সংবাদদাতা, বোলপুর: অবশেষে শনিবার থেকে শান্তিনিকেতন পৌষমেলার অনলাইন স্টল বুকিং শুরু হল। প্রথমদিনই নিজেদের স্টল বুকিং করতে বিভিন্ন সাইবার ক্যাফেতে ব্যবসায়ীদের ভিড় উপচে পড়ে। তবে যাঁরা ২০১৯সালে মেলায় স্টল দিয়েছিলেন, তাঁরাই এখন স্টল বুকিং করছেন। নতুন ব্যবসায়ীরা সোমবার থেকে স্টল বুকিং করতে পারবেন। প্রথমদিন বুকিং বাবদ প্রায় ৫০লক্ষ টাকা পেয়েছে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। কমবেশি ৪০০টি স্টল বুকিং হয়েছে।
Advertisement
এবছর অনলাইনে স্টল বুকিং হওয়ার কথা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়েছিল। গতবছরের তুলনায় স্টলের সংখ্যা বেড়েছে। এবছর দোকানসংখ্যা বাড়িয়ে ১৮০০ করা হয়েছে। তাই সেই অনুযায়ী ওয়েবসাইট নতুন করে সাজাতেই কিছুটা দেরি হয়েছে। পুরনো জায়গা বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের প্রাপকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে তার জন্য অনলাইনে প্যান নম্বর যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার থেকে পুরনোদের পাশাপাশি নতুন যে কেউ অনলাইনে স্টল বুক করতে পারবেন।
এবছর বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ নিজেদের উদ্যোগে পৌষমেলা আয়োজনের কথা জানিয়েছিল। তবে এত বড় মহাযজ্ঞ এককভাবে আয়োজন সম্ভব নয়। তাই জেলা প্রশাসন তথা রাজ্য সরকারের সহযোগিতাও চেয়েছিল। পৌষমেলা বিশ্বভারতী তথা জেলার ঐতিহ্য। মুখ্যমন্ত্রী সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তারই ফলস্বরূপ মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও জেলাশাসক বিধান রায় বিশ্বভারতীর ডাকে প্রতিটি বৈঠকে উপস্থিত থেকেছেন।
স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ২০১৯ সালে অনলাইনে স্টল বুকিং শুরু হয়েছিল। পরিবেশবিধি মানার জন্য সে বছর সিকিউরিটি মানি জমা রাখার কথা ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। সেসময় বিদ্যুৎ চক্রবর্তী উপাচার্য ছিলেন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সিকিউরিটি মানি ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে দাবি করা হয়, ৭৫ শতাংশ সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা ব্যবসায়ীদের ফেরত দেওয়া হয়েছিল।
বিষয়টি নিয়ে ফের জলঘোলার আশঙ্কায় এবছর সিকিউরিটি মানি নেওয়া হবে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তার বদলে বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতিকে নির্দিষ্ট সময়ে স্টল তোলার দায়িত্ব নিতে হবে। সিকিউরিটি মানি না নিলেও ২০১৯ সালের তুলনায় এবছর হস্তশিল্পী ও হোটেল ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে স্টলের দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। কোম্পানি ও অন্য স্টলের ক্ষেত্রে তা ২৫ শতাংশ বেড়েছে। বিদ্যুৎ-সংযোগের জন্য পয়েন্ট প্রতি ৮০০ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
বিশ্বভারতীর এক আধিকারিক বলেন, ২০১৯ সালে যারা অনলাইনে স্টল বুকিং করেছিলেন, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আপাতত নতুনরা কেউ বুকিং করতে পারবে না। পুরনো ব্যবসায়ীদের বুকিং সম্পন্ন হলে ওয়েবসাইটে ‘নিউ বুকিং’ বলে আলাদা ট্যাব দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করে নতুন বুকিং করা যাবে। নূন্যতম দুই-তিন হাজার টাকা থেকে শুরু করে স্টলের আয়তন অনুযায়ী লক্ষাধিক টাকার বুকিংও রয়েছে। সমস্ত স্টল বুকিং হলে এবছর শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট দেড় কোটি টাকার বেশি আয় করবে। প্রথমদিন যেভাবে স্টল বুকিংয়ে সাড়া পড়েছে, তাতে খুশি মেলা কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। বুকিং পর্ব শুরু হতেই মেলার মাঠে এখন সাজো সাজো রব।
এবছর বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ নিজেদের উদ্যোগে পৌষমেলা আয়োজনের কথা জানিয়েছিল। তবে এত বড় মহাযজ্ঞ এককভাবে আয়োজন সম্ভব নয়। তাই জেলা প্রশাসন তথা রাজ্য সরকারের সহযোগিতাও চেয়েছিল। পৌষমেলা বিশ্বভারতী তথা জেলার ঐতিহ্য। মুখ্যমন্ত্রী সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তারই ফলস্বরূপ মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও জেলাশাসক বিধান রায় বিশ্বভারতীর ডাকে প্রতিটি বৈঠকে উপস্থিত থেকেছেন।
স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ২০১৯ সালে অনলাইনে স্টল বুকিং শুরু হয়েছিল। পরিবেশবিধি মানার জন্য সে বছর সিকিউরিটি মানি জমা রাখার কথা ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। সেসময় বিদ্যুৎ চক্রবর্তী উপাচার্য ছিলেন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সিকিউরিটি মানি ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে দাবি করা হয়, ৭৫ শতাংশ সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা ব্যবসায়ীদের ফেরত দেওয়া হয়েছিল।
বিষয়টি নিয়ে ফের জলঘোলার আশঙ্কায় এবছর সিকিউরিটি মানি নেওয়া হবে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তার বদলে বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতিকে নির্দিষ্ট সময়ে স্টল তোলার দায়িত্ব নিতে হবে। সিকিউরিটি মানি না নিলেও ২০১৯ সালের তুলনায় এবছর হস্তশিল্পী ও হোটেল ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে স্টলের দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। কোম্পানি ও অন্য স্টলের ক্ষেত্রে তা ২৫ শতাংশ বেড়েছে। বিদ্যুৎ-সংযোগের জন্য পয়েন্ট প্রতি ৮০০ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
বিশ্বভারতীর এক আধিকারিক বলেন, ২০১৯ সালে যারা অনলাইনে স্টল বুকিং করেছিলেন, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আপাতত নতুনরা কেউ বুকিং করতে পারবে না। পুরনো ব্যবসায়ীদের বুকিং সম্পন্ন হলে ওয়েবসাইটে ‘নিউ বুকিং’ বলে আলাদা ট্যাব দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করে নতুন বুকিং করা যাবে। নূন্যতম দুই-তিন হাজার টাকা থেকে শুরু করে স্টলের আয়তন অনুযায়ী লক্ষাধিক টাকার বুকিংও রয়েছে। সমস্ত স্টল বুকিং হলে এবছর শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট দেড় কোটি টাকার বেশি আয় করবে। প্রথমদিন যেভাবে স্টল বুকিংয়ে সাড়া পড়েছে, তাতে খুশি মেলা কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। বুকিং পর্ব শুরু হতেই মেলার মাঠে এখন সাজো সাজো রব।



