সংবাদদাতা, বোলপুর: আপাত নজরে দেখে মনে হবে রাস্তার ধারে একটি সাধারণ দোকান। কিন্তু, একের পর এক বাইক, চারচাকা আসছে আর পেট্রল, ডিজেল ভরে চলে যাচ্ছে। গতানুগতিক যে ধরনের পেট্রল পাম্প স্টেশন হয়, তার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এভাবেই পাঁচমাসের বেশি সময় ধরে শান্তিনিকেতন থানার রূপপুরের আদিবাসীপাড়া সংলগ্ন এলাকায় চলছিল ওই অনুমোদনহীন পেট্রল পাম্প। অথচ পুলিস ও পঞ্চায়েতের কাছে নাকি এবিষয়ে কোনও খবর ছিল না। ফলে তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এরপর সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। রবিবার অকুস্থলে গিয়ে ওই পাম্পটি সিল করে পুলিস। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করার পর পাম্পের কর্মী ও মালিককে গ্রেপ্তার করেছে শান্তিনিকেতন থানা।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈধ পেট্রল পাম্প স্টেশন তৈরির ছাড়পত্র পাওয়া মোটেই সহজ বিষয় নয়। অনুমোদন পাওয়ার জন্য পাম্প মালিককে প্রচুর খড়কুটো পোড়াতে হয়। আমাদের দেশে কয়েকটি সরকারি সংস্থা রয়েছে। মূলত, এই সংস্থাগুলি পেট্রল পাম্প স্টেশন করার জন্য প্রথমে বিজ্ঞাপন দেয়। শহর এলাকায় একটি স্টেশন করার জন্য ন্যূনতম ২০ বাই ২০ মিটার জায়গার প্রয়োজন হয়। এরপর ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও এক্সক্লুসিভ সেফটি অর্গানাইজেশন(পেসো) ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদন লাগে। নিরাপত্তা জনিত নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট ও ক্লিয়ারেন্স পাওয়া এক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক। আবেদনকারীদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করে, সিকিউরিটি ডিপোজিট নেওয়ার পর লটারির মাধ্যমে একজন ব্যবসায়ীকে বেছে নেওয়া হয়। অথচ, জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধভাবে পেট্রল পাম্প গজিয়ে উঠছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অনুমোদিত পাম্প মালিকরা।



