নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: এসআইআর নিয়ে রহড়া বাজারে নিজের কার্যালয়ে বসে শনিবার নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সোচ্চার হলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, ‘৪ তারিখ থেকে এসআইআর চালু হয়েছে। কিন্তু আমার বিধানসভার ১২০ নম্বর বুথে এখনও কোনও বিএলও আসেননি। এলাকাটি পানিহাটি পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে। আবার ২০৯, ২১১, ২২৩, ২২৪, ২৩০, ২৩১, ২৩২ নম্বর বুথে বিএলও সন্ধ্যেবেলা আসছেন। সন্ধ্যায় বাড়ি বাড়ি যাওয়া সম্ভব? এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে বিএলওদের। এভাবে গড়িমসি করলে সব বাড়িতে ফর্ম দেওয়া কি সম্ভব হবে?’ প্রবীণ মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, ২০০২ সালে দু’বছর ধরে এসআইআর হয়েছিল। এবার মাত্র দু’মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এত কম সময়ে কীভাবে সব বাড়িতে পৌঁছনো সম্ভব? তিনি বুথের নম্বর দিয়ে তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারকে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন। বিস্তারিত অভিযোগ জানিয়েছেন বারাকপুরের এসডিও সৌরভ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর আরও বক্তব্য, ‘আমি ন’বারের বিধায়ক। ৩৫ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি। আমাকেও ফর্ম ফিল আপ করতে হচ্ছে। যেভাবে বিজেপি নেতারা বলছেন, এক কোটি নাম বাদ দেওয়া হবে, তাতে মানুষের মনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তাই মৃত্যুমিছিল দেখা যাচ্ছে। গত কয়েকদিনে ১৭ জন আত্মহত্যা করেছেন।’



