Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মহাসড়কের কাজে ভাঙছে দোকান, ফ্লেক্স ঝুলিয়ে আবেদন বৃদ্ধার

ফালাকাটা-সলসলাবাড়ি মহাসড়কের কাজ শুরু হতেই রাস্তার ধারের ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলন কোথাও কোথাও সফল হয়েছে।

মহাসড়কের কাজে ভাঙছে দোকান, ফ্লেক্স ঝুলিয়ে আবেদন বৃদ্ধার
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ফালাকাটা: ফালাকাটা-সলসলাবাড়ি মহাসড়কের কাজ শুরু হতেই রাস্তার ধারের ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলন কোথাও কোথাও সফল হয়েছে। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শালকুমার মোড়, পলাশবাড়ি, মেজবিল, পুঁটিমারি মোড়ের ব্যবসায়ীরা শিলবাড়িহাট ব্যবসায়ী সমিতির অধীনে থেকে সম্প্রতি আন্দোলন করেছিলেন। এজন্য কয়েকমাস আগে পলাশবাড়ির ব্যবসায়ীদের পলাশবাড়িতেই পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে। তবে শালকুমার মোড়, মেজবিলের ব্যবসায়ীরা এখনো পুনর্বাসন পাননি। যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। 

Advertisement

এবার শালকুমার মোড়ের এক ষাটোর্ধ্ব ব্যবসায়ীর আন্দোলন নজর কাড়ল সকলের। বুধেশ্বরী বর্মন নামে এক বিধবা ৪০ বছর ধরে শালকুমার মোড়ে চায়ের দোকান করতেন। বৃদ্ধার স্বামী অনেক আগেই মারা যান। সন্তান নেই। তিনি একাই থাকেন। নিজের থাকার ঘরও নেই। এতদিন দোকানেই থাকতেন। কিন্তু মহাসড়কের কারণে সেই দোকান ভাঙা পড়েছে। তারপর থেকে তিনি ভাইপোর বাড়িতে থাকেন। বুধেশ্বরী বর্মনও পুনর্বাসনের দাবিতে শিলবাড়িহাট ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে আন্দোলনে শামিল ছিলেন। কিন্তু তিনি পুনর্বাসন পাননি। তাই এবার শালকুমার মোড়ে নিজের উদ্যোগে ফ্লেক্স ঝুলিয়েছেন। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে’র উদ্দেশ্যে লিখেছেন, জাতীয় সড়ক নির্মাণের ফলে দোকান ভাঙা পড়েছে। জেলা পরিষদের তরফে আমাকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল পলাশবাড়িতে পুনর্বাসন দেওয়া হবে। কিন্তু আমাকে দোকান কিংবা পুনর্বাসন দেওয়া হয়নি। আমাকে দোকান ঘর দেওয়া হোক। 
যদিও এ প্রসঙ্গে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে বলেন, রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য কিছু দোকান ভাঙা পড়েছে। ওই বৃদ্ধার ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখব। অবশ্যই বৃদ্ধার পাশে দাঁড়াব। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ