Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শান্তিপুরে উদ্ধার ২২০০ কিলো ভেজাল হলুদ, বাজেয়াপ্ত সরঞ্জাম

শান্তিপুরে উদ্ধার ২২০০ কিলো ভেজাল হলুদ, বাজেয়াপ্ত সরঞ্জাম
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: দিনে-দুপুরে ভেজাল মশলার ব্যবসা! অস্বাস্থ্যকর রং এবং রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে ভোজ্য হলুদ! নদীয়ার শান্তিপুর থানার অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ ভেজাল হলুদ। সেই সঙ্গে হলুদ তৈরির সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত হয়। সোমবার গভীর রাতে পুলিসি অভিযানে বেআইনি ব্যবসার পর্দাফাঁস হয়। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। 
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিপুর থানার বাগআঁচড়া এলাকায় দিনের পর দিন ধরে চলছিল এই বেআইনি কারবার। লোকনাথ সাহা নামে এক ব্যক্তির সেখানে হলুদ তৈরির কারখানা রয়েছে। ভোজ্য হলুদ তৈরির নামে সেখানে ভেজাল তৈরি হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পান তদন্তকারীরা। সেইমতো সোমবার রাতে সেখানে হানা দেয় শান্তিপুর থানার পুলিস। তাতেই ২ হাজার ২০০ কেজি ভেজাল হলুদ উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও কয়েক রকমের রাসায়নিক এবং অস্বাস্থ্যকর পদার্থ উদ্ধার করেছে পুলিস। সেগুলির সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। 
জানা গিয়েছে, চালের গুঁড়োর সঙ্গে বেশকিছু রাসায়নিক মিশিয়ে ওই কারখানায় ভোজ্য হলুদ তৈরি করা হতো। অভিযানে কারখানার মালিক লোকনাথ সাহা এবং পরিতোষ মল্লিক নামে এক ব্যক্তিকে প্রথমে আটক করে পুলিস। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রানাঘাটের এসডিপিও সবিতা গটিয়াল বলেন, আমরা খবর পেয়েই অভিযান চালিয়েছি। প্রাথমিকভাবে যা তথ্যপ্রমাণ মিলেছে তাতে দেখা গিয়েছে, ভেজাল হলুদ তৈরি হচ্ছিল। আমরা নমুনা সংগ্রহ করেছি। চালের গুঁড়ো, ময়দার মিশ্রণ এবং বেশকিছু রাসায়নিক দিয়ে তৈরি হলুদ প্যাকেটে ভরে বাজারে বিক্রি করা হতো। স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের ভেজাল হলুদ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আমাদের অভিযান চলবে। পরবর্তীতে পুলিস আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে। উল্লেখ্য, ভেজাল হলুদ তৈরির এই কারবার রানাঘাট মহকুমায় এটাই প্রথম নয়। এর আগেও রানাঘাট পুলিস জেলার এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের হানায় একাধিক ভেজাল হলুদ কারখানার পর্দা ফাঁস করা সম্ভব হয়েছে। সেই তালিকায় নবতম সংযোজন শান্তিপুর থানা এলাকার বাগআঁচড়া গ্রামের এই কারখানা। -নিজস্ব চিত্র
সম্পর্কিত সংবাদ