সংবাদদাতা, বোলপুর: শান্তিনিকেতন থানার পাঠশালার দুঃস্থ পড়ুয়াদের নিয়ে গণ ভাইফোঁটার আয়োজন করলেন ওসি কস্তুরী মুখোপাধ্যায়। প্রায় ৭০জন শিশুকে তিনি নিজের হাতে ফোঁটা দিলেন। শান্তিনিকেতনের প্রবীণ নাগরিক ও আশ্রমিকরাও এই আনন্দ-অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ফোঁটা দেওয়ার পর কচিকাঁচাদের জন্য ছিল উপহার ও খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। লুচি, আলুর দম, মিষ্টি, পায়েস খেয়ে তাদের খুশির ঠিকানা ছিল না।
Advertisement
বিশ্বভারতীর মেলার মাঠের উল্টোদিকেই এসডিপিও অফিস ও শান্তিনিকেতন থানা রয়েছে। আটবছর আগে থানার ভিতরই দুঃস্থ পড়ুয়াদের জন্য পাঠশালা খোলা হয়। সেখানে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি অবধি প্রায় ১০০জন পড়াশোনা করে। থানার আশপাশের পূর্বপল্লি, গুরুপল্লি, রতনপল্লি, ভুবনডাঙা, সুরশ্রীপল্লি প্রভৃতি এলাকায় প্রচুর দুঃস্থ পরিবার রয়েছে। সেসব পরিবারের কচিকাঁচাদের পড়াশোনার জন্য শান্তিনিকেতন থানার পুলিস এই পাঠশালা চালু করেছে।
থানা প্রাঙ্গণেই প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে পঠনপাঠন চলে। সেখানে পড়ানোর জন্য তিনজন শিক্ষককে নিযুক্ত করা হয়েছে। কচিকাঁচাদের ছবি আঁকা, গানও শেখানো হয়। থানার সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে শুরু করে কনস্টেবল, এএসআই, এসআই-যিনি যখন সুযোগ পান ক্লাস নেন। সময় পেলে খোদ ওসি সেখানে পড়ান। বিশ্বভারতীর পাঠভবনের প্রাক্তন পার্শ্বশিক্ষিকা সুমিত্রা খাঁও নিয়মিত পড়ুয়াদের অঙ্ক ও বিজ্ঞান পড়ান।
পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটদের জন্য বছরভর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করে শান্তিনিকেতন থানা। তার মধ্যে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী, বৃক্ষরোপণ, বসন্ত উৎসব, ভাইফোঁটা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। দিনদিন থানার পাঠশালায় দুঃস্থ পড়ুয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বছরভর পড়াশোনা চললেও বিভিন্ন উৎসব উদযাপনের জন্য পড়ুয়ারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। এদিন ভাইফোঁটা উপলক্ষে তাদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিন সাতসকালে স্নান করে, নতুন জামাকাপড় পরে তারা শান্তিনিকেতন থানায় হাজির হয়। এরপর তাদের ভাইফোঁটা দেন ওসি সহ থানার অন্য মহিলা আধিকারিক ও কর্মীরা। পড়ুয়ারাও ওসি ম্যাডামকে ফোঁটা দেয়। এরপর সবাই মিলে একসঙ্গে পাত পেড়ে খাওয়াদাওয়া করেন।
পড়ুয়াদের মধ্যে পূর্ণিমা, রাজা, রঞ্জন, বর্ষা বলল, কবে ভাইফোঁটা আসবে- তার জন্য আমরা অপেক্ষা করে থাকি। এদিন খুব আনন্দ করেছি। ওসি দিদিকে ফোঁটা দিতে পেরে আমাদের খুব ভালো লেগেছে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ওসি বলেন, দুঃস্থ পড়ুয়াদের জন্য ভাইফোঁটা আয়োজন করতে পেরে আমি নিজেও আপ্লুত।
থানা প্রাঙ্গণেই প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে পঠনপাঠন চলে। সেখানে পড়ানোর জন্য তিনজন শিক্ষককে নিযুক্ত করা হয়েছে। কচিকাঁচাদের ছবি আঁকা, গানও শেখানো হয়। থানার সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে শুরু করে কনস্টেবল, এএসআই, এসআই-যিনি যখন সুযোগ পান ক্লাস নেন। সময় পেলে খোদ ওসি সেখানে পড়ান। বিশ্বভারতীর পাঠভবনের প্রাক্তন পার্শ্বশিক্ষিকা সুমিত্রা খাঁও নিয়মিত পড়ুয়াদের অঙ্ক ও বিজ্ঞান পড়ান।
পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটদের জন্য বছরভর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করে শান্তিনিকেতন থানা। তার মধ্যে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী, বৃক্ষরোপণ, বসন্ত উৎসব, ভাইফোঁটা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। দিনদিন থানার পাঠশালায় দুঃস্থ পড়ুয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বছরভর পড়াশোনা চললেও বিভিন্ন উৎসব উদযাপনের জন্য পড়ুয়ারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। এদিন ভাইফোঁটা উপলক্ষে তাদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিন সাতসকালে স্নান করে, নতুন জামাকাপড় পরে তারা শান্তিনিকেতন থানায় হাজির হয়। এরপর তাদের ভাইফোঁটা দেন ওসি সহ থানার অন্য মহিলা আধিকারিক ও কর্মীরা। পড়ুয়ারাও ওসি ম্যাডামকে ফোঁটা দেয়। এরপর সবাই মিলে একসঙ্গে পাত পেড়ে খাওয়াদাওয়া করেন।
পড়ুয়াদের মধ্যে পূর্ণিমা, রাজা, রঞ্জন, বর্ষা বলল, কবে ভাইফোঁটা আসবে- তার জন্য আমরা অপেক্ষা করে থাকি। এদিন খুব আনন্দ করেছি। ওসি দিদিকে ফোঁটা দিতে পেরে আমাদের খুব ভালো লেগেছে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ওসি বলেন, দুঃস্থ পড়ুয়াদের জন্য ভাইফোঁটা আয়োজন করতে পেরে আমি নিজেও আপ্লুত।



