সংবাদদাতা, তেহট্ট: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পেয়েও ঘর না করার অভিযোগে ৫৯ জনকে শো-কজ করল তেহট্ট-১ ব্লক প্রশাসন। তাঁদের সাত দিনের মধ্যে ঘর তৈরির কাজ শুরু করার জন্য বলা হয়েছে। যদি তাঁরা সাত দিনের মধ্যে ঘর তৈরি শুরু না করেন তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিডিও সঞ্জীব সেন জানিয়েছেন।
Advertisement
ব্লক প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে, তেহট্ট-১ ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রথম পর্যায়ে ১৯১৯ জন বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন। এরপর উপভোক্তাদের ঘর তৈরির শুরু করার কথা। ঘর শুরু হয়েছে তার ছবি ও সরজমিনে তদন্তের পরই দ্বিতীয় কিস্তির ৫০ হাজার টাকা পাবেন উপভোক্তারা। এরমধ্যে ঘরের কাজ কেমন হচ্ছে তা সরজমিনে দেখতে যান ব্লক প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক। তাঁরা গিয়ে দেখেন অনেকেই দু’মাস আগে টাকা পেলেও ঘর তৈরির কাজ শুরুই করেননি। তারপর বিডিও তাঁদের সাতদিনের মধ্যে ঘর তৈরির কাজ শুরু করার জন্য শো-কজ নোটিস পাঠান।
তেহট্ট-১ ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে বেতাই-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২ জন এখনও ঘর তৈরির কাজ শুরু করেননি। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ২৬৪ জন উপভোক্তা রয়েছেন। একইভাবে বেতাই-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬ জন, তেহট্ট গ্রাম পঞ্চায়েতে ২ জন, ছিটকা গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৬ জন, পাথরঘাটা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ১১ জন, শ্যামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে ২ জন উপভোক্তা ঘর তৈরি শুরু করেননি। বাকি চাঁদের ঘাট, নাটনা, রঘুনাথপুর, পাথরঘাটা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সব উপভোক্তা ঘর শুরু করে দিয়েছেন। এই ৫৯ জন উপভোক্তাকে বিডিও সাত দিনের মধ্যে ঘর তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।
বিডিও বলেন, সাত দিনের মধ্যে তাঁরা ঘর তৈরি শুরু না করলে আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তেহট্ট-১ ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে বেতাই-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২ জন এখনও ঘর তৈরির কাজ শুরু করেননি। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ২৬৪ জন উপভোক্তা রয়েছেন। একইভাবে বেতাই-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬ জন, তেহট্ট গ্রাম পঞ্চায়েতে ২ জন, ছিটকা গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৬ জন, পাথরঘাটা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ১১ জন, শ্যামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে ২ জন উপভোক্তা ঘর তৈরি শুরু করেননি। বাকি চাঁদের ঘাট, নাটনা, রঘুনাথপুর, পাথরঘাটা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সব উপভোক্তা ঘর শুরু করে দিয়েছেন। এই ৫৯ জন উপভোক্তাকে বিডিও সাত দিনের মধ্যে ঘর তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।



