সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: ধ্রুপদি সঙ্গীতের সুরে শুরু হল ৩৭তম বিষ্ণুপুর মেলা। সোমবার দুপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়। বিকেলে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, খাদ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি প্রমুখ। মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এদিন মঞ্চে গান করেন। তার তালে কয়েকশো ছাত্রী নাচ করেন এবং গলা মেলান।
Advertisement
পর্যটন মন্ত্রী বলেন, বিষ্ণুপুর মেলা রাজ্যের মধ্যে অন্যতম একটি জনপ্রিয় মেলা। এবার এই মেলায় আমি উদ্বোধক হিসেবে এসেছি। তবে আগামী বছর সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে আসব। মন্ত্রী মলয়বাবু বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যে সব সরকারি প্রকল্প চালু করেছেন তার প্রচারের জন্য একাধিক মেলার আয়োজন করেছেন। সমবায় থেকে শুরু করে হস্তশিল্প, সঙ্গীত থেকে শুরু করে কৃষিবিভিন্ন ধরনের মেলা হচ্ছে। কৃষকরা অপেক্ষা করেন মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের জন্য কী বার্তা দিচ্ছেন। তা মেলার মাধ্যমে তাঁরা জানতে পারেন। ২০১১ সালের আগে এসব কিছুই ছিল না। গোটা দেশে যে কয়েকটি পুরনো শহর রয়েছে তারমধ্যে বিষ্ণুপুর অন্যতম। এখানে এত সুন্দর মেলা হয় তা শুনেছিলাম। এবার চাক্ষুষ করলাম।
মেলার উদ্বোধনের দিনেই ব্যাপক ভিড় হয়। উদ্বোধনের শোভাযাত্রায় আদিবাসী নৃত্য থেকে শুরু করে রনপা নৃত্য সহ বিভিন্ন স্কুল ও সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন। ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেলা চলবে। চারটি মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। মোট ২৬৭টি সরকারি স্টল বসেছে। এখানে ৫০০-র বেশি হস্তশিল্পী তাঁদের শিল্পকর্ম নিয়ে বসেছেন। যামিনী রায়ের ছবির থিমে মেলা সেজে উঠেছে।
মেলা কমিটির সচিব তথা বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মঞ্চে বাইরের শিল্পীদের পাশাপাশি জেলার শিল্পীদেরও অনুষ্ঠান করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মেলায় বালুচরি, ডোকরা ও পোড়ামাটির শিল্পকর্ম স্টলেই তৈরি করা দেখতে পাওয়া যাবে।মেলার উদ্বোধনের দিনেই ব্যাপক ভিড় হয়। উদ্বোধনের শোভাযাত্রায় আদিবাসী নৃত্য থেকে শুরু করে রনপা নৃত্য সহ বিভিন্ন স্কুল ও সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন। ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেলা চলবে। চারটি মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। মোট ২৬৭টি সরকারি স্টল বসেছে। এখানে ৫০০-র বেশি হস্তশিল্পী তাঁদের শিল্পকর্ম নিয়ে বসেছেন। যামিনী রায়ের ছবির থিমে মেলা সেজে উঠেছে।



