Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

শ্রমিকদের বাঁচার আশা ক্ষীণ, মানলেন মন্ত্রী

শ্রমিকদের বাঁচার আশা ক্ষীণ, মানলেন মন্ত্রী
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
হায়দরাবাদ: তেলেঙ্গানা নগরকুর্নুলে সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকদের বেঁচে থাকার আশা ‘খুব ক্ষীণ’। একথা স্বীকার করে নিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী জুপাল্লি কৃষ্ণরাও। তবে তাঁদের উদ্ধার করতে এখনও সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন  তিনি। ২০২৩ সালে উত্তরাখণ্ডের সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গ দুর্ঘটনায় আটক শ্রমিকদের উদ্ধার করতে সফল হয়েছিলেন র‌্যাট মাইনাররা। তাঁদেরও নগরকুর্নুলে নিয়ে এনে উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার সঙ্গে রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), ভারতীয় সেনা। সুড়ঙ্গের ভিতরে ঠিক কোন জায়গায় ওই আট শ্রমিক আটকে পড়েছেন, তা জানতে অত্যাধুনিক এন্ডোস্কপিক ও রোবোটিক ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রাণের সন্ধান পেতে কাজে লাগানো হয়েছে এনডিআরএফের ডগ স্কোয়াডকেও। এর মাঝেই আরও আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ ক্রিস কুপার। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের বিপর্যয়ের পর গোটা এলাকাই ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে সেখানে ফের খোঁড়াখুড়ি করা বিপজ্জনক হতে পারে। 
Advertisement
মন্ত্রী জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে জল-কাদা, সিমেন্ট, ভেঙে পড়া যন্ত্রাংশ রয়েছে। সেগুলি সরানোই এখন চ্যালেঞ্জ। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে আরও তিন-চারদিন সময় লেগে যেতে পারে। কৃষ্ণরাও এদিন বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে শ্রমিকদের বেঁচে থাকার আশা অত্যন্ত ক্ষীণ। আমি নিজে দুর্ঘটনাস্থলের ৫০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত পৌঁছেছিলাম। সুড়ঙ্গের ৩০ ফুটের মধ্যে ২৫ ফুট জল-কাদা, ধ্বংসস্তূপে ভর্তি হয়ে রয়েছে। শ্রমিকদের নাম ধরে ডেকেও কোনও সাড়া মেলেনি। ফলে আশা কার্যত নেই।’ উদ্ধারকাজের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এন্ডোস্কপিক ক্যামেরার সাহায্যে সুড়ঙ্গের ভিতরে কী হচ্ছে, তা নজরে রাখা হচ্ছে। এর আগে সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গেও এই ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছিল। নজর রাখার পাশাপাশি ক্রমাগত অক্সিজেন সরবরাহ ও জল-কাদা বের করার কাজও চলেছে। শনিবার সকালে নগরকুর্নুলের শ্রীশৈলম 
বাঁধের কাছে সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ করছিলেন ৫০ জন শ্রমিক। ২০০ মিটার লম্বা টানেল বোরিং মেশিন ব্যবহার করে কাজের সময় সুড়ঙ্গটির বাঁ দিকের ছাদের প্রায় তিন মিটার অংশ ভেঙে পড়ে। ৪২ জন বেরিয়ে আসতে পারলেও মেশিনের সামনের দিকে থাকা আটজন আটকে পড়েন। ভেঙে যায় ওই বিশালাকার মেশিনটিও। এমনকী সুড়ঙ্গের এয়ার চেম্বার ও কনভেয়ার বেল্টও নষ্ট হয়ে যায়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ