Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শ্রমিক ছদ্মবেশে বর্ধমানে আশ্রয় বাংলাদেশিদের 

শ্রমিক ছদ্মবেশে বর্ধমানে আশ্রয় বাংলাদেশিদের 
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: শ্রমিকের বেশে বর্ধমানে আশ্রয় নিচ্ছে বাংলাদেশিরা। বাজেপ্রতাপপুর থেকে আওয়ামি লিগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস এমনটাই জনতে পেরেছে। সে বর্ধমানে রাজমিস্ত্রির জোগানদারের কাজ করত। তাকে জেরা করেই পুলিস আকাশ দাস নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। সে নিজেকে ত্রিপুরার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেয়। পুলিস তাকে দীর্ঘ জেরা করে জানতে পেরেছে, সে ত্রিপুরার বাসিন্দা নয়। নাম, ঠিকানা সব ভুল বলেছে। তবে সে বাংলাদেশ নাকি মায়ানমার কোন দেশের বাসিন্দা পুলিস এখনও জানতে পারেনি। কোনও বৈধ নথিও দেখাতে পারেনি। অতিরিক্ত পুলিস সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আর কেউ লুকিয়ে রয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনুস বাংলাদেশের মসনদে বসার পর বহু বাংলাদেশি সীমান্ত টপকে এপারে এসেছে। তাদের এদিকে নিয়ে আসার জন্য একটি বড় চক্র কাজ করছে। তারা অনুপ্রবেশকারীদের কিছুদিন সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে রেখে দিচ্ছে। পরে তাদের শ্রমিক সাজিয়ে পূর্ব বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। তাদের ঘরভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছে এজেন্টরা। আসানসোলের বাসিন্দা এক এজেন্ট গ্রেপ্তারও হয়েছে। এজেন্টরা শ্রমিকের কাজও জোগাড় করে দিত। তার বিনিময়ে তারা টাকা নিত। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বাংলাদেশিরা পরিচয় গোপন করে বর্ধমানে থাকতে শুরু করায় অনেকেরই খাগড়াগড়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেখানে জেএমবি জঙ্গিরা নিজেদের পরিচয় গোপন করে ডেরা বেঁধেছিল। বিস্ফোরণের পর পুলিসের হুঁশ ফেরে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে পুলিস এবং রাজ্যের একাধিক গায়েন্দা সংস্থা তৎপর হয়েছে। তারা বর্ধমান শহর ছাড়াও কালনা এবং কাটোয়া মহকুমার কয়েকটি এলাকায় নজরদারি শুরু করেছে। জামালপুরের কয়েকটি এলাকাও পুলিসের স্ক্যানারে রয়েছে। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, এলাকায় কারা ঘরভাড়া নিচ্ছে সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। পরিচয়পত্র ছাড়া কোনওভাবেই ঘর ভাড়া দেওয়া যাবে না বলে মালিকদের জানানো হয়েছে। কারও গতিবিধি সন্দেহজনক থাকলে সেটা স্থানীয় থানায় জানাতে বলা হয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ