সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: সবেমাত্র দেখা মিলছিল ইলিশের। হাসি ফুটছিল মৎস্যজীবীদের মুখে। এর মধ্যে বাধা হয়ে এসে দাঁড়াল প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ফেল তিনদিন পর সমুদ্র থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হলেন মৎস্যজীবীরা।
সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: সবেমাত্র দেখা মিলছিল ইলিশের। হাসি ফুটছিল মৎস্যজীবীদের মুখে। এর মধ্যে বাধা হয়ে এসে দাঁড়াল প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ফেল তিনদিন পর সমুদ্র থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হলেন মৎস্যজীবীরা।
বুধ ও বৃহস্পতিবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্কবার্তা থাকার কারণে সবাইকে উপকূলে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। বন্দরগুলিতে মাইকিং করা হয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে সমুদ্র এখন উত্তাল। ফলে মঙ্গলবার রাতের মধ্যে সব ট্রলার ফিরে এসেছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ নোঙর করেছে পাথরপ্রতিমার সীতারামপুর, নামখানার হরিপুর ও কেঁদুয়া দ্বীপে। সেখানে দু’দিন দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবে। দুর্যোগ কেটে গেলে ফের পাড়ি দেবে সমুদ্রে। নাড়ুগোপাল সাঁতরা নামে এক মৎস্যজীবী বলেন, ‘১০ মন মাছ ধরেছি। এই সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্কবার্তা দেওয়া এল। সবাই উপকূলে ফিরে এসেছি। সমুদ্র এখন খুব উত্তাল। আস্তে আস্তে ট্রলার চালিয়ে ফিরতে হয়েছে।’ কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, ‘সব ট্রলারই সমুদ্র থেকে ফিরেছে। সবাই কমবেশি ইলিশ পেয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৪০০ টনেরও বেশি ইলিশ বাজারে এসেছে। সাইজ খুব ভালো। দুর্যোগ কেটে গেলে ফের সমুদ্রে যাওয়া হবে। আগামী দিনে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ভালো পরিমাণ ইলিশ মেলার সম্ভাবনা আছে।’