রমিকের অভাব রয়েছে বলে অনেক জায়গায় কৃষকরা ধান কাটতে পারছেন না।
যুবকরা ভিনরাজ্যে কাজে চলে যাওয়ার ফলে এখন জেলার বিভিন্ন এলাকায় মুলত বয়স্ক ও কিছু মহিলা শ্রমিক ধান কাটার কাজ করছেন। তবে তারা অনেক বেশি টাকা চাইছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন কৃষক।
এপ্রসঙ্গে হিলির কৃষক সত্যেন দাস বলেন, হন্যে হয়ে এক সপ্তাহ ধরে ঘুরলেও ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছি না। শেষে মনে হচ্ছে মেশিন দিয়ে ধান কাটতে হবে। সেক্ষেত্রে খড় পাব না আমরা। এমনিতে চাষের খরচ বাড়ছে। তার উপর এভাবে ক্ষতি হতে থাকলে আমাদের চাষ করাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে।
যুবকরা ভিনরাজ্যে কাজে চলে যাওয়ার ফলে এখন জেলার বিভিন্ন এলাকায় মুলত বয়স্ক ও কিছু মহিলা শ্রমিক ধান কাটার কাজ করছেন। তবে তারা অনেক বেশি টাকা চাইছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন কৃষক।
এপ্রসঙ্গে হিলির কৃষক সত্যেন দাস বলেন, হন্যে হয়ে এক সপ্তাহ ধরে ঘুরলেও ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছি না। শেষে মনে হচ্ছে মেশিন দিয়ে ধান কাটতে হবে। সেক্ষেত্রে খড় পাব না আমরা। এমনিতে চাষের খরচ বাড়ছে। তার উপর এভাবে ক্ষতি হতে থাকলে আমাদের চাষ করাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে।



