নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: শহরজুড়ে দিন দিন বাড়ছে যানজট। নিত্যদিন সমস্যায় পড়তে হয় শহরবাসীকে। সোমবার বিধানসভায় শপথ নেওয়ার পর সর্বপ্রথম শহরের যানজট সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলেন নব নির্বাচিত বিধায়ক সুজয় হাজরা। এদিন বিধায়কের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান নেতা-কর্মীরা। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, বর্তমান সময়ে মেদিনীপুর শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা যানজট। সেই সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন বিধায়ক। এনিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকও করবেন সুজয়বাবু। যানজটের সমস্যা সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছে শহরবাসীও।
Advertisement
এদিন শপথ নেওয়ার পর জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক সুজয়বাবু বলেন, দারুণ এক অভিজ্ঞতা হল। দল বড় দায়িত্ব দিয়েছে। মানুষের জন্য অনেক কাজ করতে হবে। তবে সবার আগে শহরের যানজট সমস্যার সমাধান করতে চাইছি। কারণ ঐতিহাসিক এই শহরে যানজটের জেরে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হয়। যানজটমুক্ত শহর গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এনিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হবে।
স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে মেদিনীপুর শহরের উল্লেখ রয়েছে। বহু প্রাচীন এই শহরে অলিগলির সংখ্যাও বেশি। বাম আমলে শহর নিয়ে কোনও পরিকল্পনা না হওয়ায় আজও তার ফল ভুগতে হচ্ছে শহরবাসীকে। তার সঙ্গে দিন দিন বাড়ছে টোটো, বাইক, চার চাকা গাড়ির সংখ্যা। সামনে বড়দিনের উৎসব আসছে। তাই যানজট নির্মূল করাই প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে সারা দিনে প্রায় আট হাজার টোটো যাতায়াত করে। তবে তার মধ্যে প্রায় তিন হাজার টোটোর মালিক বা চালক শহরের। বাকি টোটো গ্রাম থেকে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মেদিনীপুর শহরের কালেক্টরেট মোড়, তাঁতিগেড়িয়া, বিদ্যাসাগর মোড়, গান্ধীর মোড়, বটতলা, স্কুল বাজার, বড় বাজার, জগন্নাথ মন্দির চক সহ একাধিক এলাকায় যানজট সবচেয়ে বেশি হয়। পুরসভা যানজটের সমস্যার সমাধান করলেও সেভাবে সফল হয়নি। এরফলে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। এক তৃণমূল নেতা বলেন, সুজয়বাবুর বাড়িও শহর এলাকায়। শহরের মধ্যে দিয়ে অফিস টাইমে ৫ মিনিটের রাস্তা যেতে ১৫ মিনিটের বেশি সময় লাগে। উপ নির্বাচনের আগে ও পরে যানজট নিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শুনেছেন সুজয়বাবু। এই সমস্যার সমাধান করলে খুবই উপকার হবে। গোষ্ঠী কোন্দল ছেড়ে সমস্ত নেতৃত্বকে যানজটের সমস্যার সমাধান করতে এগিয়ে আসা উচিত। মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা গোপাল দত্ত বলেন, যানজটের কারণে শহরের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়াও সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে অনেকেই প্রতিশ্রুতি দিয়েও সমস্যা সমাধান করেনি। আশা করছি সুজয়বাবু এই সমস্যার সমাধান করবেন।জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, এতদিন ক্ষমতায় থাকার পর কেন যানজটের সমস্যার সমাধান হয়নি। সুজয়বাবু প্রতিশ্রুতি দিলেন ঠিকই কিন্তু, সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে হয় না। তবে যদি এই সমস্যার সমাধান হয় সাধুবাদ জানাব।
স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে মেদিনীপুর শহরের উল্লেখ রয়েছে। বহু প্রাচীন এই শহরে অলিগলির সংখ্যাও বেশি। বাম আমলে শহর নিয়ে কোনও পরিকল্পনা না হওয়ায় আজও তার ফল ভুগতে হচ্ছে শহরবাসীকে। তার সঙ্গে দিন দিন বাড়ছে টোটো, বাইক, চার চাকা গাড়ির সংখ্যা। সামনে বড়দিনের উৎসব আসছে। তাই যানজট নির্মূল করাই প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে সারা দিনে প্রায় আট হাজার টোটো যাতায়াত করে। তবে তার মধ্যে প্রায় তিন হাজার টোটোর মালিক বা চালক শহরের। বাকি টোটো গ্রাম থেকে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মেদিনীপুর শহরের কালেক্টরেট মোড়, তাঁতিগেড়িয়া, বিদ্যাসাগর মোড়, গান্ধীর মোড়, বটতলা, স্কুল বাজার, বড় বাজার, জগন্নাথ মন্দির চক সহ একাধিক এলাকায় যানজট সবচেয়ে বেশি হয়। পুরসভা যানজটের সমস্যার সমাধান করলেও সেভাবে সফল হয়নি। এরফলে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। এক তৃণমূল নেতা বলেন, সুজয়বাবুর বাড়িও শহর এলাকায়। শহরের মধ্যে দিয়ে অফিস টাইমে ৫ মিনিটের রাস্তা যেতে ১৫ মিনিটের বেশি সময় লাগে। উপ নির্বাচনের আগে ও পরে যানজট নিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শুনেছেন সুজয়বাবু। এই সমস্যার সমাধান করলে খুবই উপকার হবে। গোষ্ঠী কোন্দল ছেড়ে সমস্ত নেতৃত্বকে যানজটের সমস্যার সমাধান করতে এগিয়ে আসা উচিত। মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা গোপাল দত্ত বলেন, যানজটের কারণে শহরের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়াও সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে অনেকেই প্রতিশ্রুতি দিয়েও সমস্যা সমাধান করেনি। আশা করছি সুজয়বাবু এই সমস্যার সমাধান করবেন।জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, এতদিন ক্ষমতায় থাকার পর কেন যানজটের সমস্যার সমাধান হয়নি। সুজয়বাবু প্রতিশ্রুতি দিলেন ঠিকই কিন্তু, সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে হয় না। তবে যদি এই সমস্যার সমাধান হয় সাধুবাদ জানাব।



