সংবাদদাতা, বোলপুর: তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হল শান্তিনিকেতন থানার রূপপুর পঞ্চায়েতের মোমিনপুর। বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। বেশ কিছুদিন ধরেই ঘাসফুল শিবিরেরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে রাজনৈতিক লড়াই চলছে। এই ঘটনায় আগেই ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তারপরেও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি ও ইট বৃষ্টির ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এক সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ মোট চারজন জখম হন। খবর পেয়ে শান্তিনিকেতন থানার বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেখানে ১০ জন মহিলাকে আটক করেছে পুলিস। তার মধ্যে আটজনকে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ, শুক্রবার তাদের বোলপুর আদালতে তোলা হবে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার মোমিনপুরের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একাংশ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে দেখা করতে বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়ে যান। সেই ‘অপরাধে’ তিনজনকে ওইদিন বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাতে গুরুতর জখম হন নূর আফসার মোল্লা, সাদের আলি মিঞা ও মুজিবর মিঞা। পরবর্তীতে তাঁদের বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্তদের দাবি, তাঁরা বোলপুর পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সঙ্গীতা দাসের স্বামী বাবু দাসের অনুগামীদের দ্বারা আক্রান্ত হন। কিন্তু সেদিন যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাবু দাস। ওইদিনের ঘটনায় পুলিস পক্ষে-বিপক্ষের মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতে এদিন ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মোমিনপুর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল ওই এলাকায় সানার মিঞা নামের এক ব্যক্তির বিয়ে ছিল। এদিন সেই বিয়ে বাড়িতে তৃণমূলের দু’পক্ষের মহিলাদের মধ্যে বাদানুবাদ চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। শুরু হয় হাতাহাতি। এমনকী, দু’পক্ষের মধ্যে প্রবল ইট ছোঁড়াছুঁড়িও হয়। তাতে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ মোট চারজন জখম হন। অনুব্রত অনুগামী তোফাজুল মিঞা, মিঠুন মিঞা বলেন, আমাদের এলাকায় বাবু দাসের কর্তৃত্ব দিন দিন কমছে। তাতে তিনি হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। বিষয়টি দলকে জানাব। যদিও এ বিষয়ে বাবু দাস সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এটি পারিবারিক বিবাদ। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।
( এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিস। -নিজস্ব চিত্র)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল ওই এলাকায় সানার মিঞা নামের এক ব্যক্তির বিয়ে ছিল। এদিন সেই বিয়ে বাড়িতে তৃণমূলের দু’পক্ষের মহিলাদের মধ্যে বাদানুবাদ চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। শুরু হয় হাতাহাতি। এমনকী, দু’পক্ষের মধ্যে প্রবল ইট ছোঁড়াছুঁড়িও হয়। তাতে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ মোট চারজন জখম হন। অনুব্রত অনুগামী তোফাজুল মিঞা, মিঠুন মিঞা বলেন, আমাদের এলাকায় বাবু দাসের কর্তৃত্ব দিন দিন কমছে। তাতে তিনি হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। বিষয়টি দলকে জানাব। যদিও এ বিষয়ে বাবু দাস সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এটি পারিবারিক বিবাদ। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।
( এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিস। -নিজস্ব চিত্র)



