সংবাদদাতা, রাজগঞ্জ: রাজগঞ্জের বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাকুয়াপাড়ায় পুড়ে গেল একটি ঘর। শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কেউ হতাহত না হলেও ঘরের আসবাব পুড়েছে। তাতে মাথায় হাত পড়েছে গৃহস্থের।
Advertisement
বোদাগঞ্জ সংলগ্ন ঝাকুয়াপাড়ার বাবুসোনা রায় দিনমজুরের কাজ করেন। বাবা মা, স্ত্রী সহ এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে আগুন লাগে। বাড়িতে কেউ না থাকার সময়ই ঘটনাটি ঘটে। তা দেখে স্থানীয়রা আগুন নেভাতে আসেন। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন এলেও স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিভে যায়। বাড়ির কর্তা বলেন, ঋণের ১০ হাজার টাকা সহ ঘরের সামগ্রী, নথী পুড়ে গিয়েছে।
বাড়ির দুই সদস্য শ্যামলী রায়, প্রমীলা রায় বলেন, সকালে আমরা মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলাম। তার মাঝেই ঘরে আগুন লাগে। স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি এসেছিলেন। তিনি ত্রিপল, কম্বল দিয়ে গিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী অলোক রায় বলেন, সকালে হঠাৎ দেখি, আগুন জ্বলছে। কিছু বুঝতে না পেরে জল দেওয়ার চেষ্টা করি। পরবর্তীতে পাশের পুকুর থেকে টুলু পাম্প লাগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। তবে ঘরের কোনও জিনিস উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জামা-কাপড়, চাল ডাল সব পুড়েছে।
এই বিষয়ে বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতি বাবলু রায় বলেন, সকালে এই ঘটনা জানতে পারি। বাড়িতে সমস্ত কিছু পুড়ে গিয়েছে। খাবার আসবাবপত্র সহ সব পুড়েছে। পরিবারটি যাতে সরকারিভাবে সবরকম ক্ষতিপূরণ পায়, তার ব্যবস্থা করা হবে।
বাড়ির দুই সদস্য শ্যামলী রায়, প্রমীলা রায় বলেন, সকালে আমরা মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলাম। তার মাঝেই ঘরে আগুন লাগে। স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি এসেছিলেন। তিনি ত্রিপল, কম্বল দিয়ে গিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী অলোক রায় বলেন, সকালে হঠাৎ দেখি, আগুন জ্বলছে। কিছু বুঝতে না পেরে জল দেওয়ার চেষ্টা করি। পরবর্তীতে পাশের পুকুর থেকে টুলু পাম্প লাগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। তবে ঘরের কোনও জিনিস উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জামা-কাপড়, চাল ডাল সব পুড়েছে।
এই বিষয়ে বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতি বাবলু রায় বলেন, সকালে এই ঘটনা জানতে পারি। বাড়িতে সমস্ত কিছু পুড়ে গিয়েছে। খাবার আসবাবপত্র সহ সব পুড়েছে। পরিবারটি যাতে সরকারিভাবে সবরকম ক্ষতিপূরণ পায়, তার ব্যবস্থা করা হবে।



